বাংলাদেশ ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সমাজ সেবক মিঠু মিয়া বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। বুড়িচং ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মাদক সাপ্লাইয়ের অভিযোগ  পেকুয়ায় ইভটিজিংয়ের দায়ে ২ জনকে কারাদণ্ড পীরগঞ্জ মহিলা কলেজে মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত। পীরগঞ্জে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও জীবন জীবীকা বিষয়ক প্রশিক্ষণ চলছে পাঠক শূন্য রাজশাহীর পুঠিয়ার সাধারণ পাঠাগার হত্যা মামলার পলাতক অন্যতম আসামী নুরুলকে র‍্যাব কর্তৃক গ্রেফতার। রাজশাহীর পুঠিয়ায় যাবজ্জাীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার কলাপাড়ায় জেলেদের জালে শিকার হলো জীবিত এক ডলফিন। দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাজশাহী মহানগরীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার মির্জাগঞ্জে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম ত্রিশালে রেইজ’র অভিবাসী বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন

ইসলামে আদর্শ মানুষের গুনাবলী ও বৈশিষ্ট্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২
  • ১৭১৯ বার পড়া হয়েছে

ইসলামে আদর্শ মানুষের গুনাবলী ও বৈশিষ্ট্য

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির।।
ইসলাম মানবতার ধর্ম। মানব চরিত্রের উৎকর্ষ সাধনই এর মূল লক্ষ্য।  আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আদি যুগ থেকে নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠিয়েছেন মানবতার উৎকর্ষের পূর্ণতা প্রদানের জন্য। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘বুইছতু লিউতাম্মিমা মাকারিমাল আখলাক’, অর্থাৎ আমাকে পাঠানো হয়েছে সুন্দর চরিত্রের পূর্ণতা প্রদানের জন্য। (মুসলিম ও তিরমিজি)।
মানবজীবনের প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে আল-কোরআন। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, (হে নবী) আমি সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা করে আপনার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি। (সূরা নাহল : ৮৯)। এছাড়া অন্যত্র বলেছেন, ‘এই কিতাবে আমি কোনো কিছু বাদ দেইনি। (সূরা আনয়াম : আয়াত ৩৮)। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তা’য়ালা আদর্শ মানুষের গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
১. কোমল হৃদয়ের হওয়া : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই কোমল হৃদয়ের অধিকারী হতে হবে। কেননা, একজন কোমল স্বভাবের ব্যক্তি স্বভাবগতভাবেই অন্যের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করে এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের সাথে মিশতে পারে। আর একজন রূঢ ও কঠোর স্বভাবের মানুষ থেকে দূরে থাকে। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, ‘যদি আপনি রূঢ ও কঠোরচিত্ত হতেন তবে তারা আপনার আশপাশ হতে সরে পড়ত।’(আল-ইমরান : আয়াত ১৫৯)।
২. ক্ষমাশীলতা : আদর্শ মানুষের অন্যতম গুণাবলি হলো ক্ষমাশীলতা। মানুষের ওঠা-বসায়, চাল-চলনে ও কথা-বার্তায় ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই হলো আদর্শ মানুষের গুণ। আল্লাহ বলেছেন,’ অর্থাৎ তোমার সাথে অন্যায় করে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। (আল-কোরআন)।
৩. পরামর্শ গ্রহণ করা : একজন আদর্শ মানুষের অপরিহার্য গুণ হলো পরামর্শ গ্রহণ করা। ব্যক্তিগত, সামাজিক,রাষ্ট্রিয় ও আন্তর্জাতিক যে কোন মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কাজে পরিষদের কিংবা জ্ঞানী-গুণীদের পরামর্শ গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। এটি আল্লাহর নির্দেশ। এমনকি রাসূল (সা.) এর ওপরও এই নির্দেশ ছিল। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, এবং কাজে-কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করুন। (সূরা তালাক : আয়াত ৩)
৪. তাওয়াককুল : সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা’য়ালার ওপর নির্ভর করা একজন মুসলিম আদর্শ মানুষের জন্য একান্ত অপরিহার্য। বিপদ আপদে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হতে হবে। একজন আদর্শ মানুষকে সর্বাবস্থায় তায়াককুলের গুণে গুণান্বিত হতে হবে। আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে,আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট। (সূরা ত্বলাক : আয়াত ৩)
৫. অস্থিরতা পরিহার করা : একজন আদর্শবান মানুষকে অবশ্যই অস্থিরতা পরিহার করতে হবে। চরম বিপর্যয়ের সময়েও ধৈর্যশীল হতে হবে। রাসূল (সা.) বলেন,’ ধীরস্থীরতা আসে আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে, আর তাড়াহুড়ো আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। (তিরমিযি)।
৬. সত্যবাদিতা : একজন আদর্শ মানুষের মধ্যে যে সকল গুণ থাকা আবশ্যক তার মধ্যে অন্যতম হলো সত্যবাদিতা। সত্য মুক্তি দেয়, মিথ্যা ধ্বংস করে। আল-কোরআনে এসেছে, হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমরা সত্যবাদীদের সঙ্গে থাক। (সূরা তাওবা : আয়াত ১১৯)।
৭. ন্যায় বিচার : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই ন্যায়বিচারকের গুণে গুণান্বিত হতে হবে। কেননা, ন্যায় বিচার করা আল্লাহর নির্দেশ। কোরআনে এসেছে, আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদেরকে ন্যায়পরায়ণতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেন। (সূরা নাহল : আয়াত ৯০)। অন্যত্র বলেছেন, মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার করো। (সূরা নিসা : আয়াত ৫৮)।
৮. ধৈর্যশীলতা : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। কেননা, ধৈর্যশীলতা একটি মহৎ গুণ। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমারা সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সূরা বাকারা : আয়াত ১৫৩)।
৯. বীরত্ব : যিনি আদর্শ মানুষ হবেন তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাকে অবশ্যই সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ হতে হবে। কোন ভীতু, দুর্বল লোক আদর্শ মানুষ হতে পারে না।
ইসলামি জীবনাচার, আদব-কায়দা ও শিষ্টাচারই মানুষকে শান্তিপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। ইসলামে শিষ্টাচার বা আদবকে ঈমানের অংশ বলা হয়েছে। ইহকালে সুমহান মর্যাদার অধিকারী হতে হলে সবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে, কোনোরকম দাম্ভিকতা ছাড়াই সকলের সাথে মিশতে হবে। মুমিনের সম্প্রীতিবোধ সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন। (মিশকাত)।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সমাজ সেবক মিঠু মিয়া

ইসলামে আদর্শ মানুষের গুনাবলী ও বৈশিষ্ট্য

আপডেট সময় ১২:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২
গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির।।
ইসলাম মানবতার ধর্ম। মানব চরিত্রের উৎকর্ষ সাধনই এর মূল লক্ষ্য।  আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আদি যুগ থেকে নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠিয়েছেন মানবতার উৎকর্ষের পূর্ণতা প্রদানের জন্য। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘বুইছতু লিউতাম্মিমা মাকারিমাল আখলাক’, অর্থাৎ আমাকে পাঠানো হয়েছে সুন্দর চরিত্রের পূর্ণতা প্রদানের জন্য। (মুসলিম ও তিরমিজি)।
মানবজীবনের প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে আল-কোরআন। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, (হে নবী) আমি সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা করে আপনার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি। (সূরা নাহল : ৮৯)। এছাড়া অন্যত্র বলেছেন, ‘এই কিতাবে আমি কোনো কিছু বাদ দেইনি। (সূরা আনয়াম : আয়াত ৩৮)। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তা’য়ালা আদর্শ মানুষের গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
১. কোমল হৃদয়ের হওয়া : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই কোমল হৃদয়ের অধিকারী হতে হবে। কেননা, একজন কোমল স্বভাবের ব্যক্তি স্বভাবগতভাবেই অন্যের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করে এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের সাথে মিশতে পারে। আর একজন রূঢ ও কঠোর স্বভাবের মানুষ থেকে দূরে থাকে। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, ‘যদি আপনি রূঢ ও কঠোরচিত্ত হতেন তবে তারা আপনার আশপাশ হতে সরে পড়ত।’(আল-ইমরান : আয়াত ১৫৯)।
২. ক্ষমাশীলতা : আদর্শ মানুষের অন্যতম গুণাবলি হলো ক্ষমাশীলতা। মানুষের ওঠা-বসায়, চাল-চলনে ও কথা-বার্তায় ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে তাকে ক্ষমা করে দেওয়াই হলো আদর্শ মানুষের গুণ। আল্লাহ বলেছেন,’ অর্থাৎ তোমার সাথে অন্যায় করে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। (আল-কোরআন)।
৩. পরামর্শ গ্রহণ করা : একজন আদর্শ মানুষের অপরিহার্য গুণ হলো পরামর্শ গ্রহণ করা। ব্যক্তিগত, সামাজিক,রাষ্ট্রিয় ও আন্তর্জাতিক যে কোন মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কাজে পরিষদের কিংবা জ্ঞানী-গুণীদের পরামর্শ গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। এটি আল্লাহর নির্দেশ। এমনকি রাসূল (সা.) এর ওপরও এই নির্দেশ ছিল। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, এবং কাজে-কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করুন। (সূরা তালাক : আয়াত ৩)
৪. তাওয়াককুল : সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা’য়ালার ওপর নির্ভর করা একজন মুসলিম আদর্শ মানুষের জন্য একান্ত অপরিহার্য। বিপদ আপদে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হতে হবে। একজন আদর্শ মানুষকে সর্বাবস্থায় তায়াককুলের গুণে গুণান্বিত হতে হবে। আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে,আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট। (সূরা ত্বলাক : আয়াত ৩)
৫. অস্থিরতা পরিহার করা : একজন আদর্শবান মানুষকে অবশ্যই অস্থিরতা পরিহার করতে হবে। চরম বিপর্যয়ের সময়েও ধৈর্যশীল হতে হবে। রাসূল (সা.) বলেন,’ ধীরস্থীরতা আসে আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে, আর তাড়াহুড়ো আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। (তিরমিযি)।
৬. সত্যবাদিতা : একজন আদর্শ মানুষের মধ্যে যে সকল গুণ থাকা আবশ্যক তার মধ্যে অন্যতম হলো সত্যবাদিতা। সত্য মুক্তি দেয়, মিথ্যা ধ্বংস করে। আল-কোরআনে এসেছে, হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমরা সত্যবাদীদের সঙ্গে থাক। (সূরা তাওবা : আয়াত ১১৯)।
৭. ন্যায় বিচার : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই ন্যায়বিচারকের গুণে গুণান্বিত হতে হবে। কেননা, ন্যায় বিচার করা আল্লাহর নির্দেশ। কোরআনে এসেছে, আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদেরকে ন্যায়পরায়ণতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেন। (সূরা নাহল : আয়াত ৯০)। অন্যত্র বলেছেন, মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার করো। (সূরা নিসা : আয়াত ৫৮)।
৮. ধৈর্যশীলতা : একজন আদর্শ মানুষকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। কেননা, ধৈর্যশীলতা একটি মহৎ গুণ। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমারা সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সূরা বাকারা : আয়াত ১৫৩)।
৯. বীরত্ব : যিনি আদর্শ মানুষ হবেন তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাকে অবশ্যই সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ হতে হবে। কোন ভীতু, দুর্বল লোক আদর্শ মানুষ হতে পারে না।
ইসলামি জীবনাচার, আদব-কায়দা ও শিষ্টাচারই মানুষকে শান্তিপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। ইসলামে শিষ্টাচার বা আদবকে ঈমানের অংশ বলা হয়েছে। ইহকালে সুমহান মর্যাদার অধিকারী হতে হলে সবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে, কোনোরকম দাম্ভিকতা ছাড়াই সকলের সাথে মিশতে হবে। মুমিনের সম্প্রীতিবোধ সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন। (মিশকাত)।