বাংলাদেশ ০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

কাঠালিয়ায় গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টাকালে অভিযুক্ত পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭১৬ বার পড়া হয়েছে
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
কাঠালিয়া উপজেলার তারাবুনিয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক পুলিশের এসআইকে জখম করেছে বলে জানাগেছে।
ঘটনার পর থেকে তাকে ক্যাম্পে দেখা যায়নি। জানাগেছে এসআই আলমগীর অজ্ঞাত স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে। কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের স্ত্রী গৃহবধু মাকসুদা আক্তার নিপা। পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাহিন হাওলাদার জানান, তারাবুনিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাথে ভুক্তভুগী ওই নারীর ভগ্নিপতির একটি চায়ের দোকান আছে। সেখানেই পরিচয় হয় এসআই আলমগীরের সাথে।
গত ৪ এপ্রিল সোমবার রাতে এসআই আলমগীর সেই নারীর বোনের বাড়িতে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এসআই আলমগীরকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এদিকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার দ্বারা এ ঘটনা শিকার হওয়া নারীকে পরিবারের সদস্যরা ভয়ে সাময়িক আড়াঁলে  রাখেন। সেই সুযোগে পুলিশও ঘটনা আড়াঁল করার চেষ্টা করলে প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি। তবে বুধবার ভিকটিম ঝালকাঠি ও কাঠালিয়ার সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত জানালে উপজেলা
তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার ওসি মুরাদ আলী জানান, গত ৪ এপ্রিল সোমবার রাত ৮ টার দিকে গৃহবধু মাকসুদা আক্তার নিপা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে জানায় তাকে ধর্ষন করা হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছি। তখন গৃহবধু জানায়, তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করায় কুপিয়ে আহত করে আলমগীরের মোবাইল রেখে দেয়া হয়েছে। যদিও মোবাইলটি সে দেখাতে পারেনি। ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই আলমগীরকে পায়নি কাঠালিয়া থানা পুলিশ।
ওসি মুরাদ আলী আরো বলেন, আমি রাতে ঐ মহিলাকে বলেছি সকালে ঝালকাঠি গিয়ে মেডিক্যাল করিয়ে কাঠালিয়া থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করতে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সে কোন অভিযোগ করেনি। এসআই আলমগীরের সাথে ঘটনার পর থেকে ওসির দেখা বা কথা হয়নি বলেও তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে কাঠালিয়া থানার তারাবুনিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমি এ ধরনের একটি ঘটনার কথা শুনেছি। কিন্তু আমি ছুটি শেষে মঙ্গলবার ক্যাম্পে ফেরার কারনে কিছুই জানিনা। তবে ক্যাম্পে এসআই আলমগীরকে পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

কাঠালিয়ায় গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টাকালে অভিযুক্ত পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম!

আপডেট সময় ০৭:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
কাঠালিয়া উপজেলার তারাবুনিয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক পুলিশের এসআইকে জখম করেছে বলে জানাগেছে।
ঘটনার পর থেকে তাকে ক্যাম্পে দেখা যায়নি। জানাগেছে এসআই আলমগীর অজ্ঞাত স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে। কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের স্ত্রী গৃহবধু মাকসুদা আক্তার নিপা। পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাহিন হাওলাদার জানান, তারাবুনিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাথে ভুক্তভুগী ওই নারীর ভগ্নিপতির একটি চায়ের দোকান আছে। সেখানেই পরিচয় হয় এসআই আলমগীরের সাথে।
গত ৪ এপ্রিল সোমবার রাতে এসআই আলমগীর সেই নারীর বোনের বাড়িতে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এসআই আলমগীরকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এদিকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার দ্বারা এ ঘটনা শিকার হওয়া নারীকে পরিবারের সদস্যরা ভয়ে সাময়িক আড়াঁলে  রাখেন। সেই সুযোগে পুলিশও ঘটনা আড়াঁল করার চেষ্টা করলে প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি। তবে বুধবার ভিকটিম ঝালকাঠি ও কাঠালিয়ার সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত জানালে উপজেলা
তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার ওসি মুরাদ আলী জানান, গত ৪ এপ্রিল সোমবার রাত ৮ টার দিকে গৃহবধু মাকসুদা আক্তার নিপা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে জানায় তাকে ধর্ষন করা হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছি। তখন গৃহবধু জানায়, তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করায় কুপিয়ে আহত করে আলমগীরের মোবাইল রেখে দেয়া হয়েছে। যদিও মোবাইলটি সে দেখাতে পারেনি। ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই আলমগীরকে পায়নি কাঠালিয়া থানা পুলিশ।
ওসি মুরাদ আলী আরো বলেন, আমি রাতে ঐ মহিলাকে বলেছি সকালে ঝালকাঠি গিয়ে মেডিক্যাল করিয়ে কাঠালিয়া থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করতে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সে কোন অভিযোগ করেনি। এসআই আলমগীরের সাথে ঘটনার পর থেকে ওসির দেখা বা কথা হয়নি বলেও তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে কাঠালিয়া থানার তারাবুনিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমি এ ধরনের একটি ঘটনার কথা শুনেছি। কিন্তু আমি ছুটি শেষে মঙ্গলবার ক্যাম্পে ফেরার কারনে কিছুই জানিনা। তবে ক্যাম্পে এসআই আলমগীরকে পাওয়া যায়নি।