বাংলাদেশ ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
তানোরে জিয়ারুল হত্যার ঘটনায় ১৫ জনের নামে মামলা তানোরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় রাস্তা থেকে উদ্ধার হলো মরদেহ বরুন হত্যা মামলার পলাতক আসামীকে গ্রেফতার এলাকার উন্নয়ন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে করব: মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি। জগন্নাথপুরে কিশোরীকে নিয়ে পলায়ন, ১৮ দিন পর ফিরে প্রেমিক কারাগারে ভালুকায় বাজারের ইজারা নিয়ে মারামারির ঘটনায় আটক- ১ বানারীপাড়ায় বন্দর মডেল স্কুলে তিনদিন ব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে আগুনে পুড়লো তিনটি বসতঘর মুন্সীগঞ্জে হাসপাতালের লিফট সার্ভিসিং করার সময় লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আ. হালিম খানের ইন্তেকাল বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা আব্দুল মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল বুড়িচংয়ে মোটরসাইকেল অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ প্রকৃতির রাণী হাওর কণ্যা কিশোরগঞ্জ। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড জবি শাখার নেতৃত্বে অন্তর-তানিম আরব আমিরাতে সদরুল ইসলামের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত 

তজুমদ্দিনে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা খেলো ভিলেজ ক্রাইম চক্রের সদস্যরা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
  • ১৬৭৮ বার পড়া হয়েছে

তজুমদ্দিনে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা খেলো ভিলেজ ক্রাইম চক্রের সদস্যরা।

তজুমদ্দিন ভোলা থেকে 
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কোড়ালমারা এলাকায় গড়ে উঠেছে ভিলেজ ক্রাইম চক্র। এদের প্রধান কাজ গাঁজা -ইয়াবার ব্যবসা। সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও চাঁদাবাজী। দাবীকৃত চাঁদা পরিশোধ না করলে গাঁজা -ইয়াবা দিয়ে মারপিট করে ধরিয়ে দেয় পুলিশে। বৃহস্পতিবার দিন দুপরে এমনই এক ঘটনা ঘটে ওই এলাকার আঃ রশিদের ছেলে মোঃ নসু র সাথে।
ভিলেজ ক্রাইম চক্রের সদস্যরা মারপিট করে ইয়াবা দিয়ে নসুকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেরাই আটকা পড়েছে পুলিশের জালে। থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে মোঃ নসু দুই সহযোগী মিরাজ ও সিরাজকে নিয়ে কোড়ালমারা এলাকার নুরুজ্জামানের গাছ কাটতে আসে।
এসময় ওই এলাকার সামীম, বজলু, নুর আলম, নুরনবী, শাহীন, ইমতিয়াজ, আক্তার, শাহীন মিলে নসুকে মারপিট করে কোমড়ে ইয়াবা দিয়ে কারেন্টের পিলারে সাথে বেঁধে রাখে পুলিশের কাছে খবর দেয়। পুলিশ নসুকে থানায় নেয়ার পর ঘটনা বিস্তারিত শুনে তদন্ত করলে আসল ঘটনা প্রকাশ পায়।
নসু জানান, কয়েক মাস আগে কোড়ালমারা নতুন ব্রিজের কাছ থেকে কাঞ্চনের ছেলে নুর আলমকে ৪০টা টেবলেট ও এক পুটলি গাঁজাসহ লালমোহনের পুলিশ আটক করে। নুর আলম দুই মাস ১৩ দিন জেল খেটে এসে ওই ঘটনায় দোষী বানিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবী করে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।
ওই এলাকার বাসীন্দা মোঃ মফিজ মিয়া, মোঃ কামালউদ্দিন, শাখাওয়াত, মহিউদ্দিন সহ অনেকে জানান, নুরা, শামীম, বজলু সহ ১০/১৫ জনের একটি ক্রাইম টিম রয়েছে। এদের অবৈধ ব্যবসার বিরোধীতা বা চাহিদা পুরন না হলে এভাবে মানুষকে হয়রানী করে আসছে।
তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইন-চার্জ এসএম জিয়াউল হক জানান, পুলিশী তদন্ত শেষে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় অভিযোগে নুর আলম ও নুরনবীসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে মামলা এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে জিয়ারুল হত্যার ঘটনায় ১৫ জনের নামে মামলা

তজুমদ্দিনে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা খেলো ভিলেজ ক্রাইম চক্রের সদস্যরা।

আপডেট সময় ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
তজুমদ্দিন ভোলা থেকে 
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কোড়ালমারা এলাকায় গড়ে উঠেছে ভিলেজ ক্রাইম চক্র। এদের প্রধান কাজ গাঁজা -ইয়াবার ব্যবসা। সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও চাঁদাবাজী। দাবীকৃত চাঁদা পরিশোধ না করলে গাঁজা -ইয়াবা দিয়ে মারপিট করে ধরিয়ে দেয় পুলিশে। বৃহস্পতিবার দিন দুপরে এমনই এক ঘটনা ঘটে ওই এলাকার আঃ রশিদের ছেলে মোঃ নসু র সাথে।
ভিলেজ ক্রাইম চক্রের সদস্যরা মারপিট করে ইয়াবা দিয়ে নসুকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেরাই আটকা পড়েছে পুলিশের জালে। থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে মোঃ নসু দুই সহযোগী মিরাজ ও সিরাজকে নিয়ে কোড়ালমারা এলাকার নুরুজ্জামানের গাছ কাটতে আসে।
এসময় ওই এলাকার সামীম, বজলু, নুর আলম, নুরনবী, শাহীন, ইমতিয়াজ, আক্তার, শাহীন মিলে নসুকে মারপিট করে কোমড়ে ইয়াবা দিয়ে কারেন্টের পিলারে সাথে বেঁধে রাখে পুলিশের কাছে খবর দেয়। পুলিশ নসুকে থানায় নেয়ার পর ঘটনা বিস্তারিত শুনে তদন্ত করলে আসল ঘটনা প্রকাশ পায়।
নসু জানান, কয়েক মাস আগে কোড়ালমারা নতুন ব্রিজের কাছ থেকে কাঞ্চনের ছেলে নুর আলমকে ৪০টা টেবলেট ও এক পুটলি গাঁজাসহ লালমোহনের পুলিশ আটক করে। নুর আলম দুই মাস ১৩ দিন জেল খেটে এসে ওই ঘটনায় দোষী বানিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবী করে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।
ওই এলাকার বাসীন্দা মোঃ মফিজ মিয়া, মোঃ কামালউদ্দিন, শাখাওয়াত, মহিউদ্দিন সহ অনেকে জানান, নুরা, শামীম, বজলু সহ ১০/১৫ জনের একটি ক্রাইম টিম রয়েছে। এদের অবৈধ ব্যবসার বিরোধীতা বা চাহিদা পুরন না হলে এভাবে মানুষকে হয়রানী করে আসছে।
তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইন-চার্জ এসএম জিয়াউল হক জানান, পুলিশী তদন্ত শেষে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় অভিযোগে নুর আলম ও নুরনবীসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে মামলা এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে।