বাংলাদেশ ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত কালকিনিতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য আয়োজন-পাহাড়িদের বৈশাখী শুরু কচুয়ায় নাস্তিক মুরাদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রাজশাহী মহানগরীতে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আরএমপিতে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পদ্মায় গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাংলার নববর্ষ পালিত হয় মুন্সীগঞ্জে ১৫ কোটি টাকা মূল্যেও কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার রাঙ্গাবালীতে নবীন আলেম সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্নাঢ্য আয়োজনে হোসেনপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন।  কাউনিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্দোগেনানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত ফুলবাড়ীতে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা ও পান্তা, ইলিশের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত। বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে হরিপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রা কাউখালীতে নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত।

কার মদদে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রলি?রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের দাপট বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৬২১ বার পড়া হয়েছে

কার মদদে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রলি?রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের দাপট বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি

 

 

 

মো: ছায়েদ হোসেন, রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: কোন প্রকার আইনের তোয়াক্কা না করে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফসলি জমির টপ সয়েল কাটায় যেন মহোৎসব চলছে। মাটিখোকেরা রাজনৈতিক প্রভাবশালী হওয়ায় মানছে না সরকারি বিধি নিষেধ। অভিযানের পর সাময়িক বন্ধ হলেও ফের চালু হয় টপ সয়েল কাটা। এ অবস্থায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

আইন অমান্য করে তথাকথিত উন্নয়নের কথা বলে এসব কাঁকড়া চলাচলের ফলে একদিকে যেমন জীবন হারাচ্ছে পথচারী সেই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাস্তাঘাট। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর হতে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে উপজেলা শহরের ব্যস্ততম সকল রাস্তার সবখানে এই মরণযান অবৈধ ট্রাক্টর (কাঁকড়া) সগৌরবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ট্রলি দিয়ে মাটি আনা নেয়া করায় প্রধান সড়কে চলাচলরত মানুষের জীবন দূর্বিসহ করে তুললেও দেখার কেউ নেই। প্রচুর ধুলোবালির কারনে ওই সকল এলাকার সড়কে চলাচলরত মানুষ আসা যাওয়া করতে চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছেন বলে সরেজমিনে দেখা যায়।

চালকের লাইসেন্স তো দূরের কথা, চালানোর নেই কোনো অভিজ্ঞতা। অল্প বয়সী কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে কাঁকড়া নামের এসব যন্ত্রদানবের স্টিয়ারিং। বেপরোয়া গতি আর বিকট শব্দে চলাচলকারী অবৈধ ট্রাক্টর ও টলির কারণে ভাঙ্গছে সড়ক, বাড়ছে অনাকাংখিত দুর্ঘটনা। এ যেন রামরাজত্ব, প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। টপ সয়েলের মাটি বহনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ দানবীয় ট্রলি।

এক শ্রেণির মাটি খেকো এসব মাটি চড়া দামে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। তাছাড়া ফসলি জমির এ টপ সয়েলের মাটিগুলো আশেপাশের ইটভাটা ও বিভিন্ন ডোবানালা ভরাট করে ঘর বাড়ি তৈরী করতে সরবরাহ করা হচ্ছে নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন বিহীন অবৈধ দানবীয় ট্রলি, হ্যান্ডট্রলি, পিকআপ ও ট্রাক দিয়ে।

রামগঞ্জ বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক্টর ও ট্রলিতে মাটি বহন করায় শহর ও গ্রামীণ সড়কের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ইটভাটা ও পুকুর খননকারী ও পুকুর ভরাটকারীদের অবৈধ ট্রাক্টর-ট্রলি মাত্রাতিরিক্ত মাটি বহনের কারণে শহর ও গ্রামীণ সড়কপথ গুলো ধ্বংসের মূখে পড়েছে।

প্রায় দিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকছে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বাবা-মা। প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ অসহায় মানুষের। আর পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও অসাধু ব্যক্তিরা। আর মাটি পরিবহণে নিয়োজিত রয়েছে প্রায় পাচশ’ ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে তৈরী অবৈধ টলি। মাটি কাটার পর নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে এসব পরিবেশ বিনষ্টকারী অবৈধ যান।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রামগঞ্জ উপজেলার ৩নং ভাদুর ইউনিয়নের কেথুড়ী এলাকায় কৃষি মাঠে চলছে টপ সয়েল কাটায় মহোৎসব। এভাবে একই ইউনিয়নের পূর্বভাদুর, রাজারামপুর ও সমেষপুর কৃষি মাঠে ফসলি জমিতে পুকুর খননের মহোৎসব।

এছাড়াও ২নং নোয়াগাঁও, ৫নং চন্ডিপুর, ৮নং করপাড়া, ৭নং দরবেশপুর, ৬নং লামচর ইউনিয়নসহ সমগ্র উপজেলাব্যাপি একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফসলি জমিগুলোর টপ সয়েল কাটার ফলে সেখানে দেখা দিয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। কোথাও কোথাও পুকুরে পরিনত হয়েছে। নির্বিচারে ফসলি জমির মাটি থেকে মাটি কাটার ফলে জমিগুলো যেমন উর্বরতা হারাচ্ছে। তেমনিভাবে চাষাবাদের অনুপযোগী হচ্ছে এসব কৃষি জমি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমি ও বিনেরপোতার বেতনা নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে খালি জায়গা ভরাট, পুকুর ভরাট এবং বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই প্রতিদিন মাটিবোঝাই বহু ট্রলি সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। ট্রলিগুলোর বেপরোয়া চলাচলে ধুলাবালু উড়ে রাস্তার পাশে থাকা সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ির ভেতরে ঢুকে।

এ ব্যাপারে ভাদুর ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন জানান, চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই তার এলাকায় এধরণের কর্মকান্ড বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন তিনি ঢাকায় আছেন। ঢাকা থেকে এসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: শারমিন ইসলাম জানান, এধরণের বেআইনি কর্মকান্ড বন্ধ করা অতীব জরুরি। খবর নিয়ে এব্যাপারে অতি দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়াও এব্যাপারে অতি সত্ত্বর যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভূক্তভোগীরা।

 

 

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

কার মদদে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রলি?রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের দাপট বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি

আপডেট সময় ১০:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

 

মো: ছায়েদ হোসেন, রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: কোন প্রকার আইনের তোয়াক্কা না করে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফসলি জমির টপ সয়েল কাটায় যেন মহোৎসব চলছে। মাটিখোকেরা রাজনৈতিক প্রভাবশালী হওয়ায় মানছে না সরকারি বিধি নিষেধ। অভিযানের পর সাময়িক বন্ধ হলেও ফের চালু হয় টপ সয়েল কাটা। এ অবস্থায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

আইন অমান্য করে তথাকথিত উন্নয়নের কথা বলে এসব কাঁকড়া চলাচলের ফলে একদিকে যেমন জীবন হারাচ্ছে পথচারী সেই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাস্তাঘাট। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর হতে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে উপজেলা শহরের ব্যস্ততম সকল রাস্তার সবখানে এই মরণযান অবৈধ ট্রাক্টর (কাঁকড়া) সগৌরবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ট্রলি দিয়ে মাটি আনা নেয়া করায় প্রধান সড়কে চলাচলরত মানুষের জীবন দূর্বিসহ করে তুললেও দেখার কেউ নেই। প্রচুর ধুলোবালির কারনে ওই সকল এলাকার সড়কে চলাচলরত মানুষ আসা যাওয়া করতে চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছেন বলে সরেজমিনে দেখা যায়।

চালকের লাইসেন্স তো দূরের কথা, চালানোর নেই কোনো অভিজ্ঞতা। অল্প বয়সী কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে কাঁকড়া নামের এসব যন্ত্রদানবের স্টিয়ারিং। বেপরোয়া গতি আর বিকট শব্দে চলাচলকারী অবৈধ ট্রাক্টর ও টলির কারণে ভাঙ্গছে সড়ক, বাড়ছে অনাকাংখিত দুর্ঘটনা। এ যেন রামরাজত্ব, প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। টপ সয়েলের মাটি বহনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ দানবীয় ট্রলি।

এক শ্রেণির মাটি খেকো এসব মাটি চড়া দামে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। তাছাড়া ফসলি জমির এ টপ সয়েলের মাটিগুলো আশেপাশের ইটভাটা ও বিভিন্ন ডোবানালা ভরাট করে ঘর বাড়ি তৈরী করতে সরবরাহ করা হচ্ছে নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন বিহীন অবৈধ দানবীয় ট্রলি, হ্যান্ডট্রলি, পিকআপ ও ট্রাক দিয়ে।

রামগঞ্জ বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক্টর ও ট্রলিতে মাটি বহন করায় শহর ও গ্রামীণ সড়কের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ইটভাটা ও পুকুর খননকারী ও পুকুর ভরাটকারীদের অবৈধ ট্রাক্টর-ট্রলি মাত্রাতিরিক্ত মাটি বহনের কারণে শহর ও গ্রামীণ সড়কপথ গুলো ধ্বংসের মূখে পড়েছে।

প্রায় দিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকছে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বাবা-মা। প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ অসহায় মানুষের। আর পকেট ভারি করছে প্রভাবশালী ও অসাধু ব্যক্তিরা। আর মাটি পরিবহণে নিয়োজিত রয়েছে প্রায় পাচশ’ ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে তৈরী অবৈধ টলি। মাটি কাটার পর নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে এসব পরিবেশ বিনষ্টকারী অবৈধ যান।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রামগঞ্জ উপজেলার ৩নং ভাদুর ইউনিয়নের কেথুড়ী এলাকায় কৃষি মাঠে চলছে টপ সয়েল কাটায় মহোৎসব। এভাবে একই ইউনিয়নের পূর্বভাদুর, রাজারামপুর ও সমেষপুর কৃষি মাঠে ফসলি জমিতে পুকুর খননের মহোৎসব।

এছাড়াও ২নং নোয়াগাঁও, ৫নং চন্ডিপুর, ৮নং করপাড়া, ৭নং দরবেশপুর, ৬নং লামচর ইউনিয়নসহ সমগ্র উপজেলাব্যাপি একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফসলি জমিগুলোর টপ সয়েল কাটার ফলে সেখানে দেখা দিয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। কোথাও কোথাও পুকুরে পরিনত হয়েছে। নির্বিচারে ফসলি জমির মাটি থেকে মাটি কাটার ফলে জমিগুলো যেমন উর্বরতা হারাচ্ছে। তেমনিভাবে চাষাবাদের অনুপযোগী হচ্ছে এসব কৃষি জমি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমি ও বিনেরপোতার বেতনা নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে খালি জায়গা ভরাট, পুকুর ভরাট এবং বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই প্রতিদিন মাটিবোঝাই বহু ট্রলি সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। ট্রলিগুলোর বেপরোয়া চলাচলে ধুলাবালু উড়ে রাস্তার পাশে থাকা সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ির ভেতরে ঢুকে।

এ ব্যাপারে ভাদুর ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন জানান, চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই তার এলাকায় এধরণের কর্মকান্ড বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন তিনি ঢাকায় আছেন। ঢাকা থেকে এসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: শারমিন ইসলাম জানান, এধরণের বেআইনি কর্মকান্ড বন্ধ করা অতীব জরুরি। খবর নিয়ে এব্যাপারে অতি দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়াও এব্যাপারে অতি সত্ত্বর যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভূক্তভোগীরা।