বাংলাদেশ ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য কাঁথাকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন রায়গঞ্জের গৃহিণী ও কিশোরীরা

গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য কাঁথাকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন রায়গঞ্জের গৃহিণী ও কিশোরীরা

 
মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে সই-সুতা দিয়ে হাতে বানানো গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ কাঁথা। এক সময় দেখা যেতো উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহবধূ ও কিশোরীদের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হতো নিত্য-নতুন এই গ্রামীণ কাঁথা। এই কাঁথায় তাদের হাতের ছোঁয়ায় ফুটিয়ে তোলা হতো নানা রঙের নকশা। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রায়।

 

তবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সৌখিন হিসাবে গ্রামের কিছু গৃহিণী ও কিশোরীদের হাতের বিভিন্ন ছাপ দেওয়ার মাধ্যমে সুই-সূতা দিয়ে নিত্য-নতুন কাঁথা বানানোর কাজ। অথচ এক সময় এই গ্রামীণ কাঁথা সেলাই করে সংসারও চালাতেন অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রামের বিয়েতে কন্যার শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর জন্য গ্রামীণ কাঁথা সেলাইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় কাটাতো গ্রামাঞ্চলের নারীরা। সেই গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পূনরায় ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন উপজেলার অধিকাংশ গৃহিণী ও কিশোরীরা।

 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মনের মাধূরী মেশানো অনুভূতিতে কাঁথা সেলাই করছেন তারা। সুই আর লাল, নীল, সবুজ, হলুদসহ কয়েক রঙের সুতায় নান্দনিকতার মাধ্যমে বিভিন্ন নকশায় ফুটিয়ে তুলছেন এই কাঁথা। এ যেনো শিল্পী,  রুপকার এবং কারিগর তারা নিজেরাই। উপজেলার নিমগাছি, ধানঘড়া, ভ্রম্যগাছা ও পাঙ্গাসী এলাকার নাম প্রকাশে কয়েকজন গৃহিণী জানান, আগে এক সময় এই কাঁথা সেলাই করে সংসার চালানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় করা যেতো। এখন দেশি  বিদেশি কম্বল, লেপ-তোশক আশায় এসব কাঁথা প্রায় হারিয়ে গেছে।

 

এখন এসব কাঁথা সংসারের কাজের ফাকে ও সখের বসে আমরা সেলাই করছি। তবে এখনো অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে উৎপাদন, আয় বৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্হান তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে এই খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্হা এগিয়ে আসলে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী এ কাঁথাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন উপজেলার গৃহিণী ও কিশোরীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য কাঁথাকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন রায়গঞ্জের গৃহিণী ও কিশোরীরা

আপডেট সময় ০১:০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

 
মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে সই-সুতা দিয়ে হাতে বানানো গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ কাঁথা। এক সময় দেখা যেতো উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহবধূ ও কিশোরীদের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হতো নিত্য-নতুন এই গ্রামীণ কাঁথা। এই কাঁথায় তাদের হাতের ছোঁয়ায় ফুটিয়ে তোলা হতো নানা রঙের নকশা। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রায়।

 

তবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সৌখিন হিসাবে গ্রামের কিছু গৃহিণী ও কিশোরীদের হাতের বিভিন্ন ছাপ দেওয়ার মাধ্যমে সুই-সূতা দিয়ে নিত্য-নতুন কাঁথা বানানোর কাজ। অথচ এক সময় এই গ্রামীণ কাঁথা সেলাই করে সংসারও চালাতেন অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রামের বিয়েতে কন্যার শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর জন্য গ্রামীণ কাঁথা সেলাইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় কাটাতো গ্রামাঞ্চলের নারীরা। সেই গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পূনরায় ফিরিয়ে আনার চেস্টা করছেন উপজেলার অধিকাংশ গৃহিণী ও কিশোরীরা।

 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মনের মাধূরী মেশানো অনুভূতিতে কাঁথা সেলাই করছেন তারা। সুই আর লাল, নীল, সবুজ, হলুদসহ কয়েক রঙের সুতায় নান্দনিকতার মাধ্যমে বিভিন্ন নকশায় ফুটিয়ে তুলছেন এই কাঁথা। এ যেনো শিল্পী,  রুপকার এবং কারিগর তারা নিজেরাই। উপজেলার নিমগাছি, ধানঘড়া, ভ্রম্যগাছা ও পাঙ্গাসী এলাকার নাম প্রকাশে কয়েকজন গৃহিণী জানান, আগে এক সময় এই কাঁথা সেলাই করে সংসার চালানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় করা যেতো। এখন দেশি  বিদেশি কম্বল, লেপ-তোশক আশায় এসব কাঁথা প্রায় হারিয়ে গেছে।

 

এখন এসব কাঁথা সংসারের কাজের ফাকে ও সখের বসে আমরা সেলাই করছি। তবে এখনো অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে উৎপাদন, আয় বৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্হান তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে এই খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্হা এগিয়ে আসলে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী এ কাঁথাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন উপজেলার গৃহিণী ও কিশোরীরা।