বাংলাদেশ ০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
‌সি‌লে‌টে কবি আবুল বশর আনসারী’র লেখা কবিতা পবিত্র সিলেট ভূমি ফলক উন্মোচন ও জীবনী নি‌য়ে আলোচনা। তিন পদে লোক নিচ্ছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যার পলাতক আসামী গ্রেফতার।  রাবিতে ঢাকা জেলা সমিতির নেতৃত্বে আনাস-শিহাব তালতলীর খালাকে হত্যার পর কানের রিং বিক্রি করে খুনিকে টাকা দেয় ভাগ্নে কলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সুপারিশ রাঙ্গাবালীতে মৎস্য ব্যবসায়ী রাসাদ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন। পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত  নাটোরের বড়াইগ্রামে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরণ। পঞ্চগড়ের বোদায় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। রায়গঞ্জের বিভিন্ন গাছে গাছে দেখা যাচ্ছে আমের মুকুল মুক্তিযোদ্বা প্রজন্ম লীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখমকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর শহরে উত্তেজনা রাবিতে চাঁদপুর পরিবারের নেতৃত্বে ইমন-রাহিম ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিঃ পিলাব মল্লিক (গোল্ডেন) -এর সংবাদ  সম্মেলন   

খেয়া নৌকায় আগের মত জৌলুশ নেই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৬২২ বার পড়া হয়েছে

খেয়া নৌকায় আগের মত জৌলুশ নেই

মাহফুজ রাজা, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
নিরীহ প্রকৃতির মানুষ সজল মাঝি। কোমল স্বভাবের কারণে সবার কাছে তিনি পছন্দের মানুষ ।ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গলাকাটা খেয়াঘাটে প্রায় ২ যুগ ধরে খেয়া পারাপার করেন ৪০ বছর বয়সী সজল মাঝি।  উপজেলার নাককাটা চর গ্রামে সজল মাঝির বাড়ি। প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদে গলাকাটা  খেয়াঘাটে নৌকা চালান তিনি।প্রতিবেশী কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী আর শিক্ষার্থীরা খেয়ানৌকায় পার হন।
শনিবার খেয়া ঘাটে গিয়ে দেখা গেল, খেয়া পার হয় কয়েকটি গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা শাখচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যান, ব্যবসা কিম্বা  মালামাল ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দ্যেশ্যে গলাকাটা বাজার অথবা গফরগাঁও যান।আবার বিদ্যালয় ছুটির পর এবং কাজ শেষে কর্মজীবী মানুষেরা বাড়ি ফেরেন।
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে দূরগামী মানুষেরা এদিক দিয়ে আগের মত আসেনা, একটা সময় এ ঘাটে ১০/১৫ টা নৌকা থাকতো এখন সজল একাই যথেষ্ট।
পশ্চিমে গফরগাঁও ব্রিজ পূর্বদিকে খুরশিদ মহল ব্রিজ হওয়ায় ঢাকা কিম্বা ময়মনসিংহ গামী মানুষগুলি ঐদিক দিয়েই চলে যায়।
জানা যায়, এখন আর সারা দিন খেয়া পারাপার করেন না সজল মাঝি দুপুরের পর থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত থাকেন, সকাল থেকে অন্যএকজনকে দিয়ে পারাপার করান। সাহেবের চর, নাককাটার চর, চরকাটিহারীসহ বেশ কয়েকটা গ্রামের মানুষই কেবল বিশেষ প্রয়োজনে খেয়া তরীতে পার হয়।
সজল বলেন, আগে অনেক মাঝি ছিল যাত্রীও ছিলো এ পেশায় এখন আর সুখ নাই, তাই সবাই ছেড়ে দিচ্ছে।
আক্ষেপের সুরে সজল মাঝি বলেন, এখন সব জিনিসের দাম বাড়ছে। এই টাকা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই কৃষি কাজের ফাঁকে ফাঁকে নৌকা চালাই ঘাটের ইজারা নিছি তাই বাধ্য হয়ে এই পেশায় আছি। যা পাই তা দিয়ে কোনোরকমে চলছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

‌সি‌লে‌টে কবি আবুল বশর আনসারী’র লেখা কবিতা পবিত্র সিলেট ভূমি ফলক উন্মোচন ও জীবনী নি‌য়ে আলোচনা।

খেয়া নৌকায় আগের মত জৌলুশ নেই

আপডেট সময় ০৩:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩
মাহফুজ রাজা, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
নিরীহ প্রকৃতির মানুষ সজল মাঝি। কোমল স্বভাবের কারণে সবার কাছে তিনি পছন্দের মানুষ ।ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গলাকাটা খেয়াঘাটে প্রায় ২ যুগ ধরে খেয়া পারাপার করেন ৪০ বছর বয়সী সজল মাঝি।  উপজেলার নাককাটা চর গ্রামে সজল মাঝির বাড়ি। প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদে গলাকাটা  খেয়াঘাটে নৌকা চালান তিনি।প্রতিবেশী কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী আর শিক্ষার্থীরা খেয়ানৌকায় পার হন।
শনিবার খেয়া ঘাটে গিয়ে দেখা গেল, খেয়া পার হয় কয়েকটি গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা শাখচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যান, ব্যবসা কিম্বা  মালামাল ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দ্যেশ্যে গলাকাটা বাজার অথবা গফরগাঁও যান।আবার বিদ্যালয় ছুটির পর এবং কাজ শেষে কর্মজীবী মানুষেরা বাড়ি ফেরেন।
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে দূরগামী মানুষেরা এদিক দিয়ে আগের মত আসেনা, একটা সময় এ ঘাটে ১০/১৫ টা নৌকা থাকতো এখন সজল একাই যথেষ্ট।
পশ্চিমে গফরগাঁও ব্রিজ পূর্বদিকে খুরশিদ মহল ব্রিজ হওয়ায় ঢাকা কিম্বা ময়মনসিংহ গামী মানুষগুলি ঐদিক দিয়েই চলে যায়।
জানা যায়, এখন আর সারা দিন খেয়া পারাপার করেন না সজল মাঝি দুপুরের পর থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত থাকেন, সকাল থেকে অন্যএকজনকে দিয়ে পারাপার করান। সাহেবের চর, নাককাটার চর, চরকাটিহারীসহ বেশ কয়েকটা গ্রামের মানুষই কেবল বিশেষ প্রয়োজনে খেয়া তরীতে পার হয়।
সজল বলেন, আগে অনেক মাঝি ছিল যাত্রীও ছিলো এ পেশায় এখন আর সুখ নাই, তাই সবাই ছেড়ে দিচ্ছে।
আক্ষেপের সুরে সজল মাঝি বলেন, এখন সব জিনিসের দাম বাড়ছে। এই টাকা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই কৃষি কাজের ফাঁকে ফাঁকে নৌকা চালাই ঘাটের ইজারা নিছি তাই বাধ্য হয়ে এই পেশায় আছি। যা পাই তা দিয়ে কোনোরকমে চলছি।