বাংলাদেশ ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
জবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ  মুলাদীতে নিজস্ব অর্থায়নে সামাজিক উন্নয়ন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন ইউপি সদস্য ইরান হোসেন॥ ভালুকায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সাংবাদিক জিগারুল ইসলাম রাঙ্গুনিয়ার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচিত। পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট সাংবাদিক আতিকুর রহমান আতিকের জোর তৎপরতা॥ ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলে মৃত্যু বদলগাছীতে অভিনব কায়দায় লুকায়িত ৭২ কেজি গাঁজা উদ্ধার গ্রেফতার-১  ভালুকায় যুবলীগ নেতাকে ফাসানোর চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  রাবির ভোলা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে জুলিয়া-মমিন বুড়িচংয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা  শিক্ষার্থীদের অনলাইন সেবা দিতে আমতলী সোনালী ব্যাংকের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর রাবি ফটোগ্রাফিক ক্লাবের সভাপতি রেজওয়ান, সম্পাদক নাজমুল কার মদদে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রলি?রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের দাপট বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক ভূষিত হলেন গলাচিপা থানার ওসি ফেরদৌস খান গৌরীপুর উপজেলা সিপিবি’র সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠন

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট সরকারে দেখা উচিত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৬৮১ বার পড়া হয়েছে

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট সরকারে দেখা উচিত

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সরকার  তো দেশের উন্নায়নের কাজে ব্যস্তরয়েছে। কিন্ত এ উন্নায়ন কি মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষগুলো দেখে যেতে পারবে ? কারণ তার আগে হয়ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মানুষ গুলো না খেয়ে মারা যাবে। সম্প্রতিক সময়ে লাগামহীন ভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের কিছুই করার নেই । এই যদি হয় দেশের অবস্থা ?  তাহলে উন্নায়নের কাজ বন্ধ রেখে! চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য স্বাভাবিক করেন।
মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 যদি নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না থাকলে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। মজুতদার ও লোভী ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো অবস্থা হলেও খুচরা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন অল্প বেতনের সৎ সরকারি-বেসরকারি কর্মকতা-কর্মচারী, নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রবীণ জনগোষ্ঠী। যেসব চাকরিজীবী সৎভাবে জীবন কাটান, তাদের অবস্থা আরও শোচনীয়। প্রবীণ জনগোষ্ঠীসহ নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিত্যপণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন এখনি।
এসব অনিয়ম কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে রোধ করতে হবে ! স্বাধীন দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বলগাছাড়া অবস্থা দরিদ্র ব্যক্তিদের পক্ষে বজ্রাঘাততুল্য। বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। সরকারকে কঠোর হাতে অতিলোভী অসাধু এসব ব্যবসায়ীকে দমন করতে হবে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যতালিকা টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে কি না, সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য সব বাজারে দ্রব্যমূল্য মনিটরিং কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করে দেশের সাধারণ মানুষের আরও একটু সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদানে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ 

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট সরকারে দেখা উচিত

আপডেট সময় ০৮:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সরকার  তো দেশের উন্নায়নের কাজে ব্যস্তরয়েছে। কিন্ত এ উন্নায়ন কি মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষগুলো দেখে যেতে পারবে ? কারণ তার আগে হয়ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মানুষ গুলো না খেয়ে মারা যাবে। সম্প্রতিক সময়ে লাগামহীন ভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের কিছুই করার নেই । এই যদি হয় দেশের অবস্থা ?  তাহলে উন্নায়নের কাজ বন্ধ রেখে! চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য স্বাভাবিক করেন।
মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 যদি নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না থাকলে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। মজুতদার ও লোভী ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো অবস্থা হলেও খুচরা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন অল্প বেতনের সৎ সরকারি-বেসরকারি কর্মকতা-কর্মচারী, নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রবীণ জনগোষ্ঠী। যেসব চাকরিজীবী সৎভাবে জীবন কাটান, তাদের অবস্থা আরও শোচনীয়। প্রবীণ জনগোষ্ঠীসহ নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিত্যপণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন এখনি।
এসব অনিয়ম কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে রোধ করতে হবে ! স্বাধীন দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বলগাছাড়া অবস্থা দরিদ্র ব্যক্তিদের পক্ষে বজ্রাঘাততুল্য। বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। সরকারকে কঠোর হাতে অতিলোভী অসাধু এসব ব্যবসায়ীকে দমন করতে হবে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যতালিকা টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে কি না, সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য সব বাজারে দ্রব্যমূল্য মনিটরিং কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করে দেশের সাধারণ মানুষের আরও একটু সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদানে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম।