বাংলাদেশ ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
‌সি‌লে‌টে কবি আবুল বশর আনসারী’র লেখা কবিতা পবিত্র সিলেট ভূমি ফলক উন্মোচন ও জীবনী নি‌য়ে আলোচনা। তিন পদে লোক নিচ্ছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যার পলাতক আসামী গ্রেফতার।  তালতলীর খালাকে হত্যার পর কানের রিং বিক্রি করে খুনিকে টাকা দেয় ভাগ্নে কলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সুপারিশ রাঙ্গাবালীতে মৎস্য ব্যবসায়ী রাসাদ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন। পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত  নাটোরের বড়াইগ্রামে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরণ। পঞ্চগড়ের বোদায় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। রায়গঞ্জের বিভিন্ন গাছে গাছে দেখা যাচ্ছে আমের মুকুল মুক্তিযোদ্বা প্রজন্ম লীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখমকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর শহরে উত্তেজনা রাবিতে চাঁদপুর পরিবারের নেতৃত্বে ইমন-রাহিম ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিঃ পিলাব মল্লিক (গোল্ডেন) -এর সংবাদ  সম্মেলন    ঝালকাঠিতে ৮টি গাঁজাগাছ ও ১৫পিস ইয়াবাসহ আটক-২

নবীন শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২
  • ১৭২৮ বার পড়া হয়েছে

নবীন শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদ

নবীন শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদ
মিলন হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে খুশির আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ ঈদুল ফিতরকে ঘিরে নানা আয়োজন থাকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে। ঈদকে নিয়ে এবারের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ঈদ গল্পগুলো লিখেছেন ক্যাম্পাসের তরুণ সাংবাদিক মিলন…
ঈদ শব্দটা শুনলেই মনের ভিতরে অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করে!
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর সময় এসেছে ঈদ। সময়-স্রোতের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে আমাদের মাঝে তেমনি পরিবর্তন হয়েছে আমাদের ঈদ আনন্দে। কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে বিগত দুই বছর মুসলমানদের প্রধান উৎসব যেন বাধা পড়ে গেল। মুসলিমদের প্রধান উৎসব গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঈদ । ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনদের সাথে একত্রিত হয়ে আমরা প্রতিবছর ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করি। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই সুখ ভাগাভাগি। এমন অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে। ঈদ শব্দটা শুনলেই মনের ভিতরে অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করে। ঈদ সাম্য, মৈত্রী, ধনী-গরিবকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। ঈদের আনন্দ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, এটি সামাজিক উৎসব। সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করে দেয়া, সবার সাথে ঈদ আনন্দ শেয়ার করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই উৎসবের তাৎপর্য ।
মাসুদ আহম্মদ সানি 
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ মানে মনের আনন্দ! 
ঈদ মানেই বাঁধ ভাঙা আনন্দ। সেই আনন্দ বরণের জন্যই দেশের মুসলমান সমাজ যেন উদগ্রীব হয়ে থাকে। ক্ষীর, পায়েস, সেমাই, পোলাও, কোর্মা, বিরিয়ানি এসব নানান ধরনের খাবার থাকবে খাবারের তালিকায়। নামাজ পড়ে মিষ্টি মুখ, সকলের সাথে কোলাকোলি এরপরই বন্ধু-বন্ধবীর সঙ্গে আড্ডা, বাদ যাবে না এর কোনো কিছুই। আর তাইতো ঈদ এলেই মনের অজান্তেই গেয়ে উঠি আমাদের ঈদ-উল-ফিতর নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কালজয়ী গান। মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ…তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে , শোন আসমানী তাগিদ… ঈদের আনন্দ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, এটি সামাজিক উৎসব। সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করে দেয়া, সবার সাথে শেয়ার করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে ঈদ-উৎসবের বৈশিষ্ট্য। ঈদ উৎযাপন যেমন নিজ পরিবার আত্মীয়স্বজনদের সাথে সময় কাটিয়ে সুন্দর করে তুলতে পারি তেমনি অসহায়, দরিদ্র পথশিশুদের ভালো পোশাক দেয়া, ভালো খাবার দেয়া ইত্যাদির মাধ্যমে দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ঈদের এই দিনকে করে তুলতে পারি স্মরনীয়। ঈদ মানেই আনন্দ।আর সেই আনন্দ তো আর একা একা হয় না। সবাই মিলে ভালো থাকলেই ঈদের আনন্দ যথার্থ হয়। তাই এই ঈদে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ভালো সময় কাটিয়ে ও দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ঈদের পরিপূর্ণ আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করবো এমনটাই আশা।
নাজমুস সাফিন
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ উদযাপনে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া!
মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ও আনন্দপূর্ণ দিনটি হচ্ছে ঈদের দিন। ঈদের আনন্দ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে শৈশব কৈশোরে ফেলে আসা মধুর  স্মৃতি। চাঁদ রাতে মেহেদী দেওয়া, বাজি-পটকা ফুটানো, বায়স্কোপ দেখা, সমবয়সীদের সাথে কানামাছি খেলা-এককথায় প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে আনন্দঘন পরিবেশে কাটত ঈদের আগের  রাতটি। সবাইকে নিয়ে সেমাই খাওয়া, নতুন জামা পড়া, ঘুরতে যাওয়া, লুডু খেলা, মুরব্বিদের সালাম করে সালামি পাওয়া, সন্ধ্যায় হলকা নাশতার আড্ডা, রাতে পরিবারের সাথে ঈদ আয়োজনের অনুষ্ঠান দেখার মধ্য দিয়েই ঈদের দিনটি কাটে। সময়ের পরিক্রমায় প্রতি বছর ঈদ আসলেও ফিরে আসে না সুনীল শৈশব। তার উপর দুই বছরের অধিক সময়ে ধরে তান্ডব চালানো করোনা মহামারীতে অনেকে প্রিয়জনকে হারিয়েছে।  যাই হোক, দীর্ঘদিন পর আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি।
লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি এখন ভিন্ন মাত্রা লাভ করেছে।  বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ঈদের জামা কেনা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এখন অনেকেই ঘরে বসে অনলাইনে নিজের পছন্দের ঈদের জামা জুতা কিনছেন। প্রসাধনী থেকে শুরু করে রান্নার সমগ্রী সবই কেনা হচ্ছে অনলাইনে। ই-টিকেটের মাধ্যমে ঘরে বসে অতি সহজে কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই পাওয়া যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত বাড়ি ফেরার টিকিট। ভিডিও কল, অডিও কলের মাধ্যমে দূর দূরান্তে থাকা আত্মীয় স্বজনের সাথে আমরা ঈদের সৌজন্যতা ও আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারি। সর্বপোরি,  আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঈদ আরো বর্ণিল হয়ে উঠেছে।
নাসরুম ফাতেহা ঐশী 
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
ঈদ আমাদের মানসিক ও আত্মিক সৌন্দর্যের উন্নয়ন সাধন করে!
ইদের আনন্দে সমাজ সেজে উঠুক নতুন রূপে।
মুসলমানদের প্রধান দুইটি ধর্মীয় উৎসবের একটি হলো ইদ-উল-ফিতর৷ ধর্মীয় পরিভাষায় একে “ইয়াউমুল জাইজ” অর্থাৎ পুরষ্কারের দিন হিসেবেও বর্ণনা করা হয়। দীর্ঘ একমাস কঠোর সিয়াম পালনের পর এদিনে বিশ্বের প্রতিটি দেশে মুসলমানদের বাঁধ ভাঙা আনন্দ-উৎসব পালন করার দিন। এদিনে সকল বাধা ব্যবধান ভুলে গিয়ে মানুষ হিসেবে নিজেদের এক করে ভাবার দিন। সুখ দুঃখ ভাগ করে নেয়ার সবচেয়ে সুন্দর সময় হলো ইদের দিন। নানা প্রকার উৎসব আর আমেজের মধ্য দিয়ে এদিনটি পালন করা হয়।
এদিন সকলেই নতুন জামা কাপড় পড়া, সুগন্ধি ব্যাবহার ও সুন্নত মোতাবেক ইদের নামাজ আদায় করে সকল ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে কোলাকুলি করে একই ভ্রাতৃত্বের পরিচয় দেয়। এদিনে বাড়িতে বাড়িতে বিভিন্ন সুস্বাদু, মুখরোচক খাবারের সাথে মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রাধান্য থাকে। এ দিনে বিষেশত শিশুদের আনন্দ চোখে পরার মতো। আত্মীয় স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া, ঘুরাঘুরি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা সবকিছুই ইদের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে।এছাড়াও ইদের নামাজের আগে যাকাতুল ফিতর আদায় করে সমাজের দুঃস্থ মানুষদের সাহায্য করা ওয়াজিব। পরিবারের সাথে ইদের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য বহু মানুষ ঘরমুখো হয়। সর্বপোরি ইদ আমাদের মানসিক ও আত্মিক সৌন্দর্যের উন্নয়ন সাধন করে এবং সমাজের মানুষগুলোকে নতুনরূপে সাজিয়ে তোলার শিক্ষা দিয়ে থাকে। এই দিনে রমজানের শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমরা নতুন সুন্দর বৈষম্যহীন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখার প্রত্যাশা রাখতে পারি।
নাজমুন নাহার সুপ্তি
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
বৈচিত্র্যময় ঈদে রঙিন হোক ঈদ!
মুসলমান হিসেবে আমাদের ধর্মীয় প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আর ক্যাম্পাসে ভালো কয়েকটা দিন কাটানোর পরপরই  ঈদুল ফিতরের বার্তা নিয়ে আসল পবিত্র মাহে রামাদান। অল্প সময়ের মধ্যেই ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে ওঠে সবার সাথে আর তাইতো  ক্যাম্পাসের মায়াটা রয়েই গেল। তারপরই আসলো প্রিয় জবি ক্যাম্পাস ছেড়ে। সেই নাড়িরটানে বাড়ি ফেরা। নবীন জবিয়ানদের ঈদ হোক নতুন পরিবারকে সাথে নিয়েে সুন্দর। প্রত্যেক বছর ঈদ কাটে পরিবারের সাথে এবারও তাই সম্পর্কগুলো থাকুক আজীবন ঈদের খুশির মতো। ছোটবেলায় ঈদ যেমন ছিলো সত্যিকার অর্থেই খুশির সেই ধারাবাহিকতা আসুক নেমে প্রতি ঈদে আনন্দধারা সাথে নিয়ে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের প্রতি আনুগত্য বাড়ুক ঈদকে সামনে রেখে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও হোক ঈদ আনন্দের, ভালোবাসার, বাড়িয়ে দিক ভাতৃত্ব গুছিয়ে দিক রুক্ষতা বিস্তৃত হোক মানবতা।
আলী হায়দার আকাশ
হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
আনন্দ উৎসব ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি বাঙলির কাছে!
বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য ঈদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় উৎসব। বাংলাদেশের মানুষের কাছে ঈদ এমন একটা উৎসব যেটা প্রতিটা শ্রেণি-পেশার মানুষ বিশেষভাবে উদযাপন করে থাকে। ঈদুল ফিতরের আগে দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর সবার মাঝেই এই দিনটি নিয়ে অন্যরকম আনন্দ। আর এই আনন্দ প্রত্যেকটা বাঙালির মধ্যে ছড়িয়ে পরে। সকালে সেমাই খাওয়া, নতুন পাঞ্জাবী পড়ে ঈদগাহে যাওয়া, নামাজ শেষে কোলাকুলি করা, বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানো, আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যাওয়া যা কিনা বছরের অন্য দিনগুলোর চেয়ে দিনটিকে বিশেষ সুন্দর করে তোলে।
বিশেষ করে শ্রেণিবৈষম্য দূরে ঠেলে দিয়ে ঈদের নামাজ শেষে প্রতিটি মুসলমানের কোলাকুলির দৃশ্য পৃথিবীর সুন্দর দৃশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে। পরিশেষে একটাই প্রার্থনা সকল সমস্যা দূর হয়ে গিয়ে ঈদের আনন্দ ফিরুক প্রত্যেকটি বাঙালির ঘরে।পরিশুদ্ধতার মাসের শিক্ষা যেন থাকে বাকি মাসে। সাহায্যের হাতটা যেন বাড়িয়ে দেই দারিদ্রের প্রাণে। আমাদের আনন্দগুলো ফুল হয়ে ফুটুক, সুভাষ ছড়িয়ে যাক প্রত্যকটি মানুষের কাছে।
তানজিল আহমেদ 
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ মুসলমানদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে!
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আমরা ইদুল ফিতর আসে সাম্যর দাওয়াত নিয়ে। ঈদের দিন ধনী – গরীব নির্বিশেষে সকলে এক কাতারে শামিল হলে আল্লাহ কাছে পার্থনা করে ক্ষমা ভিক্ষা করে থাকি। দীর্ঘ এক মাস রোজা রেখে আল্লাহর তায়ালার নিকট ইবাদত করে থাকি। মূলত, অন্য সকল উৎসবের তুলনায় ঈদ একটু ভিন্ন ভাবে পালন করা হয়ে থাকে। ধনী-গরীব সকল মানুষ এক হয়ে এই উৎসব পালন করে থাকে। ইসলামের বিধান অনুসারে দারিদ্ররা যাতে কেউ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেহেতু ধনীদের জন্য জাকাত ফরজ করা হয়েছে। সচ্ছলরা জাকাত-ফেতরা দান এর মাধ্যমে দরিদ্ররাও ঈদের খুশি উপভোগ করতে পারে। এই সময়ে সকলে ঈদের ছুটিতে এক হয়ে ভ্রমন, আড্ডায় উৎসব-মুখর পরিবেশে মাতিয়ে তুলে চারপাশে। কিন্তু এই উৎসব মুহূর্তে আমাদের সুরক্ষার্থে হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসক, পুলিশসহ জরুরি সেবা কার্যক্রমের সদস্যরা সর্বদা তৎপর থাকে।
ঈদ মুসলমানদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে। তখন সবাই নতুন পোষাক, মুখোরোচক খাবারের আমেজ থাকে চারিপাশে। সকল হিংসে, বৈরিতা দূর করে সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধের বিনিময় করা হয়ে থাকে।একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকে।
তারেক হাসান
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে!
জীবনের নতুন সুরে নতুন করে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি এ বছর। ঈদ নিতান্তই একটি আবেগপ্রবণ শব্দ। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই উল্লাস, ঈদ মানেই মোলাকাত, ঈদ মানেই সুখ ভাগাভাগি ঈদ মানেই অন্যরকম অনুভূতি। এমন অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে। তবে মরণঘাতী করোনা মহামারির পর বড় আকারে উদযাপন করব একসাথে সবাই, গত দুই বছর ধরে ঈদের আনন্দ-উল্লাস উপভোগ করতে পারেনি দেশবাসী। ত্রিশ দিন মুসলিম পরিবার রোজা রেখে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপন করে এ যেন বাঁধ ভাঙা আনন্দ। মুসলমানদের ধর্মীয় প্রধান উৎসব ঈদ। ঈদের দিনটাকে সুন্দর করার জন্য আয়োজন শুরু হয় অনেক আগে থেকেই। ঈদকে উপলক্ষ করে শুরু হয় কেনাকাটা। মানুষ তাদের সাধ্য অনুযায়ী নানা রং বেরংয়ের পোশাক কিনে । হরেক রকমের মুখরোচক বিভিন্ন খাবার তৈরি করে প্রতিটি বাড়িতে। বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হওয়ায় অনেকে পছন্দ থাকা সত্বেও পোশাক ও ইচ্ছে অনুযায়ী ভালো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। অনেক দরিদ্র পরিবার কষ্টে ঈদ পালন করে থাকে।
ঈদের দিন  সকলে একসাথে নামাজ আদায় করে। বন্ধু, পাড়া-প্রতিবেশীরা একে অপরের বাড়িতে আসে। অনেক হৈ-হুল্লোড়, আড্ডা, আনন্দে পালিত হয় ঈদ। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ঈদ পালন করে নিজ বাসায় নিজ পরিবারের সাথে।  এইবার  পরিবারের সাথে আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করবো করোনা মুক্ত পৃথিবীতে।
জে.এ.রাজ
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

‌সি‌লে‌টে কবি আবুল বশর আনসারী’র লেখা কবিতা পবিত্র সিলেট ভূমি ফলক উন্মোচন ও জীবনী নি‌য়ে আলোচনা।

নবীন শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদ

আপডেট সময় ১১:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২
নবীন শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদ
মিলন হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে খুশির আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ ঈদুল ফিতরকে ঘিরে নানা আয়োজন থাকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে। ঈদকে নিয়ে এবারের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ঈদ গল্পগুলো লিখেছেন ক্যাম্পাসের তরুণ সাংবাদিক মিলন…
ঈদ শব্দটা শুনলেই মনের ভিতরে অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করে!
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর সময় এসেছে ঈদ। সময়-স্রোতের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে আমাদের মাঝে তেমনি পরিবর্তন হয়েছে আমাদের ঈদ আনন্দে। কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে বিগত দুই বছর মুসলমানদের প্রধান উৎসব যেন বাধা পড়ে গেল। মুসলিমদের প্রধান উৎসব গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঈদ । ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনদের সাথে একত্রিত হয়ে আমরা প্রতিবছর ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করি। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই সুখ ভাগাভাগি। এমন অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে। ঈদ শব্দটা শুনলেই মনের ভিতরে অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করে। ঈদ সাম্য, মৈত্রী, ধনী-গরিবকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। ঈদের আনন্দ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, এটি সামাজিক উৎসব। সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করে দেয়া, সবার সাথে ঈদ আনন্দ শেয়ার করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই উৎসবের তাৎপর্য ।
মাসুদ আহম্মদ সানি 
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ মানে মনের আনন্দ! 
ঈদ মানেই বাঁধ ভাঙা আনন্দ। সেই আনন্দ বরণের জন্যই দেশের মুসলমান সমাজ যেন উদগ্রীব হয়ে থাকে। ক্ষীর, পায়েস, সেমাই, পোলাও, কোর্মা, বিরিয়ানি এসব নানান ধরনের খাবার থাকবে খাবারের তালিকায়। নামাজ পড়ে মিষ্টি মুখ, সকলের সাথে কোলাকোলি এরপরই বন্ধু-বন্ধবীর সঙ্গে আড্ডা, বাদ যাবে না এর কোনো কিছুই। আর তাইতো ঈদ এলেই মনের অজান্তেই গেয়ে উঠি আমাদের ঈদ-উল-ফিতর নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কালজয়ী গান। মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ…তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে , শোন আসমানী তাগিদ… ঈদের আনন্দ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, এটি সামাজিক উৎসব। সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করে দেয়া, সবার সাথে শেয়ার করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে ঈদ-উৎসবের বৈশিষ্ট্য। ঈদ উৎযাপন যেমন নিজ পরিবার আত্মীয়স্বজনদের সাথে সময় কাটিয়ে সুন্দর করে তুলতে পারি তেমনি অসহায়, দরিদ্র পথশিশুদের ভালো পোশাক দেয়া, ভালো খাবার দেয়া ইত্যাদির মাধ্যমে দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ঈদের এই দিনকে করে তুলতে পারি স্মরনীয়। ঈদ মানেই আনন্দ।আর সেই আনন্দ তো আর একা একা হয় না। সবাই মিলে ভালো থাকলেই ঈদের আনন্দ যথার্থ হয়। তাই এই ঈদে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ভালো সময় কাটিয়ে ও দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ঈদের পরিপূর্ণ আনন্দ খোঁজার চেষ্টা করবো এমনটাই আশা।
নাজমুস সাফিন
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ উদযাপনে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া!
মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ও আনন্দপূর্ণ দিনটি হচ্ছে ঈদের দিন। ঈদের আনন্দ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে শৈশব কৈশোরে ফেলে আসা মধুর  স্মৃতি। চাঁদ রাতে মেহেদী দেওয়া, বাজি-পটকা ফুটানো, বায়স্কোপ দেখা, সমবয়সীদের সাথে কানামাছি খেলা-এককথায় প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে আনন্দঘন পরিবেশে কাটত ঈদের আগের  রাতটি। সবাইকে নিয়ে সেমাই খাওয়া, নতুন জামা পড়া, ঘুরতে যাওয়া, লুডু খেলা, মুরব্বিদের সালাম করে সালামি পাওয়া, সন্ধ্যায় হলকা নাশতার আড্ডা, রাতে পরিবারের সাথে ঈদ আয়োজনের অনুষ্ঠান দেখার মধ্য দিয়েই ঈদের দিনটি কাটে। সময়ের পরিক্রমায় প্রতি বছর ঈদ আসলেও ফিরে আসে না সুনীল শৈশব। তার উপর দুই বছরের অধিক সময়ে ধরে তান্ডব চালানো করোনা মহামারীতে অনেকে প্রিয়জনকে হারিয়েছে।  যাই হোক, দীর্ঘদিন পর আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি।
লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি এখন ভিন্ন মাত্রা লাভ করেছে।  বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ঈদের জামা কেনা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এখন অনেকেই ঘরে বসে অনলাইনে নিজের পছন্দের ঈদের জামা জুতা কিনছেন। প্রসাধনী থেকে শুরু করে রান্নার সমগ্রী সবই কেনা হচ্ছে অনলাইনে। ই-টিকেটের মাধ্যমে ঘরে বসে অতি সহজে কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই পাওয়া যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত বাড়ি ফেরার টিকিট। ভিডিও কল, অডিও কলের মাধ্যমে দূর দূরান্তে থাকা আত্মীয় স্বজনের সাথে আমরা ঈদের সৌজন্যতা ও আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারি। সর্বপোরি,  আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঈদ আরো বর্ণিল হয়ে উঠেছে।
নাসরুম ফাতেহা ঐশী 
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
ঈদ আমাদের মানসিক ও আত্মিক সৌন্দর্যের উন্নয়ন সাধন করে!
ইদের আনন্দে সমাজ সেজে উঠুক নতুন রূপে।
মুসলমানদের প্রধান দুইটি ধর্মীয় উৎসবের একটি হলো ইদ-উল-ফিতর৷ ধর্মীয় পরিভাষায় একে “ইয়াউমুল জাইজ” অর্থাৎ পুরষ্কারের দিন হিসেবেও বর্ণনা করা হয়। দীর্ঘ একমাস কঠোর সিয়াম পালনের পর এদিনে বিশ্বের প্রতিটি দেশে মুসলমানদের বাঁধ ভাঙা আনন্দ-উৎসব পালন করার দিন। এদিনে সকল বাধা ব্যবধান ভুলে গিয়ে মানুষ হিসেবে নিজেদের এক করে ভাবার দিন। সুখ দুঃখ ভাগ করে নেয়ার সবচেয়ে সুন্দর সময় হলো ইদের দিন। নানা প্রকার উৎসব আর আমেজের মধ্য দিয়ে এদিনটি পালন করা হয়।
এদিন সকলেই নতুন জামা কাপড় পড়া, সুগন্ধি ব্যাবহার ও সুন্নত মোতাবেক ইদের নামাজ আদায় করে সকল ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে কোলাকুলি করে একই ভ্রাতৃত্বের পরিচয় দেয়। এদিনে বাড়িতে বাড়িতে বিভিন্ন সুস্বাদু, মুখরোচক খাবারের সাথে মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রাধান্য থাকে। এ দিনে বিষেশত শিশুদের আনন্দ চোখে পরার মতো। আত্মীয় স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া, ঘুরাঘুরি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা সবকিছুই ইদের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে।এছাড়াও ইদের নামাজের আগে যাকাতুল ফিতর আদায় করে সমাজের দুঃস্থ মানুষদের সাহায্য করা ওয়াজিব। পরিবারের সাথে ইদের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য বহু মানুষ ঘরমুখো হয়। সর্বপোরি ইদ আমাদের মানসিক ও আত্মিক সৌন্দর্যের উন্নয়ন সাধন করে এবং সমাজের মানুষগুলোকে নতুনরূপে সাজিয়ে তোলার শিক্ষা দিয়ে থাকে। এই দিনে রমজানের শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমরা নতুন সুন্দর বৈষম্যহীন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখার প্রত্যাশা রাখতে পারি।
নাজমুন নাহার সুপ্তি
আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
বৈচিত্র্যময় ঈদে রঙিন হোক ঈদ!
মুসলমান হিসেবে আমাদের ধর্মীয় প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আর ক্যাম্পাসে ভালো কয়েকটা দিন কাটানোর পরপরই  ঈদুল ফিতরের বার্তা নিয়ে আসল পবিত্র মাহে রামাদান। অল্প সময়ের মধ্যেই ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে ওঠে সবার সাথে আর তাইতো  ক্যাম্পাসের মায়াটা রয়েই গেল। তারপরই আসলো প্রিয় জবি ক্যাম্পাস ছেড়ে। সেই নাড়িরটানে বাড়ি ফেরা। নবীন জবিয়ানদের ঈদ হোক নতুন পরিবারকে সাথে নিয়েে সুন্দর। প্রত্যেক বছর ঈদ কাটে পরিবারের সাথে এবারও তাই সম্পর্কগুলো থাকুক আজীবন ঈদের খুশির মতো। ছোটবেলায় ঈদ যেমন ছিলো সত্যিকার অর্থেই খুশির সেই ধারাবাহিকতা আসুক নেমে প্রতি ঈদে আনন্দধারা সাথে নিয়ে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের প্রতি আনুগত্য বাড়ুক ঈদকে সামনে রেখে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও হোক ঈদ আনন্দের, ভালোবাসার, বাড়িয়ে দিক ভাতৃত্ব গুছিয়ে দিক রুক্ষতা বিস্তৃত হোক মানবতা।
আলী হায়দার আকাশ
হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
আনন্দ উৎসব ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি বাঙলির কাছে!
বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য ঈদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় উৎসব। বাংলাদেশের মানুষের কাছে ঈদ এমন একটা উৎসব যেটা প্রতিটা শ্রেণি-পেশার মানুষ বিশেষভাবে উদযাপন করে থাকে। ঈদুল ফিতরের আগে দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর সবার মাঝেই এই দিনটি নিয়ে অন্যরকম আনন্দ। আর এই আনন্দ প্রত্যেকটা বাঙালির মধ্যে ছড়িয়ে পরে। সকালে সেমাই খাওয়া, নতুন পাঞ্জাবী পড়ে ঈদগাহে যাওয়া, নামাজ শেষে কোলাকুলি করা, বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানো, আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যাওয়া যা কিনা বছরের অন্য দিনগুলোর চেয়ে দিনটিকে বিশেষ সুন্দর করে তোলে।
বিশেষ করে শ্রেণিবৈষম্য দূরে ঠেলে দিয়ে ঈদের নামাজ শেষে প্রতিটি মুসলমানের কোলাকুলির দৃশ্য পৃথিবীর সুন্দর দৃশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে। পরিশেষে একটাই প্রার্থনা সকল সমস্যা দূর হয়ে গিয়ে ঈদের আনন্দ ফিরুক প্রত্যেকটি বাঙালির ঘরে।পরিশুদ্ধতার মাসের শিক্ষা যেন থাকে বাকি মাসে। সাহায্যের হাতটা যেন বাড়িয়ে দেই দারিদ্রের প্রাণে। আমাদের আনন্দগুলো ফুল হয়ে ফুটুক, সুভাষ ছড়িয়ে যাক প্রত্যকটি মানুষের কাছে।
তানজিল আহমেদ 
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
ঈদ মুসলমানদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে!
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আমরা ইদুল ফিতর আসে সাম্যর দাওয়াত নিয়ে। ঈদের দিন ধনী – গরীব নির্বিশেষে সকলে এক কাতারে শামিল হলে আল্লাহ কাছে পার্থনা করে ক্ষমা ভিক্ষা করে থাকি। দীর্ঘ এক মাস রোজা রেখে আল্লাহর তায়ালার নিকট ইবাদত করে থাকি। মূলত, অন্য সকল উৎসবের তুলনায় ঈদ একটু ভিন্ন ভাবে পালন করা হয়ে থাকে। ধনী-গরীব সকল মানুষ এক হয়ে এই উৎসব পালন করে থাকে। ইসলামের বিধান অনুসারে দারিদ্ররা যাতে কেউ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেহেতু ধনীদের জন্য জাকাত ফরজ করা হয়েছে। সচ্ছলরা জাকাত-ফেতরা দান এর মাধ্যমে দরিদ্ররাও ঈদের খুশি উপভোগ করতে পারে। এই সময়ে সকলে ঈদের ছুটিতে এক হয়ে ভ্রমন, আড্ডায় উৎসব-মুখর পরিবেশে মাতিয়ে তুলে চারপাশে। কিন্তু এই উৎসব মুহূর্তে আমাদের সুরক্ষার্থে হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসক, পুলিশসহ জরুরি সেবা কার্যক্রমের সদস্যরা সর্বদা তৎপর থাকে।
ঈদ মুসলমানদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে। তখন সবাই নতুন পোষাক, মুখোরোচক খাবারের আমেজ থাকে চারিপাশে। সকল হিংসে, বৈরিতা দূর করে সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধের বিনিময় করা হয়ে থাকে।একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকে।
তারেক হাসান
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। 
অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে!
জীবনের নতুন সুরে নতুন করে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি এ বছর। ঈদ নিতান্তই একটি আবেগপ্রবণ শব্দ। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই উল্লাস, ঈদ মানেই মোলাকাত, ঈদ মানেই সুখ ভাগাভাগি ঈদ মানেই অন্যরকম অনুভূতি। এমন অসংখ্য বিশেষণ লুকিয়ে আছে ঈদ শব্দটির অন্তরালে। তবে মরণঘাতী করোনা মহামারির পর বড় আকারে উদযাপন করব একসাথে সবাই, গত দুই বছর ধরে ঈদের আনন্দ-উল্লাস উপভোগ করতে পারেনি দেশবাসী। ত্রিশ দিন মুসলিম পরিবার রোজা রেখে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপন করে এ যেন বাঁধ ভাঙা আনন্দ। মুসলমানদের ধর্মীয় প্রধান উৎসব ঈদ। ঈদের দিনটাকে সুন্দর করার জন্য আয়োজন শুরু হয় অনেক আগে থেকেই। ঈদকে উপলক্ষ করে শুরু হয় কেনাকাটা। মানুষ তাদের সাধ্য অনুযায়ী নানা রং বেরংয়ের পোশাক কিনে । হরেক রকমের মুখরোচক বিভিন্ন খাবার তৈরি করে প্রতিটি বাড়িতে। বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হওয়ায় অনেকে পছন্দ থাকা সত্বেও পোশাক ও ইচ্ছে অনুযায়ী ভালো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। অনেক দরিদ্র পরিবার কষ্টে ঈদ পালন করে থাকে।
ঈদের দিন  সকলে একসাথে নামাজ আদায় করে। বন্ধু, পাড়া-প্রতিবেশীরা একে অপরের বাড়িতে আসে। অনেক হৈ-হুল্লোড়, আড্ডা, আনন্দে পালিত হয় ঈদ। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ঈদ পালন করে নিজ বাসায় নিজ পরিবারের সাথে।  এইবার  পরিবারের সাথে আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করবো করোনা মুক্ত পৃথিবীতে।
জে.এ.রাজ
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়