বাংলাদেশ ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

সোনাগাজীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ৩৪৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২
  • ১৭১২ বার পড়া হয়েছে

সোনাগাজীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ৩৪৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ

কাওছার মাহমুদ, সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধ।
ফেনী জেলার সমুদ্র উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীতে বেড়েছে তরমুজের আবাদ। চলতি মৌসুমে এই উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের ৩৪৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে তরমুজ, যা গত বছরের তুলনায় ২৮ হেক্টর বেশি।
চাষিরা জানান, এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও পরিবেশ তরমুজ চাষের বেশ উপযোগী এবং কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় কৃষকরা বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে এই কাজে। আকারে অনেক বড় এবং সুস্বাদু হওয়ায় বাজারেও রয়েছে এসব তরমুজের বেশ চাহিদা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনতে আসে। উপজেলার চর দরবেশ, চর চান্দিয়া, আমিরাবাদ ও সদর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এসব চরের জমি এক সময় রবি মৌসুমে খালি পড়ে থাকতো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার জানান, ২০২০ সালে এখানে তরমুজের চাষ হয়েছিল ৩১৭ হেক্টর জমিতে। যা পূর্বের তিনগুণেরও বেশি। একসময় নোয়াখালীর কৃষকরা এসব জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করত। এখন স্থানীয়রা আবাদ করে। শাহরাজ সর্দার নামক এক চাষি জানান, গতবছর ৬ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়। ফলনও ভালো হয়েছে। লাভ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকার মত। এবারও একই পরিমাণ জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে।
চাষি আবুল কালাম বলেন, তরমুজ চাষে খরচ কম ও তুলনামূলক সহজ। গাছগুলোর একটু বাড়তি যত্ন করতে হয় এতে ফলন ভালো হয়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সার্বক্ষণিক সেবা পেয়ে থাকেন বলেও জানান চাষিরা। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার প্রতাপ চন্দ্র নাথ জানান, ভিক্টর সুগার, ওশেন সুগার, গ্লোরি, বাংলালিংক, ব্ল্যাক বেরি, স্থানীয় ও অন্যান্য জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে। গতবছর প্রায় ১৬ হাজার  টন তরমুজ উৎপাদন হয়েছে এখানে। এবার আরও অধিক পরিমানে উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, সাধারণত ডিসেম্বরের শুরু থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত তরমুজের আবাদ শুরু হয় এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত জাতভেদে ফল বাজারজাত করা হয়। এবার জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি হওয়ায় কিছু নিচু জমিতে পানি জমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা পুণরায় আবাদ করেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার বলেন, তরমুজ চাষের প্রতি কৃষকরা বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরাও তাদেরকে সবসময় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এবারও তরমুজের বাম্পার ফলনের আশা করছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

সোনাগাজীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ৩৪৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২
কাওছার মাহমুদ, সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধ।
ফেনী জেলার সমুদ্র উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীতে বেড়েছে তরমুজের আবাদ। চলতি মৌসুমে এই উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের ৩৪৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে তরমুজ, যা গত বছরের তুলনায় ২৮ হেক্টর বেশি।
চাষিরা জানান, এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও পরিবেশ তরমুজ চাষের বেশ উপযোগী এবং কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় কৃষকরা বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে এই কাজে। আকারে অনেক বড় এবং সুস্বাদু হওয়ায় বাজারেও রয়েছে এসব তরমুজের বেশ চাহিদা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনতে আসে। উপজেলার চর দরবেশ, চর চান্দিয়া, আমিরাবাদ ও সদর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এসব চরের জমি এক সময় রবি মৌসুমে খালি পড়ে থাকতো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার জানান, ২০২০ সালে এখানে তরমুজের চাষ হয়েছিল ৩১৭ হেক্টর জমিতে। যা পূর্বের তিনগুণেরও বেশি। একসময় নোয়াখালীর কৃষকরা এসব জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করত। এখন স্থানীয়রা আবাদ করে। শাহরাজ সর্দার নামক এক চাষি জানান, গতবছর ৬ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়। ফলনও ভালো হয়েছে। লাভ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকার মত। এবারও একই পরিমাণ জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে।
চাষি আবুল কালাম বলেন, তরমুজ চাষে খরচ কম ও তুলনামূলক সহজ। গাছগুলোর একটু বাড়তি যত্ন করতে হয় এতে ফলন ভালো হয়। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সার্বক্ষণিক সেবা পেয়ে থাকেন বলেও জানান চাষিরা। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার প্রতাপ চন্দ্র নাথ জানান, ভিক্টর সুগার, ওশেন সুগার, গ্লোরি, বাংলালিংক, ব্ল্যাক বেরি, স্থানীয় ও অন্যান্য জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে। গতবছর প্রায় ১৬ হাজার  টন তরমুজ উৎপাদন হয়েছে এখানে। এবার আরও অধিক পরিমানে উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, সাধারণত ডিসেম্বরের শুরু থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত তরমুজের আবাদ শুরু হয় এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত জাতভেদে ফল বাজারজাত করা হয়। এবার জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি হওয়ায় কিছু নিচু জমিতে পানি জমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা পুণরায় আবাদ করেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার বলেন, তরমুজ চাষের প্রতি কৃষকরা বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরাও তাদেরকে সবসময় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এবারও তরমুজের বাম্পার ফলনের আশা করছি।