বাংলাদেশ ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

নাটোরে ফসলি জমিতে চলছে পুকুর খনন হুমকিতে কৃষি জমি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৬৮৬ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে ফসলি জমিতে চলছে পুকুর খনন হুমকিতে কৃষি জমি

 স্টাফ রিপোর্টার নাটোর
নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারি নিয়ম না মেনে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে চলছে পুকুর খনন। জমি মালিকদের প্রলোভন দেখিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল নির্বিচারে চালিয়ে যাচ্ছে ওই পুকুর খননের কাজ। ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত প্রায় এক দশক ধরে উপজেলার চিহ্নিত ১৫-২০ জনের একটি সিন্ডিকেট চক্র কৃষকদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে একের পর এক কৃষি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করে যাচ্ছেন। এতে প্রায় এক দশকে উপজেলার অন্তত ১২’শ হেক্টর কৃষি জমি কমেছে। তবে সিন্ডিকেট চক্রের দাবি উপজেলা প্রশাসনের কাছে থেকে অনুমতি নিয়েই করা হচ্ছে পুকুর খনন। তবে তারা কেউই লিখিত কোনো অনুমতিপত্র বা প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
গুরুদাসপুর কৃষি সম্প্রসারণের পরিসংখ্যান মতে, ২০১১ সালে উপজেলা জুড়ে কৃষি জমির পরিমান ছিল ১৬৬০৯ হেক্টর। ওই সালে কমেছে ৭০ হেক্টর, ২০১২ সালে ৮০ হেক্টর, ২০১৩ সালে ৯৫, ২০১৪ সালে ১০৫, ২০১৫ সালে ১২০, ২০১৬ সালে ১৩০, ২০১৭ সালে ১১৫ হেক্টর এবং ১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০ হেক্টর। এতে ২০১১-২০২২ সাল পর্যন্ত পুকুর খননের কারণে উপজেলা জুড়ে কমেছে প্রায় ১২’শ হেক্টর কৃষি জমি।
স্থানীয়রা জানান, বাঁধা দিলেও বন্ধ হয়না পুকুর খনন। সাময়িক বন্ধ থাকলেও কিছুদিন পরে আবার শুরু হয়। আর কৃষি জমির পাশে পুকুর হলে পাশের জমিগুলোর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে বাধ্য হয়েই সিন্ডিকেট চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে করতে হয় পুকুর খনন। তাই এই সকল সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। এমনভাবে চলতে থাকলে উপজেলাজুড়ে হয়তো একদিন কৃষি জমির ব্যাপক সংকট দেখা দিবে এমনটি মনে করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুনর রশিদ বলেন, পুকুর খনন রোধে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে ফসলের নতুন নতুন উচ্চফলনশীল জাতের কারণে এখনো চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ঠিক রয়েছে। গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তমাল হোসেন বলেন, পুকুর খনন রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইনি নীতিমালা অনুযায়ী পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চলছে এবং চলবে। এছাড়া এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

নাটোরে ফসলি জমিতে চলছে পুকুর খনন হুমকিতে কৃষি জমি

আপডেট সময় ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
 স্টাফ রিপোর্টার নাটোর
নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারি নিয়ম না মেনে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে চলছে পুকুর খনন। জমি মালিকদের প্রলোভন দেখিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল নির্বিচারে চালিয়ে যাচ্ছে ওই পুকুর খননের কাজ। ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত প্রায় এক দশক ধরে উপজেলার চিহ্নিত ১৫-২০ জনের একটি সিন্ডিকেট চক্র কৃষকদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে একের পর এক কৃষি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করে যাচ্ছেন। এতে প্রায় এক দশকে উপজেলার অন্তত ১২’শ হেক্টর কৃষি জমি কমেছে। তবে সিন্ডিকেট চক্রের দাবি উপজেলা প্রশাসনের কাছে থেকে অনুমতি নিয়েই করা হচ্ছে পুকুর খনন। তবে তারা কেউই লিখিত কোনো অনুমতিপত্র বা প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
গুরুদাসপুর কৃষি সম্প্রসারণের পরিসংখ্যান মতে, ২০১১ সালে উপজেলা জুড়ে কৃষি জমির পরিমান ছিল ১৬৬০৯ হেক্টর। ওই সালে কমেছে ৭০ হেক্টর, ২০১২ সালে ৮০ হেক্টর, ২০১৩ সালে ৯৫, ২০১৪ সালে ১০৫, ২০১৫ সালে ১২০, ২০১৬ সালে ১৩০, ২০১৭ সালে ১১৫ হেক্টর এবং ১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০ হেক্টর। এতে ২০১১-২০২২ সাল পর্যন্ত পুকুর খননের কারণে উপজেলা জুড়ে কমেছে প্রায় ১২’শ হেক্টর কৃষি জমি।
স্থানীয়রা জানান, বাঁধা দিলেও বন্ধ হয়না পুকুর খনন। সাময়িক বন্ধ থাকলেও কিছুদিন পরে আবার শুরু হয়। আর কৃষি জমির পাশে পুকুর হলে পাশের জমিগুলোর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে বাধ্য হয়েই সিন্ডিকেট চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে করতে হয় পুকুর খনন। তাই এই সকল সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। এমনভাবে চলতে থাকলে উপজেলাজুড়ে হয়তো একদিন কৃষি জমির ব্যাপক সংকট দেখা দিবে এমনটি মনে করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুনর রশিদ বলেন, পুকুর খনন রোধে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে ফসলের নতুন নতুন উচ্চফলনশীল জাতের কারণে এখনো চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ঠিক রয়েছে। গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তমাল হোসেন বলেন, পুকুর খনন রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইনি নীতিমালা অনুযায়ী পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চলছে এবং চলবে। এছাড়া এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।