বাংলাদেশ ১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
পটুয়াখালীতে খাদ্য ও পুষ্টি মেলা অনুষ্ঠিত স্থানীয় কাউন্সিলর তোফায়েল আহমদ সেপুলের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। মাধ্যমিক শিক্ষা ও শিক্ষকের বর্তমান অবস্থা: উন্নয়নে করণীয়। বেইলী রোডের কাচ্চিভাই নামক রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সাহসী ভূমিকা পালন করছে র‌্যাব-৩। অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা মিজানুর রহমানকে জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ায় বেইলি রোডে একটি রেস্টুরেন্টে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৩ টি ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এপর্যন্ত ৬৮ জন জীবিত উদ্ধার, বদলগাছী উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  ভোটের সার্বিক কার্যক্রম কমিশন থেকে মনিটরিং ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম কিশোর গ্যাং আমির গ্রুপের লীডার আমির সহ ০৯ সদস্য গ্রেফতার। নলছিটি তালতলা বাজার থেকে ৫ কেজি গাজা সহ গোশত ব্যবসায়ি ফারুক আটক বঙ্গবন্ধু মুক্তির সংগ্রাম বলতে অর্থনৈতিক মুক্তি বুঝিয়েছেন: কাজী খলীকুজ্জমান প্রায় অর্ধ কোটি টাকার অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার: বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০৩ জন বড় মাদক ব্যবসায়ী আটক এবং মাদক পরিবহনকারী গাড়ী জব্দ। জবিতে ‘আমরা তোমাদের ভুলবো না’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আয়োজিত  রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন মাধবপুর থানার ওসি মোঃ রকিবুল খান দুই মামলা থেকেই অব্যাহতি পেলেন খাদিজা

চতুর্থ দিনেও বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসুচি পালন॥

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২
  • ১৬৭১ বার পড়া হয়েছে

চতুর্থ দিনেও বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসুচি পালন॥

 

 

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে চতুর্থ দিনের মত অবস্থান কর্মসুচি পালন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভিতরের ও বাইরের দেশি শ্রমিকরা। আজ শনিবার খনির কয়লা সরবারাহ গেটের ভিতরে ও বাইয়ে অবস্থান কর্মসুচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শ্রমিকরা। পুর্বঘোষিত কর্মসুচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রিল বুধবার বেলা ১২টা থেকে খনির মূল ফটকে পরিবারসহ তারা এই বিক্ষোভ ও অবস্থান শুরু করেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল রোববার তারা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দুই দফা দাবী নিয়ে একটি স্মালকলিপি দিয়ে দাবি মেনে নিতে বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন শ্রমিকরা, দাবী না মানায় এই অবস্থান কর্মসুচি করছেন বলে জানিয়েছেন তারা। এসময় ভিতরের শ্রমিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক আমিন হোসেন, সেরাজুল ইসলাম, জাকির হোসেন।

 

 

 

অপরদিকে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম,শ্রমিক নেতা মো.সাইফুল ইসলাম,ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। এদিকে আন্দোলন চলাকালে খনির ভিতরে কাজ করা শ্রমিকদের সাথে দেখা করতে কয়লা সরবারাহ গেটে আসেন শ্রমিকদের স্ত্রী ও সন্তানরা। দেখা করতে আসা নাসরিন আক্তার, শিরিনা, শায়লা আক্তার নামে কয়েকজন শ্রমিকের স্ত্রী জানান,সামনে ঈদ আমাদের স্বামীদের ভিতরে কাজ করছেন, তাদের বাহিরে বের হতে দিচ্ছেন না। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসুচি চলবে।” রবিউল ইসলাম জানান,চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে খনিতে মোট এক হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুই বছর আগে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে কর্মরত এক হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারীতে ৪০০ জন শ্রমিককে কাজ করার শর্তে ফেরত নেয়।

 

 

 

বাকি ৭৪৭ জনকে কাজে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনে ঈদ ভেতরের শ্রমিকরদের খনির বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, ছুটি দেওয়ার সময় প্রতি মাসে শ্রমিকদের সাড়ে চার হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। ওই টাকা দেওয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত আট মাস ধরে তা আর দেওয়া হচ্ছে না। তবে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান খান বলেন,ঈদ উপলক্ষে ইতমধ্যে বাহিরের ৮৫০জন শ্রমিকদের জনপ্রতি ৫হাজার টাকা করে মোট ৫৫লক্ষ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। বর্তমানে খনির একটি ফেস চালু রয়েছে যা শেষের পথে। তাই জনবল কম লাগছে, সেই সাথে থাকার জায়গাও কম।

 

 

 

আরো একটি ফেস চালু করার প্রস্তুতি চলছে,যা মাস দুইয়েক সময় লাগবে। ওই ফেসটি চালু হলেই বাহিরের শ্রমিকদের পর্যায় ক্রমে কাজে নেয়া হবে। ভেতরের শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খনির বাহিরে বের হয়ে তারা বাড়ী থেকে কাজ করতে চায়।

 

 

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello

পটুয়াখালীতে খাদ্য ও পুষ্টি মেলা অনুষ্ঠিত

চতুর্থ দিনেও বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসুচি পালন॥

আপডেট সময় ০৬:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

 

 

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে চতুর্থ দিনের মত অবস্থান কর্মসুচি পালন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভিতরের ও বাইরের দেশি শ্রমিকরা। আজ শনিবার খনির কয়লা সরবারাহ গেটের ভিতরে ও বাইয়ে অবস্থান কর্মসুচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শ্রমিকরা। পুর্বঘোষিত কর্মসুচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রিল বুধবার বেলা ১২টা থেকে খনির মূল ফটকে পরিবারসহ তারা এই বিক্ষোভ ও অবস্থান শুরু করেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল রোববার তারা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দুই দফা দাবী নিয়ে একটি স্মালকলিপি দিয়ে দাবি মেনে নিতে বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন শ্রমিকরা, দাবী না মানায় এই অবস্থান কর্মসুচি করছেন বলে জানিয়েছেন তারা। এসময় ভিতরের শ্রমিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক আমিন হোসেন, সেরাজুল ইসলাম, জাকির হোসেন।

 

 

 

অপরদিকে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম,শ্রমিক নেতা মো.সাইফুল ইসলাম,ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। এদিকে আন্দোলন চলাকালে খনির ভিতরে কাজ করা শ্রমিকদের সাথে দেখা করতে কয়লা সরবারাহ গেটে আসেন শ্রমিকদের স্ত্রী ও সন্তানরা। দেখা করতে আসা নাসরিন আক্তার, শিরিনা, শায়লা আক্তার নামে কয়েকজন শ্রমিকের স্ত্রী জানান,সামনে ঈদ আমাদের স্বামীদের ভিতরে কাজ করছেন, তাদের বাহিরে বের হতে দিচ্ছেন না। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসুচি চলবে।” রবিউল ইসলাম জানান,চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে খনিতে মোট এক হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুই বছর আগে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে কর্মরত এক হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারীতে ৪০০ জন শ্রমিককে কাজ করার শর্তে ফেরত নেয়।

 

 

 

বাকি ৭৪৭ জনকে কাজে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনে ঈদ ভেতরের শ্রমিকরদের খনির বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, ছুটি দেওয়ার সময় প্রতি মাসে শ্রমিকদের সাড়ে চার হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। ওই টাকা দেওয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত আট মাস ধরে তা আর দেওয়া হচ্ছে না। তবে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান খান বলেন,ঈদ উপলক্ষে ইতমধ্যে বাহিরের ৮৫০জন শ্রমিকদের জনপ্রতি ৫হাজার টাকা করে মোট ৫৫লক্ষ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। বর্তমানে খনির একটি ফেস চালু রয়েছে যা শেষের পথে। তাই জনবল কম লাগছে, সেই সাথে থাকার জায়গাও কম।

 

 

 

আরো একটি ফেস চালু করার প্রস্তুতি চলছে,যা মাস দুইয়েক সময় লাগবে। ওই ফেসটি চালু হলেই বাহিরের শ্রমিকদের পর্যায় ক্রমে কাজে নেয়া হবে। ভেতরের শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খনির বাহিরে বের হয়ে তারা বাড়ী থেকে কাজ করতে চায়।