বাংলাদেশ ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ল এক অসহায় প্রতিবন্ধীর একমাত্র অবলম্বন 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭১২ বার পড়া হয়েছে

কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ল এক অসহায় প্রতিবন্ধীর একমাত্র অবলম্বন 

 সুজন হোসেন, কালীগঞ্জ ( ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ
কালীগঞ্জ পৌরসভার বাকুলিয়া গ্রামের তানজিল ইসলাম একজন অসহায় প্রতিবন্ধী। যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কালীগঞ্জ ব্রাক এনজিও অফিসের সামনে তার একটি ছোট্টো টোং দোকান। বিধবা মা ও ভাইকে নিয়ে কোনো মতে চলতো তার সংসার। কিন্তু গত শনিবার রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ তার দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন দোকানের মালিক তানজিল ইসলাম (২৬) বাকুলিয়া গ্রামের মৃত আবু সামার ছেলে। মা কুলসুম বেগমের পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে। ছোট দুই সন্তান তানজীল ইসলাম ও আলামিনকে নিয়েই তাদের সংসার।
এই দোকানটিই ছিল তার সংসারের এক মাত্র অবলম্বন। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তানজীল এই দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎপিষ্ট হয়ে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হয়। তখন থেকেই এই দোকানটি ছিল তার জীবন চলার একমাত্র অবলম্বন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দূর থেকে হঠাৎ করে আগুন দেখে এগিয়ে এসে দেখি প্রতিবন্ধী তানজীলের দোকানে আগুন লেগেছে। সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা আসতে আসতেই চোখের সামনেই পুড়ে যাই দেকানটি। কয়েকজন পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী দোকানদার তানজীল ইসলাম জানান, গতকাল প্রথম তারাবি হওয়ায় আমি এশার আযানের পরপরই দোকান ভালোভাবে বন্ধ করে মসজিদে যায় নামাজ আদায়ের জন্য। মসজিদ থেকে এসে দেখি আমার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন প্রতিবন্ধী তানজীল। এই দোকান থেকে অর্জিত আয়ে আমার সংসার চলত।
আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, কোনরকমে ছোট ভাই ও মাকে নিয়ে এই দোকানের উপর দিয়েই চলছিলাম। আমার দোকানে ৩৫ হাজার টাকার মতো মাল ও নগদ প্রায় চার হাজার টাকা ছিল, যা আগুনে পুড়ে গেছে। বিদ্যুতের মাধ্যমে আগুন লেগেছে বলে আমি ধারনা করছি। সম্ভবত বৈদ্যুতিক কোন ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। আমার সর্বস্ব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এখন আমি কিভাবে সংসার চালিয়া  বেঁচে থাকব?
কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ জানান, বিদ্যুৎ লাগার সংবাদ শুনে দ্রুত আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য ততক্ষণে দোকানটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছিল।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ল এক অসহায় প্রতিবন্ধীর একমাত্র অবলম্বন 

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২
 সুজন হোসেন, কালীগঞ্জ ( ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ
কালীগঞ্জ পৌরসভার বাকুলিয়া গ্রামের তানজিল ইসলাম একজন অসহায় প্রতিবন্ধী। যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কালীগঞ্জ ব্রাক এনজিও অফিসের সামনে তার একটি ছোট্টো টোং দোকান। বিধবা মা ও ভাইকে নিয়ে কোনো মতে চলতো তার সংসার। কিন্তু গত শনিবার রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ তার দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন দোকানের মালিক তানজিল ইসলাম (২৬) বাকুলিয়া গ্রামের মৃত আবু সামার ছেলে। মা কুলসুম বেগমের পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে। ছোট দুই সন্তান তানজীল ইসলাম ও আলামিনকে নিয়েই তাদের সংসার।
এই দোকানটিই ছিল তার সংসারের এক মাত্র অবলম্বন। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তানজীল এই দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎপিষ্ট হয়ে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হয়। তখন থেকেই এই দোকানটি ছিল তার জীবন চলার একমাত্র অবলম্বন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দূর থেকে হঠাৎ করে আগুন দেখে এগিয়ে এসে দেখি প্রতিবন্ধী তানজীলের দোকানে আগুন লেগেছে। সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা আসতে আসতেই চোখের সামনেই পুড়ে যাই দেকানটি। কয়েকজন পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী দোকানদার তানজীল ইসলাম জানান, গতকাল প্রথম তারাবি হওয়ায় আমি এশার আযানের পরপরই দোকান ভালোভাবে বন্ধ করে মসজিদে যায় নামাজ আদায়ের জন্য। মসজিদ থেকে এসে দেখি আমার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন প্রতিবন্ধী তানজীল। এই দোকান থেকে অর্জিত আয়ে আমার সংসার চলত।
আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, কোনরকমে ছোট ভাই ও মাকে নিয়ে এই দোকানের উপর দিয়েই চলছিলাম। আমার দোকানে ৩৫ হাজার টাকার মতো মাল ও নগদ প্রায় চার হাজার টাকা ছিল, যা আগুনে পুড়ে গেছে। বিদ্যুতের মাধ্যমে আগুন লেগেছে বলে আমি ধারনা করছি। সম্ভবত বৈদ্যুতিক কোন ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। আমার সর্বস্ব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এখন আমি কিভাবে সংসার চালিয়া  বেঁচে থাকব?
কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ জানান, বিদ্যুৎ লাগার সংবাদ শুনে দ্রুত আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য ততক্ষণে দোকানটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছিল।