বাংলাদেশ ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফেরামের কার্যালয় উদ্বোধন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী পৌরসভার ১০ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, সারারাত জ্বলে কোম্পানির বিলবোর্ড। বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু’র শুভেচ্ছা বিনিময় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা  ইউএস অ্যাগ্রিমেন্টে অ্যাপস প্রতারণায় রাজশাহীতে ১০ মামলা নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বেতন ভাতা ও ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়নের জন্য জনসভা আরএমপি’র কমিশনারসহ ৬ পুলিশ সদস্য পেলেন বিপিএম-পিপিএম পদক রাজশাহীতে প্রতিবছর বাড়ছে পেঁয়াজ বীজের চাষ এসএসসি ’৯৪ ব্যাচের প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণানুষ্ঠান হত্যা মামলার দীর্ঘ ২৩ বছর যাবত পলাতক আসামী নজরুল মাঝি গ্রেফতার।  আমতলীতে গরুসহ চোর গ্রেপ্তার অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গাবালী, হতে পারে পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু। বুড়িচংয়ে বিল্লাল হোসেন ঠিকাদার ডাবল হোল্ডা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রায়গঞ্জে এনডিপির উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকা ছড়ানোর তুলে এক নারী মেয়র প্রার্থীর প্রার্থীতা প্রত্যাহার

মনিরামপুরে একরামুল হত্যায় আটক দুই ভাইয়ের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭১৭ বার পড়া হয়েছে

মনিরামপুরে একরামুল হত্যায় আটক দুই ভাইয়ের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি 

স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র  একরামুল হত্যায় আটক আপন দুই ভাই হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে  স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যশোরের মনিরামপুরে কলেজ ছাত্র একরামুল ইসলাম হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন আটক দু’ ভাই। শুক্রবার ( ১ এপ্রিল) তারা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  আদালতের বিচারক  মাহাদী হাসান তাদের জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিরা হলেন, মনিরামপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের হোসেন মোড়লের ছেলে আমিনুর রহমান  ও কামরুল ইসলাম।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসআই সৈয়দ রবিউল ইসলাম পলাশ জানান, আটক কামরুলের স্ত্রী হীরা খাতুনের সাথে কলেজ ছাত্র একরামুলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। কামরুল কুয়েত প্রবাসী।
পাঁচ মাস আগে তিনি দেশে ফিরে  স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়  জানতে পারেন। কামরুলের ভাই আমিনুরও ভাবির সাথে একরামুলের পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।আমিনুল  পরিবারের মানসম্মান রক্ষার্থে গোপনে একরামুলের সাথে দেখা করে এ পথ থেকে সরে আসার জন্য অনুরোধ করেন। তখন একরামুল উল্টো আমিনুরকে হুমকি দেয় এবং  তাদের সম্পর্কের ধারণকৃত ভিডিও তার মোবাইল ফোনে আছে বলেও দাবি করেন। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আমিনুরকে নিষেধ করেন একরামুল। ফলে, কোনো উপায় না পেয়ে একরামুলের কাছ থেকে মোবাইল ফোন সেট নিয়ে ওই আপত্তিকর ভিডিও ডিলিট করে দেয়ার পরিকল্পনা করেন আমিনুর।
ঘটনার দিন গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় আমিনুর তার ভাইপো মেহেদীর কাছ থেকে জানতে পারেন, একরামুল নোয়ালী গ্রামের কাড়াখালি ব্রিজের ওপর অবস্থান করছে। এ খবর পেয়ে তিনি গোপনে সেখানে গিয়ে তাকে দেখতে পেয়ে  বাড়ি ফিরে এসে একটি বৈদ্যুতিক তার নিয়ে ফের সেখানে যান।  একরামুল কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন থেকে গলায় বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোনসেট দিতে বলেন আমিনুর।  কিন্তু বৈদ্যুতিক তার গলায় পেঁচানোর কারণে শ্বাসরোধে মারা যায় একরামুল। লাশটি ব্রিজের পাশে রেখে বাড়িতে চলে আসে আমিনুল এবং সকল ঘটনা ভাই কামরুলকে জানান। এ কথা শুনে কামরুল ভয় পেয়ে তাকে প্রচণ্ড বকাঝকা করেন। পরে দুই সহোদর ঘটনাস্থলে যান এবং লাশটি বস্তাবন্দি করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে পাশের মদনপুর গ্রামের জনৈক লিয়াকত আলীর পুকুর পাড়ে মাটিতে পুঁতে রাখেন।
তিনি আরও জানান,ঘটনার সাথে জড়িত দুই ভাই ও তাদের ভাইপো মেহেদীকে গত বৃহস্পতিবার সকালে আটক করা হয়। শুক্রবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আমিনুর ও কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। উল্লেখ্য, নিহত একরামুল ভরতপুর গ্রামের মফিজুর মোল্লার ছেলে। গত ২৮ মার্চ রাতে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় একরামুলের মা রেশমা খাতুন ৩০ মার্চ মণিরামপুর থানায় একটি জিডি করেন। এই জিডির সূত্র ধরে পিবিআই কর্মকর্তারা গত বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে আমিনুর, কামরুল ও মেহেদীকে আটক করেন। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে মদনপুর গ্রামের লিয়াকত আলীর পুকুর পাড়ে মাটিচাপা দিয়ে রাখা একরামুলের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফেরামের কার্যালয় উদ্বোধন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

মনিরামপুরে একরামুল হত্যায় আটক দুই ভাইয়ের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি 

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ এপ্রিল ২০২২
স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র  একরামুল হত্যায় আটক আপন দুই ভাই হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে  স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যশোরের মনিরামপুরে কলেজ ছাত্র একরামুল ইসলাম হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন আটক দু’ ভাই। শুক্রবার ( ১ এপ্রিল) তারা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  আদালতের বিচারক  মাহাদী হাসান তাদের জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিরা হলেন, মনিরামপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের হোসেন মোড়লের ছেলে আমিনুর রহমান  ও কামরুল ইসলাম।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসআই সৈয়দ রবিউল ইসলাম পলাশ জানান, আটক কামরুলের স্ত্রী হীরা খাতুনের সাথে কলেজ ছাত্র একরামুলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। কামরুল কুয়েত প্রবাসী।
পাঁচ মাস আগে তিনি দেশে ফিরে  স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়  জানতে পারেন। কামরুলের ভাই আমিনুরও ভাবির সাথে একরামুলের পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।আমিনুল  পরিবারের মানসম্মান রক্ষার্থে গোপনে একরামুলের সাথে দেখা করে এ পথ থেকে সরে আসার জন্য অনুরোধ করেন। তখন একরামুল উল্টো আমিনুরকে হুমকি দেয় এবং  তাদের সম্পর্কের ধারণকৃত ভিডিও তার মোবাইল ফোনে আছে বলেও দাবি করেন। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আমিনুরকে নিষেধ করেন একরামুল। ফলে, কোনো উপায় না পেয়ে একরামুলের কাছ থেকে মোবাইল ফোন সেট নিয়ে ওই আপত্তিকর ভিডিও ডিলিট করে দেয়ার পরিকল্পনা করেন আমিনুর।
ঘটনার দিন গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় আমিনুর তার ভাইপো মেহেদীর কাছ থেকে জানতে পারেন, একরামুল নোয়ালী গ্রামের কাড়াখালি ব্রিজের ওপর অবস্থান করছে। এ খবর পেয়ে তিনি গোপনে সেখানে গিয়ে তাকে দেখতে পেয়ে  বাড়ি ফিরে এসে একটি বৈদ্যুতিক তার নিয়ে ফের সেখানে যান।  একরামুল কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন থেকে গলায় বৈদ্যুতিক তার পেঁচিয়ে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোনসেট দিতে বলেন আমিনুর।  কিন্তু বৈদ্যুতিক তার গলায় পেঁচানোর কারণে শ্বাসরোধে মারা যায় একরামুল। লাশটি ব্রিজের পাশে রেখে বাড়িতে চলে আসে আমিনুল এবং সকল ঘটনা ভাই কামরুলকে জানান। এ কথা শুনে কামরুল ভয় পেয়ে তাকে প্রচণ্ড বকাঝকা করেন। পরে দুই সহোদর ঘটনাস্থলে যান এবং লাশটি বস্তাবন্দি করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে পাশের মদনপুর গ্রামের জনৈক লিয়াকত আলীর পুকুর পাড়ে মাটিতে পুঁতে রাখেন।
তিনি আরও জানান,ঘটনার সাথে জড়িত দুই ভাই ও তাদের ভাইপো মেহেদীকে গত বৃহস্পতিবার সকালে আটক করা হয়। শুক্রবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আমিনুর ও কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। উল্লেখ্য, নিহত একরামুল ভরতপুর গ্রামের মফিজুর মোল্লার ছেলে। গত ২৮ মার্চ রাতে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় একরামুলের মা রেশমা খাতুন ৩০ মার্চ মণিরামপুর থানায় একটি জিডি করেন। এই জিডির সূত্র ধরে পিবিআই কর্মকর্তারা গত বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে আমিনুর, কামরুল ও মেহেদীকে আটক করেন। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে মদনপুর গ্রামের লিয়াকত আলীর পুকুর পাড়ে মাটিচাপা দিয়ে রাখা একরামুলের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।