ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধ'র্ষ'ণ'চে'ষ্টার অ'ভি'যো'গ স্কুলের দপ্তরির বি'রু'দ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১০-১৫ ১৬:৩৬:৫৪
কেন্দুয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধ'র্ষ'ণ'চে'ষ্টার অ'ভি'যো'গ স্কুলের দপ্তরির বি'রু'দ্ধে কেন্দুয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধ'র্ষ'ণ'চেষ্টার অ'ভি'যো'গ স্কুলের দপ্তরির বি'রু'দ্ধে
স্টাফ রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত দপ্তরির নাম দিদারুল আলম বিদ্যুৎ। তিনি মজলিশপুর গ্রামের রেজাউল আলম ঢালুর ছেলে এবং মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে কর্মরত। অভিযোগকারী শিক্ষার্থী একই গ্রামের মো. মানিক মিয়ার মেয়ে। সে মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করতে করতে বিদ্যালয় থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। এ সময় স্থানীয় লোকজন কান্নার কারণ জানতে চাইলে সে জানায়, বিদ্যালয়ের দপ্তরি ঐ ছাত্রীকে বই দেয়ার কথা বলে ক্লাসরুমে নিয়ে যায় তারপর তাকে ঝাপটে ধরে টানাহেঁচড়া করেন। একপর্যায়ে সে কোনোমতে তাঁর কাছ থেকে ছুটে বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসে বলে অভিযোগ করে। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ে জড়ো হন। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত দপ্তরিকে নিজের হেফাজতে নিয়ে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেন বলে জানা গেছে। ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে বলে তাঁরা জানান। এদিকে, ঘটনার বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীকে নিজ নিজ বাড়িতে খুঁজলেও তাদের পাওয়া যায়নি, বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ