বনজ সম্পদের উন্নয়ন ও সংরক্ষণের গবেষণা দেখতে বিএফআরআইয়ে চবি শিক্ষার্থীরা
বনজ সম্পদের উন্নয়ন ও সংরক্ষণের গবেষণা দেখতে বিএফআরআইয়ে চবি শিক্ষার্থীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
বন গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বনজ সম্পদ সংরক্ষণ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নিতে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের বিএসসি (অনার্স) ইন ফরেস্ট্রি কোর্সের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা এ পরিদর্শনে অংশ নেন। তাদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. জসীমউদ্দিন। পরিদর্শনের শুরুতে বিএফআরআই মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বনজ সম্পদের উন্নয়ন ও সংরক্ষণবিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিএফআরআইয়ের বনজ সম্পদ উইংয়ের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার মো. জহিরুল আলম এবং ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীরা বন গবেষণার সুযোগ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং গবেষণার ব্যবহারিক দিক নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ বিএফআরআইয়ে কখন থেকে গবেষণার সুযোগ পাওয়া যায়, তা জানতে চান। উত্তরে জানানো হয়, বনবিদ্যা, পরিবেশবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিএসসি শেষ বর্ষের প্রকল্প প্রতিবেদন তৈরি ও জমা দেওয়ার পাশাপাশি এমএসসি পর্যায়ের থিসিস গবেষণার আগে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়ে থাকেন। শিক্ষার্থী ফারিয়া বিনতে বোরহান বিএফআরআইয়ের উদ্ভাবিত ১০০টি প্রযুক্তির মধ্যে মাত্র ৩০টি কেন মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তা জানতে চান। এ বিষয়ে জানানো হয়, উদ্ভাবিত সব প্রযুক্তি একইভাবে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগযোগ্য নয়। কিছু প্রযুক্তি গবেষণাগার ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেমন টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে চারা
উৎপাদনের প্রটোকল এবং বাঁশের উন্নত জাত উদ্ভাবন। এসব প্রযুক্তির প্রত্যক্ষ ব্যবহারকারী সাধারণ কৃষকের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও গবেষকেরাও হতে পারেন। তাই প্রযুক্তির ধরন ও ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এর প্রয়োগ ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্র নির্ধারিত হয়। মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষার্থীরা বিএফআরআইয়ের ব্যাম্বুসেটাম, সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগ, কাষ্ঠ যোজন বিভাগ এবং সিলভিকালচার রিসার্চ বিভাগ পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর গবেষণা কার্যক্রম, উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এবং বনজ সম্পদের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স