বাংলাদেশ ১২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
ফাল্গুনেও বসন্ত আসেনি আম বাগানগুলোতে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, মেয়াদ উর্ত্তীন রেজিস্ট্রেশন, ডাক্তারের এর নামের শেষে প্রতারণামূলক পদবী ব্যবহার সহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ০৫ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ০১ টি চিকিৎসালয়কে জরিমানা। সরকার মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে : এড. এমরান চৌধুরী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র সরবরাহ করতে গিয়ে পেকুয়ার জয়নাল র‍্যাবে হাতে আটক ভান্ডারিয়ায় মাদ্রাসার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ ১২নং চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গরীরের চেয়ারম্যান মানিক চৌধুরী জনপ্রিয়তার শীর্ষে ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬। বিদেশী মদসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মামলার আসামি কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-০২। শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের ভয় দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ এর সাথে জড়িত প্রধান আসামীকে গ্রেফতার। মহিপুর মৎস্য আড়ৎ পট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; ভস্মিভূত একাধিক আড়ৎ- দোকান পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত সভাপতি মনিরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা রাসেল সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত করা হবে প্রধানমন্ত্রী রায়গঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রফিকুল সম্পাদক ইয়ামিন কাল রুয়েটে প্রকৌশল গুচ্ছ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে সাড়ে সাত হাজার ভর্তিচ্ছু

পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় কারাগারে এসআই

পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় কারাগারে এসআই

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু
পঞ্চগড় প্রতিনিধি 

পঞ্চগড়ে বিধবার ধর্ষণ মামলায় আব্দুল জলিল (৪৫) নামের পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

আব্দুল জলিল কুড়িগ্রাম সদর থানায় কর্মরত। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ফুলিয়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। এর আগে তিনি পঞ্চগড় সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় ভাসুরের নামে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আব্দুল জলিল ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সুযোগে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ছিলো তার। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন পুলিশ সদস্য জলিল।

 

এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে মামলা দায়ের করেন ওই নারী। মামলাটি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করেন আদালত। পরে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পান আব্দুল জলিল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় রোববার পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন আব্দুল জলিল।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবি মেহেদী হাসান মিলন বলেন, এসআই আব্দুল জলিল পঞ্চগড় সদর থানায় কর্মরত অবস্থায় বাদীনির দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করতে যান। সেখানে গিয়েই ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে আব্দুল জলিল অসংখ্যবার তাকে ধর্ষণ করেন। ওই মামলায় এসআই জলিলকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এসআই আব্দুল জলিল বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। এজন্য তার ব্যাপারে বর্তমানে আমার কিছুই জানা নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফাল্গুনেও বসন্ত আসেনি আম বাগানগুলোতে

পঞ্চগড়ে ধর্ষণ মামলায় কারাগারে এসআই

আপডেট সময় ১০:২৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু
পঞ্চগড় প্রতিনিধি 

পঞ্চগড়ে বিধবার ধর্ষণ মামলায় আব্দুল জলিল (৪৫) নামের পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

আব্দুল জলিল কুড়িগ্রাম সদর থানায় কর্মরত। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর ফুলিয়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। এর আগে তিনি পঞ্চগড় সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় ভাসুরের নামে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আব্দুল জলিল ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সুযোগে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ছিলো তার। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন পুলিশ সদস্য জলিল।

 

এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে মামলা দায়ের করেন ওই নারী। মামলাটি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করেন আদালত। পরে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পান আব্দুল জলিল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় রোববার পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন আব্দুল জলিল।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবি মেহেদী হাসান মিলন বলেন, এসআই আব্দুল জলিল পঞ্চগড় সদর থানায় কর্মরত অবস্থায় বাদীনির দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করতে যান। সেখানে গিয়েই ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে আব্দুল জলিল অসংখ্যবার তাকে ধর্ষণ করেন। ওই মামলায় এসআই জলিলকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এসআই আব্দুল জলিল বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। এজন্য তার ব্যাপারে বর্তমানে আমার কিছুই জানা নেই।