বাংলাদেশ ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
ভান্ডারিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী-স্ত্রী সহ আহত ৫ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নেই দেউলিয়া হয়ে গেছে-মহাসচিব মির্জা ফখরুল পিরোজপুরে দোকানের কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মালিকের বিরুদ্ধে হাটপাঙ্গাসীতে নতুন আঙ্গিকে ঐতিহ্যবাহী গরু-ছাগলের হাট উদ্বোধন মণিরামপুরে নানা আয়োজনে পহেলা বৈশাখ পালিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত কালকিনিতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য আয়োজন-পাহাড়িদের বৈশাখী শুরু কচুয়ায় নাস্তিক মুরাদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রাজশাহী মহানগরীতে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আরএমপিতে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পদ্মায় গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাংলার নববর্ষ পালিত হয় মুন্সীগঞ্জে ১৫ কোটি টাকা মূল্যেও কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার রাঙ্গাবালীতে নবীন আলেম সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে

আজ শেরপুর জেলার জন্মদিন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৭৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

 

মোঃ শাহিন ইসলাম, নকলা, শেরপুর প্রতিনিধি:

২২ই ফেব্রুয়ারি ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা বর্তমান ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার জন্মদিন। ১৯৮৪ সালের ২২ই ফেব্রুয়ারী শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করা হয়। এর পূর্বে এটি জামালপুরের একটি মহকুমা ছিল। এর আয়তন ৫২৬.৯০ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ১৩,৫৮,৩২৫ ( ২০১১ এর আদম শুমারী অনুযায়ী )। এ জেলার জনঘনত্ব ১০০০ বর্গ.কি.মি এবং সাক্ষরতার হার ৮৮.০৪%। এর উত্তরে মেঘালয়, দক্ষিণ ও পশ্চিমে জামালপুর জেলা ও পূর্ব দিকে ময়মনসিংহ জেলা।

বর্তমান শেরপুর জেলার উত্তর সীমান্তের গারো পাহাড় ও তার প্বার্শবর্তী সমতল এলাকায় কোচ, গারো, হাজং, ডালু, বানাই এবং রাজবংশী ইত্যাদি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। এই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন কোচ, গারো প্রভৃতি নিজস্ব ভাষায় কথা বলে। শেরপুর জেলার মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। শেরপুর জেলা ছানার পায়েস এর জন্য বিখ্যাত।

শেরপুর অঞ্চল প্রাচীনকালে কামরূপা রাজ্যের অংশ ছিলো।মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনমলে এই এলাকা “দশকাহনিয়া বাজু” নামে পরিচিত ছিল। পূর্বে শেরপুরে যেতে ব্রহ্মপুত্র নদ খেয়া পাড়ি দিতে হতো। খেয়া পারাপারের জন্য দশকাহন কড়ি নির্ধারিত ছিল বলে এ এলাকা দশকাহনিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভাওয়ালের গাজী, ঈসা খানের বংশধর থেকে দশকাহনিয়া এলাকা দখল করে নেয়।দশকাহনিয়া পরগনা পরবর্তীতে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে শেরপুর নামে নামকরণ করা হয়।

ওয়ারেন হেস্টিংস থেকে কর্ণওয়ালিস-এর সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়,ফকির আন্দোলনের নেতা টিপু শাহ্ এই এলাকায় সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে এবং গরজরিপার তার রাজধানী স্থাপন করেন। খোশ মুহাম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শেরপুরের কামারের চরে ১৯০৬ সাল ১৯১৪ সাল ও ১৯১৭ সালে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত নানকার, টঙ্ক, বাওয়ালী, মহাজনী,ইজারাদারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শেরপুরে কমিউনিস্টরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরে থাকা শেরপুর স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালের ৭ই ডিসেম্বর। এদিন অধিনায়ক জগজিৎ সিং অরোরা হেলিকপ্টারে শহরের দারোগা আলী পার্কে অবতরণ করেন এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

 

 

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

ভান্ডারিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী-স্ত্রী সহ আহত ৫

আজ শেরপুর জেলার জন্মদিন

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

 

 

 

মোঃ শাহিন ইসলাম, নকলা, শেরপুর প্রতিনিধি:

২২ই ফেব্রুয়ারি ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা বর্তমান ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার জন্মদিন। ১৯৮৪ সালের ২২ই ফেব্রুয়ারী শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করা হয়। এর পূর্বে এটি জামালপুরের একটি মহকুমা ছিল। এর আয়তন ৫২৬.৯০ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ১৩,৫৮,৩২৫ ( ২০১১ এর আদম শুমারী অনুযায়ী )। এ জেলার জনঘনত্ব ১০০০ বর্গ.কি.মি এবং সাক্ষরতার হার ৮৮.০৪%। এর উত্তরে মেঘালয়, দক্ষিণ ও পশ্চিমে জামালপুর জেলা ও পূর্ব দিকে ময়মনসিংহ জেলা।

বর্তমান শেরপুর জেলার উত্তর সীমান্তের গারো পাহাড় ও তার প্বার্শবর্তী সমতল এলাকায় কোচ, গারো, হাজং, ডালু, বানাই এবং রাজবংশী ইত্যাদি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ শতশত বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। এই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন কোচ, গারো প্রভৃতি নিজস্ব ভাষায় কথা বলে। শেরপুর জেলার মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। শেরপুর জেলা ছানার পায়েস এর জন্য বিখ্যাত।

শেরপুর অঞ্চল প্রাচীনকালে কামরূপা রাজ্যের অংশ ছিলো।মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনমলে এই এলাকা “দশকাহনিয়া বাজু” নামে পরিচিত ছিল। পূর্বে শেরপুরে যেতে ব্রহ্মপুত্র নদ খেয়া পাড়ি দিতে হতো। খেয়া পারাপারের জন্য দশকাহন কড়ি নির্ধারিত ছিল বলে এ এলাকা দশকাহনিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভাওয়ালের গাজী, ঈসা খানের বংশধর থেকে দশকাহনিয়া এলাকা দখল করে নেয়।দশকাহনিয়া পরগনা পরবর্তীতে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে শেরপুর নামে নামকরণ করা হয়।

ওয়ারেন হেস্টিংস থেকে কর্ণওয়ালিস-এর সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়,ফকির আন্দোলনের নেতা টিপু শাহ্ এই এলাকায় সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে এবং গরজরিপার তার রাজধানী স্থাপন করেন। খোশ মুহাম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শেরপুরের কামারের চরে ১৯০৬ সাল ১৯১৪ সাল ও ১৯১৭ সালে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত নানকার, টঙ্ক, বাওয়ালী, মহাজনী,ইজারাদারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শেরপুরে কমিউনিস্টরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরে থাকা শেরপুর স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালের ৭ই ডিসেম্বর। এদিন অধিনায়ক জগজিৎ সিং অরোরা হেলিকপ্টারে শহরের দারোগা আলী পার্কে অবতরণ করেন এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।