বাংলাদেশ ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
বেইলী রোডের কাচ্চিভাই নামক রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সাহসী ভূমিকা পালন করছে র‌্যাব-৩। অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা মিজানুর রহমানকে জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ায় বেইলি রোডে একটি রেস্টুরেন্টে লাগা আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৩ টি ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এপর্যন্ত ৬৮ জন জীবিত উদ্ধার, বদলগাছী উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  ভোটের সার্বিক কার্যক্রম কমিশন থেকে মনিটরিং ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম কিশোর গ্যাং আমির গ্রুপের লীডার আমির সহ ০৯ সদস্য গ্রেফতার। নলছিটি তালতলা বাজার থেকে ৫ কেজি গাজা সহ গোশত ব্যবসায়ি ফারুক আটক বঙ্গবন্ধু মুক্তির সংগ্রাম বলতে অর্থনৈতিক মুক্তি বুঝিয়েছেন: কাজী খলীকুজ্জমান প্রায় অর্ধ কোটি টাকার অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার: বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০৩ জন বড় মাদক ব্যবসায়ী আটক এবং মাদক পরিবহনকারী গাড়ী জব্দ। জবিতে ‘আমরা তোমাদের ভুলবো না’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আয়োজিত  রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন মাধবপুর থানার ওসি মোঃ রকিবুল খান দুই মামলা থেকেই অব্যাহতি পেলেন খাদিজা পৌরবাসীর ক্ষোভের মুখে সাবমার্সিবল বিল বাতিল ঘোষণা  জবিতে ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীর জন্য ‘কনসার্ট ফর জহির’  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নাট্যমের ৯ম আর্ট ক্যাম্প আয়োজন।

কাউনিয়ার মজিদুলকে বাঁচাতে প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা

কাউনিয়ার মজিদুলকে বাঁচাতে প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা

সাইদুল ইসলাম রংপুর:
কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অসহায় মজিদুল ইসলাম ।
পাঁচ বছর আগে বিয়ে করেছেন মজিদুল। সংসারে একটি ফুটফুটে ৫ বছরের ছেলে সন্তানও রয়েছে মজিদুল চাকুরি করতেন একটি বেসরকারি এনজিও তে। স্ত্রী-সন্তান ভাই আর মা-বাবাকে নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল তার  সংসার। কিন্তু হঠাৎ করেই গত বছরের অক্টোবরে অসুস্থ হয়ে পড়েন মজিদুল ইসলাম। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরে কিডনি রোগ ধরা পড়েছে।
সেই থেকে হাসপাতালে যাওয়া-আসা করতেই কেটে গেছে কয়েক মাস। এখন দিনমজুর বাবার জমানো কিছু টাকা প্রতিবেশীর দেওয়া সাহায্য আর মজিদুলের কর্মস্থল থেকে দেওয়া সহযোগিতার অর্থে কোনো রকমে চলছে চিকিৎসা। তবে যতই দিন যাচ্ছে ততই কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা না হওয়ায় বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি।
মজিদুলের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ লাখ টাকা। সংসারের খরচ চালাতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছে  দিনমজুর বাবা আলতাফ হোসেন এর মধ্যে ছেলের চিকিৎসা। এজন্য ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আকুতি জানিয়েছে অসহায় দিনমজুর বাবা ও তার পরিবারটি।
৩০ বছর বয়সী মজিদুল ইসলাম রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের ভূতছাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। দারিদ্র্য ও অর্থাভাবের মধ্যেও মজিদুল ইসলাম পড়াশোনা করেছেন। স্থানীয় সাব্দী সিনিয়র আলিম মাদরাসা থেকে আলিম পাস করে ২০১৪ সালে টিএমএসএস নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি নেন। তার কর্মস্থল ছিল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর শাখায়। কিন্তু কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর কর্মস্থলে দীর্ঘ বিরতির কারণে তার সেই চাকরিটাও এখন হাতছাড়া।
বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের মজিদুলের একটি কিডনি ট্রান্সফার (সংযোজন) ও নিয়ম মতো ডায়্যালাইসিস করলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এজন্য সব মিলে খরচ হবে ৮-১০ লাখ টাকা।
এদিকে ছেলের চিকিৎসার জন্য দেশের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন বাবা আলতাফ হোসেন ও তার পরিবার। দিনমজুর এই বাবা বলেন, আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে মজিদুলের কিডনি ডায়্যালাইসিস করে আসছি। প্রতি সপ্তাহে ডায়্যালাইসিস করতে করতে অনেক টাকা লাগে। আমরা গরিব মানুষ, এত টাকা কোথায় পাব? যে টাকা ছিল এই কয়েক মাসে তা শেষ হয়ে গেছে। এখন ছেলের চিকিৎসা চালানোর সামর্থ্য আমার নেই। তাই আপনাদের মাধ্যমে সরকারসহ সমাজের বিত্তবান মানুষদের কাছে আকুল আবেদন জানাই, আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে সবাই সহযোগিতা করেন।
মজিদুলের স্ত্রী আরিফা বেগম বলেন, আমাদের সামর্থ্য নেই। আল্লাহ্ ছাড়া কেউ আমাদের কষ্ট বুঝবে না। এখন স্বামী-সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইছি। যদি সমাজের বিত্তবান মানুষরা এগিয়ে আসেন, তাহলে আমার স্বামীর কিডনী সংযোজন করা সম্ভব হবে।
মজিদুলের ছোট ভাই মোকছেদুল ইসলাম বলেন প্রতি সপ্তাহে যখন হাসপাতালে ডায়্যালাইসিস করতে নিয়ে যাই। ভাই তখন আমার দিকে চেয়ে বলে আমার জন্য কিছু কর। কিন্তু আমাদের পরিবারের তো একসঙ্গে ৮-১০ লাখ জোগাড় করা সম্ভব নয়। এজন্য এখন গ্রামবাসী থেকে শুরু করে সারাদেশের মানুষের কাছে ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে ভিক্ষা চাইছি।
শহীদবাগ ইউপি সদস্য পল্লী চিকিৎসক ডাঃ রোস্তম আলী বলেন মজিদুল কে আমি ব্যক্তিগত ভাবো চিনি সে খুব শান্ত  প্রকৃতির ছেলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মজিদুলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেছি। কিছু দিন আগে গ্রামের লোকজনদের সঙ্গে পরামর্শ করেছি। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে কিডনি রোগে আক্রান্ত মজিদুলের সুচিকিৎসা করা যাবে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম
জানান, কিডনির শেষ চিকিৎসা কিডনি সংযোজন ও ডায়্যালাইসিস। এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিডনি রোগের একটা ভীষণ খারাপ দিক হলো, প্রাথমিক অবস্থায় বোঝা যায় না। এটা হৃদরোগসহ অন্যান্য রোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই যত দ্রুত কিডনি সংযোজন করা যায়, রোগীর জন্য ততই ভালো।
মজিদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে অথবা সরাসরি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ০১৭৭৬৮২৭৯০৮ এই নম্বরে সহায়তা পাঠাতে পারবেন। মোছাঃ আনোয়ারা বেগম ব্যাংক একাউন্ট 5009601019175 সোনালী ব্যাংক কাউনিয়া শাখা, রংপুর। 

বেইলী রোডের কাচ্চিভাই নামক রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সাহসী ভূমিকা পালন করছে র‌্যাব-৩।

কাউনিয়ার মজিদুলকে বাঁচাতে প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
সাইদুল ইসলাম রংপুর:
কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অসহায় মজিদুল ইসলাম ।
পাঁচ বছর আগে বিয়ে করেছেন মজিদুল। সংসারে একটি ফুটফুটে ৫ বছরের ছেলে সন্তানও রয়েছে মজিদুল চাকুরি করতেন একটি বেসরকারি এনজিও তে। স্ত্রী-সন্তান ভাই আর মা-বাবাকে নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল তার  সংসার। কিন্তু হঠাৎ করেই গত বছরের অক্টোবরে অসুস্থ হয়ে পড়েন মজিদুল ইসলাম। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরে কিডনি রোগ ধরা পড়েছে।
সেই থেকে হাসপাতালে যাওয়া-আসা করতেই কেটে গেছে কয়েক মাস। এখন দিনমজুর বাবার জমানো কিছু টাকা প্রতিবেশীর দেওয়া সাহায্য আর মজিদুলের কর্মস্থল থেকে দেওয়া সহযোগিতার অর্থে কোনো রকমে চলছে চিকিৎসা। তবে যতই দিন যাচ্ছে ততই কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা না হওয়ায় বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি।
মজিদুলের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ লাখ টাকা। সংসারের খরচ চালাতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছে  দিনমজুর বাবা আলতাফ হোসেন এর মধ্যে ছেলের চিকিৎসা। এজন্য ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আকুতি জানিয়েছে অসহায় দিনমজুর বাবা ও তার পরিবারটি।
৩০ বছর বয়সী মজিদুল ইসলাম রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের ভূতছাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। দারিদ্র্য ও অর্থাভাবের মধ্যেও মজিদুল ইসলাম পড়াশোনা করেছেন। স্থানীয় সাব্দী সিনিয়র আলিম মাদরাসা থেকে আলিম পাস করে ২০১৪ সালে টিএমএসএস নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি নেন। তার কর্মস্থল ছিল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর শাখায়। কিন্তু কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর কর্মস্থলে দীর্ঘ বিরতির কারণে তার সেই চাকরিটাও এখন হাতছাড়া।
বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের মজিদুলের একটি কিডনি ট্রান্সফার (সংযোজন) ও নিয়ম মতো ডায়্যালাইসিস করলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এজন্য সব মিলে খরচ হবে ৮-১০ লাখ টাকা।
এদিকে ছেলের চিকিৎসার জন্য দেশের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন বাবা আলতাফ হোসেন ও তার পরিবার। দিনমজুর এই বাবা বলেন, আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে মজিদুলের কিডনি ডায়্যালাইসিস করে আসছি। প্রতি সপ্তাহে ডায়্যালাইসিস করতে করতে অনেক টাকা লাগে। আমরা গরিব মানুষ, এত টাকা কোথায় পাব? যে টাকা ছিল এই কয়েক মাসে তা শেষ হয়ে গেছে। এখন ছেলের চিকিৎসা চালানোর সামর্থ্য আমার নেই। তাই আপনাদের মাধ্যমে সরকারসহ সমাজের বিত্তবান মানুষদের কাছে আকুল আবেদন জানাই, আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে সবাই সহযোগিতা করেন।
মজিদুলের স্ত্রী আরিফা বেগম বলেন, আমাদের সামর্থ্য নেই। আল্লাহ্ ছাড়া কেউ আমাদের কষ্ট বুঝবে না। এখন স্বামী-সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইছি। যদি সমাজের বিত্তবান মানুষরা এগিয়ে আসেন, তাহলে আমার স্বামীর কিডনী সংযোজন করা সম্ভব হবে।
মজিদুলের ছোট ভাই মোকছেদুল ইসলাম বলেন প্রতি সপ্তাহে যখন হাসপাতালে ডায়্যালাইসিস করতে নিয়ে যাই। ভাই তখন আমার দিকে চেয়ে বলে আমার জন্য কিছু কর। কিন্তু আমাদের পরিবারের তো একসঙ্গে ৮-১০ লাখ জোগাড় করা সম্ভব নয়। এজন্য এখন গ্রামবাসী থেকে শুরু করে সারাদেশের মানুষের কাছে ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে ভিক্ষা চাইছি।
শহীদবাগ ইউপি সদস্য পল্লী চিকিৎসক ডাঃ রোস্তম আলী বলেন মজিদুল কে আমি ব্যক্তিগত ভাবো চিনি সে খুব শান্ত  প্রকৃতির ছেলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মজিদুলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেছি। কিছু দিন আগে গ্রামের লোকজনদের সঙ্গে পরামর্শ করেছি। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে কিডনি রোগে আক্রান্ত মজিদুলের সুচিকিৎসা করা যাবে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম
জানান, কিডনির শেষ চিকিৎসা কিডনি সংযোজন ও ডায়্যালাইসিস। এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিডনি রোগের একটা ভীষণ খারাপ দিক হলো, প্রাথমিক অবস্থায় বোঝা যায় না। এটা হৃদরোগসহ অন্যান্য রোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই যত দ্রুত কিডনি সংযোজন করা যায়, রোগীর জন্য ততই ভালো।
মজিদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে অথবা সরাসরি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ০১৭৭৬৮২৭৯০৮ এই নম্বরে সহায়তা পাঠাতে পারবেন। মোছাঃ আনোয়ারা বেগম ব্যাংক একাউন্ট 5009601019175 সোনালী ব্যাংক কাউনিয়া শাখা, রংপুর।