বাংলাদেশ ১০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
তালতলীর খালাকে হত্যার পর কানের রিং বিক্রি করে খুনিকে টাকা দেয় ভাগ্নে কলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সুপারিশ রাঙ্গাবালীতে মৎস্য ব্যবসায়ী রাসাদ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন। পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিনত  নাটোরের বড়াইগ্রামে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব ও বসন্ত বরণ। পঞ্চগড়ের বোদায় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। রায়গঞ্জের বিভিন্ন গাছে গাছে দেখা যাচ্ছে আমের মুকুল মুক্তিযোদ্বা প্রজন্ম লীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখমকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর শহরে উত্তেজনা রাবিতে চাঁদপুর পরিবারের নেতৃত্বে ইমন-রাহিম ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিঃ পিলাব মল্লিক (গোল্ডেন) -এর সংবাদ  সম্মেলন    ঝালকাঠিতে ৮টি গাঁজাগাছ ও ১৫পিস ইয়াবাসহ আটক-২ ঝালকাঠির নবগ্রামের শতবর্ষী রেইন্ট্রি গাছ নিয়ে গুনাই বিবি নাটকের রূপ কথার গল্প চার শিশুর জন্ম দিল এক মা। শিশুরা সবাই সুস্থ আছেন। ভান্ডারিয়ায় ৯৬ হাজার স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে শুভ উদ্বোধন

অস্বাস্থ্যকর অনুমোদনহীন বেকারি 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

অস্বাস্থ্যকর  অনুমোদনহীন বেকারি 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা  প্রতিনিধিঃ
শেরপুর জেলার  ঝিনাইগাতীতে যেখানে সেখানে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক অস্বাস্থ্যকর বেকারি কারখানা।
ঝিনাইগাতী  উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বেকারি ব্যবসার প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকলেও নেই তদারকি। অপরিকল্পিত কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নিরব।
এদিকে দোকানদাররা প্রতিনিয়ত মালামাল কিনলেও মালিক বা কারখানার অস্তিত্ব জানে না অনেকেই। রোজ ভ্যানে করে মালামাল দোকানে দোকানে পৌছে দেয় বেকারিগুলো। সন্ধ্যায় মালামাল বিক্রির অর্থ আদায় করেন ভ্যান চালকরা। খাদ্যসামগ্রীর লেভেলে কারখানার নাম থাকলেও ঠিকানা থাকে না। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের বালাই নেই। ভোক্তা অধিকার  আইনে জেল-জরিমানা থাকলেও বেকারি ব্যবসায়ীদের মনে ভয়ভীতি নেই।
এভাবেই বেকারিগুলোতে তৈরি নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রীর জমজমাট কারবার চলছে। সরেজমিনে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব মানহীন বেকারি কারখানার বেশির ভাগই উপজেলা সহ প্রত্যন্ত এলাকায়। দুটি কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে ঝিনাইগাতী শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এনা ফুড ও ভালুকা এলাকার খান ফুড।এনা ফুড ফুডস্ ও খান ফুডস্ নামের বেকারি নোংরা পরিবেশে চলছে। বেকারিগুলোতে নিম্নমানের পাউরুটি, জেলি বন্ড, বিস্কুট, কেক, মিষ্টি,সিঙ্গাড়া ও বিভিন্ন ধরনের টোস্ট, সল্টেস, ড্রাই কেক, চানাচুর তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
 ধুলাবালু খাবারে মিশে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ বিষয়ে এনা ফুডস্ এর মালিক বলেন, কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ক্রমে বেকারি চালাচ্ছি। তৈরিকৃত খাদ্যসামগ্রীর বিএসটিআই’র অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ঝিনাইগাতী  উপজেলায় কোনো বেকারির বৈধ অনুমোদন নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভূইয়া বলেন, তথ্য পেলে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবো।
জনপ্রিয় সংবাদ

তালতলীর খালাকে হত্যার পর কানের রিং বিক্রি করে খুনিকে টাকা দেয় ভাগ্নে

অস্বাস্থ্যকর অনুমোদনহীন বেকারি 

আপডেট সময় ১০:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা  প্রতিনিধিঃ
শেরপুর জেলার  ঝিনাইগাতীতে যেখানে সেখানে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক অস্বাস্থ্যকর বেকারি কারখানা।
ঝিনাইগাতী  উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বেকারি ব্যবসার প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকলেও নেই তদারকি। অপরিকল্পিত কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নিরব।
এদিকে দোকানদাররা প্রতিনিয়ত মালামাল কিনলেও মালিক বা কারখানার অস্তিত্ব জানে না অনেকেই। রোজ ভ্যানে করে মালামাল দোকানে দোকানে পৌছে দেয় বেকারিগুলো। সন্ধ্যায় মালামাল বিক্রির অর্থ আদায় করেন ভ্যান চালকরা। খাদ্যসামগ্রীর লেভেলে কারখানার নাম থাকলেও ঠিকানা থাকে না। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের বালাই নেই। ভোক্তা অধিকার  আইনে জেল-জরিমানা থাকলেও বেকারি ব্যবসায়ীদের মনে ভয়ভীতি নেই।
এভাবেই বেকারিগুলোতে তৈরি নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রীর জমজমাট কারবার চলছে। সরেজমিনে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এসব মানহীন বেকারি কারখানার বেশির ভাগই উপজেলা সহ প্রত্যন্ত এলাকায়। দুটি কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে ঝিনাইগাতী শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এনা ফুড ও ভালুকা এলাকার খান ফুড।এনা ফুড ফুডস্ ও খান ফুডস্ নামের বেকারি নোংরা পরিবেশে চলছে। বেকারিগুলোতে নিম্নমানের পাউরুটি, জেলি বন্ড, বিস্কুট, কেক, মিষ্টি,সিঙ্গাড়া ও বিভিন্ন ধরনের টোস্ট, সল্টেস, ড্রাই কেক, চানাচুর তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
 ধুলাবালু খাবারে মিশে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ বিষয়ে এনা ফুডস্ এর মালিক বলেন, কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ক্রমে বেকারি চালাচ্ছি। তৈরিকৃত খাদ্যসামগ্রীর বিএসটিআই’র অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ঝিনাইগাতী  উপজেলায় কোনো বেকারির বৈধ অনুমোদন নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভূইয়া বলেন, তথ্য পেলে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবো।