বাংলাদেশ ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
জণগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং আজীবন থাকবো-অ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো দোকানের বাকির টাকা দিতে দেরি করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম, থানায় অভিযোগ।  সকল দলের মানুষের সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই- অধ্যক্ষ সইদুল হক  পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ঘোড়া মার্কার প্রার্থীকে জরিমানা রায়গঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জামরুল ফল বিদেশী মদসহ ০৩ জন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সরকারের অনিচ্ছাতেই উচ্চ শিক্ষায় স্বদেশি ভাষা চালু হয়নি: ড. সলিমুল্লাহ খান রাজশাহীতে ৩০ ছাত্রকে বলাৎকার করে ভিডিও ধারণ করেন শিক্ষক ওয়াকেল ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামী রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা রাজশাহীর পুঠিয়ায় তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সম্পদশালী মাসুদ পুঠিয়া উপজেলায় নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের কার সম্পদ কত? রাজশাহী মহানগরীতে চেকপোস্টে দুই পুলিশ পিটিয়ে আহত! দুইভাই আটক কাউনিয়ায় লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট এর সভা অনুষ্ঠিত ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার আসামী নাজিবুল ইসলাম নাজিমকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। উল্লাপাড়ায় সড়ক দূর্ঘনায় ১ জনের মৃত্যু 

পেকুয়ায় পাহাড় কেটে স্থাপন নির্মাণের চলছে মহোৎসব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২
  • ১৭২৭ বার পড়া হয়েছে

পেকুয়ায় পাহাড় কেটে স্থাপন নির্মাণের চলছে মহোৎসব

পেকুয়া প্রতিনিধি :-

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া  সংরক্ষিত বনভূমির পূর্ব ভারুয়াখালী রব্বানিয়া পাড়ায় এলাকার চিহ্নিত বনদস্যূ আবুল কাশেম,ইউনুচ ও ইলিয়াছ এর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের মহোৎসব চলছে। সংশ্লিষ্ট বনকর্তারা নিরব দর্শকের ভূমিকায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালীতে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে বসতবাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে মাটি  বিক্রি করে আসছে। সবুজ-বেষ্টনি ঘেরা এ বনাঞ্চলে অবাধে পাহাড় ও সামাজিক বনায়নের গাছ কর্তনের ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে হাজার বছরের পেকুয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্য্য বর্ধন প্রকৃতি ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। পাহাড়গুলো হারাচ্ছে স্বকীয়তা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চট্রগ্রাম দক্ষিণ  বন বিভাগের কতিপয় কর্তাদের মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে চিহ্নিত কিছু পাহাড় খেকো সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড় কেটে বসতবাড়ি ও  দোকানঘর নির্মাণ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া পাহাড়ের মাটি বিক্রি করে দেদারসে টাকার বিনিময়ে পাচার করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৫/৬ জন ব্যক্তিরা সরকার দলীয় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার নাম ভাঙিয়ে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটছে দীর্ঘদিন ধরে। চক্রটি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় স্থল ভূমির খুঁটি নামে খ্যাত পাহাড় ধংস করে চলেছে। এ বনখেকোর  সঙ্গে রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরোক্ষ যোগসাজশে।

স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সচেতন মহলের।

আদালত কর্তৃক পাহাড় কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তারা  তা মানছে না।
বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে শীঘ্রই  অভিযান পরিচালনা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জণগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং আজীবন থাকবো-অ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো

পেকুয়ায় পাহাড় কেটে স্থাপন নির্মাণের চলছে মহোৎসব

আপডেট সময় ১১:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২
পেকুয়া প্রতিনিধি :-

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া  সংরক্ষিত বনভূমির পূর্ব ভারুয়াখালী রব্বানিয়া পাড়ায় এলাকার চিহ্নিত বনদস্যূ আবুল কাশেম,ইউনুচ ও ইলিয়াছ এর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের মহোৎসব চলছে। সংশ্লিষ্ট বনকর্তারা নিরব দর্শকের ভূমিকায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালীতে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে বসতবাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে মাটি  বিক্রি করে আসছে। সবুজ-বেষ্টনি ঘেরা এ বনাঞ্চলে অবাধে পাহাড় ও সামাজিক বনায়নের গাছ কর্তনের ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে হাজার বছরের পেকুয়ার পাহাড়ি সৌন্দর্য্য বর্ধন প্রকৃতি ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। পাহাড়গুলো হারাচ্ছে স্বকীয়তা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চট্রগ্রাম দক্ষিণ  বন বিভাগের কতিপয় কর্তাদের মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে চিহ্নিত কিছু পাহাড় খেকো সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড় কেটে বসতবাড়ি ও  দোকানঘর নির্মাণ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া পাহাড়ের মাটি বিক্রি করে দেদারসে টাকার বিনিময়ে পাচার করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৫/৬ জন ব্যক্তিরা সরকার দলীয় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার নাম ভাঙিয়ে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটছে দীর্ঘদিন ধরে। চক্রটি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় স্থল ভূমির খুঁটি নামে খ্যাত পাহাড় ধংস করে চলেছে। এ বনখেকোর  সঙ্গে রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরোক্ষ যোগসাজশে।

স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সচেতন মহলের।

আদালত কর্তৃক পাহাড় কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তারা  তা মানছে না।
বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে শীঘ্রই  অভিযান পরিচালনা করা হবে।