বাংলাদেশ ১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
হাটপাঙ্গাসীতে নতুন আঙ্গিকে ঐতিহ্যবাহী গরু-ছাগলের হাট উদ্বোধন মণিরামপুরে নানা আয়োজনে পহেলা বৈশাখ পালিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত কালকিনিতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য আয়োজন-পাহাড়িদের বৈশাখী শুরু কচুয়ায় নাস্তিক মুরাদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রাজশাহী মহানগরীতে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আরএমপিতে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পদ্মায় গোসলে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাংলার নববর্ষ পালিত হয় মুন্সীগঞ্জে ১৫ কোটি টাকা মূল্যেও কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার রাঙ্গাবালীতে নবীন আলেম সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্নাঢ্য আয়োজনে হোসেনপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন।  কাউনিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্দোগেনানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত ফুলবাড়ীতে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা ও পান্তা, ইলিশের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত।

চলনবিলে খাল খননে সুফল পাচ্ছে কৃষক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২
  • ১৭০৩ বার পড়া হয়েছে

চলনবিলে খাল খননে সুফল পাচ্ছে কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার নাটোর
নাটোর চলনবিলে খাল খননে ও লো লিফট পাম্প ব্যবহারে সুফল পাচ্ছে কৃষকরা। পানাসি প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৮২কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে চলনবিলের ফসলি জমি।
অপরদিকে, ভু-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার কমিয়ে এনে ফসল উৎপাদনের জন্য ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। এজন্য চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের স্বল্প খরচে সমবায় ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে লো লিফট পাম্প (এলএলপি)। এতে করে ৫হাজার ৮১১ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে। এতে করে কমেছে ফসল উৎপাদন খরচ।
বিএডিসি অফিস জানায়, চলনবিল অঞ্চলে সার্ভে অনুযায়ী মোট ২০০কিলোমিটার খাল রয়েছে। এরমধ্যে ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৫কোটি ৪৪লাখ টাকা খরচ করে ১১টি খালের ৬৪কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে করে সেচের আওতায় এসেছে ৬হাজার হেক্টর জমি।
এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে ১কোটি ৬৫লাখ টাকা ব্যায়ে মোট ১৮কিলোমিটার খাল পুন:খনন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া এই অর্থবছরে আরও মোট ৯৪কিলোমিটার খাল পুন:খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিএডিসি। এই খাল খনন হলে চলনবিলে ১২হাজার ৮৫০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি ভু-উপরিস্ত পানি ব্যবহার করে সেচের আওতায় আসবে ১০হাজার হেক্টর জমি।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, চলনবিল অঞ্চলের মজা খালগুলো পুন:খনন করা হলে চলনবিল অঞ্চলের জমি গুলো জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাশাপাশি ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করে শুকনো মৌসুমে সেচ সংকট মেটাতে পারবে কৃষকরা। যেখালগুলো খনন করা হয়েছে, সেগুলো থেকে সুফল পেতে শুরু করেছে তারা।
চলনবিলের ডাহিয়া ইউনিয়নের কৃষক আবুল কালাম বলেন, প্রতি দশবছর পর পর চলনবিলে বন্যার পানিতে খালগুলো ভরাট হয়ে যায়। এতে করে মজা খালে পরিনত হয় খালগুলো। আর মজা খালগুলোতে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকার কারনে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে তারা। কিন্তু স্থানীয় বিএডিসি খালগুলো পুন:খনন কওে দেওয়ার কারনে গত দুই বছওে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েনি তারা। তাছাড়া শুকনো মৌসুমে খালের পানি ব্যবহার করে রবি-শষ্যে ফসল উৎপাদন করতে পারছে তারা।
সিংড়ার ইটালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম বলেন, শষ্য উৎপাদনের জন্য চলনবিলেকে খাদ্য ভান্ডার বলা হয়। আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর চেস্টায় চলনবিলের খালগুলো পুন:খনন করা হচ্ছে। এতে শষ্য উৎপাদন বাড়ছে।
বিএডিসি সিংড়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী শাহ কিবরিয়া মাহবুব তন্ময় বলেন, ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে চলনবিলে মোট ৮২কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। আমরা চলতি অর্থ বছওে আরও ৯৪কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। পূর্বেও খাল খননের কারনে ৬হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় এসেছে। নতুন করে খাল খনন হলে আরও ১০হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
এদিকে, ভু-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার কমিয়ে এনে ফসল উৎপাদনের জন্য ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। এজন্য চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের স্বল্প খরচে সমবায় ভিত্তিতে ২০২১-২২ অর্থ বছর থেকে দেওয়া হচ্ছে লো লিফট পাম্প (এলএলপি)। বর্তমানে মোট ২১টি স্থানে এই এলএলপি স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে এখন পর্যন্ত মোট ৬টি চালু করা হয়েছে। শিঘ্রই আরও ১৫টি চালু হবে। এতে করে চলনবিলের নদী এবং খালের পানি ব্যবহার করে ৫হাজার ৮১১ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে করে কমবে ফসল উৎপাদন খরচ।
বিএডিসি সিংড়া উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ইমরান বলেন, ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের জন্য জোর দিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা চলনবিলের কৃষকদের সমবায় ভিত্তিতে এল এলপি স্থাপন করে দিচ্ছে। যার প্রতিটিতে খরচ পড়ছে ২৫লাখ টাকার মতো। এই ছাড়া ১২লাখ টাকা ব্যায়ে ১ হাজার মিটার ভুগর্ভস্থ পাইপ স্থাপন করা হচ্ছে। এতে করে সেচের পানি সরবরাহের পানি অপচয় হচ্ছে না। ফলে কৃষকদেও পাম্প পরিচালনা এবং ফসল উৎপাদন খরচ কমে আসছে।
চলনবিল জীববৈচিত্র রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, চলনবিল অঞ্চলে বেশি বেশি খাল পুন: খনন করা হলে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিবে কৃষকরা। এতে করে কৃষকদের উৎপাদন খরচও কমে আসবে। পাশপাশি রির্জারভার তৈরী হবে ভুগর্ভস্থ পানি। এতে করে ঠিক থাকবে চলনবিলের পরিবেশ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, পানাসি প্রকল্পের মাধ্যমে চলনবিল অঞ্চলে গত ১২বছরে ১১৪কিলোমিটার খাল পুন:খনন করেছে বিএডিসি। এতে করে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনে চলনবিল অঞ্চলে খাল পুণ: খনন শেষ হলে সুফল পাবে সাধারণ কৃষকরা।
জনপ্রিয় সংবাদ

হাটপাঙ্গাসীতে নতুন আঙ্গিকে ঐতিহ্যবাহী গরু-ছাগলের হাট উদ্বোধন

চলনবিলে খাল খননে সুফল পাচ্ছে কৃষক

আপডেট সময় ০৫:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০২২
স্টাফ রিপোর্টার নাটোর
নাটোর চলনবিলে খাল খননে ও লো লিফট পাম্প ব্যবহারে সুফল পাচ্ছে কৃষকরা। পানাসি প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৮২কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে চলনবিলের ফসলি জমি।
অপরদিকে, ভু-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার কমিয়ে এনে ফসল উৎপাদনের জন্য ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। এজন্য চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের স্বল্প খরচে সমবায় ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে লো লিফট পাম্প (এলএলপি)। এতে করে ৫হাজার ৮১১ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে। এতে করে কমেছে ফসল উৎপাদন খরচ।
বিএডিসি অফিস জানায়, চলনবিল অঞ্চলে সার্ভে অনুযায়ী মোট ২০০কিলোমিটার খাল রয়েছে। এরমধ্যে ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৫কোটি ৪৪লাখ টাকা খরচ করে ১১টি খালের ৬৪কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে করে সেচের আওতায় এসেছে ৬হাজার হেক্টর জমি।
এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে ১কোটি ৬৫লাখ টাকা ব্যায়ে মোট ১৮কিলোমিটার খাল পুন:খনন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া এই অর্থবছরে আরও মোট ৯৪কিলোমিটার খাল পুন:খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিএডিসি। এই খাল খনন হলে চলনবিলে ১২হাজার ৮৫০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি ভু-উপরিস্ত পানি ব্যবহার করে সেচের আওতায় আসবে ১০হাজার হেক্টর জমি।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, চলনবিল অঞ্চলের মজা খালগুলো পুন:খনন করা হলে চলনবিল অঞ্চলের জমি গুলো জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাশাপাশি ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করে শুকনো মৌসুমে সেচ সংকট মেটাতে পারবে কৃষকরা। যেখালগুলো খনন করা হয়েছে, সেগুলো থেকে সুফল পেতে শুরু করেছে তারা।
চলনবিলের ডাহিয়া ইউনিয়নের কৃষক আবুল কালাম বলেন, প্রতি দশবছর পর পর চলনবিলে বন্যার পানিতে খালগুলো ভরাট হয়ে যায়। এতে করে মজা খালে পরিনত হয় খালগুলো। আর মজা খালগুলোতে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকার কারনে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে তারা। কিন্তু স্থানীয় বিএডিসি খালগুলো পুন:খনন কওে দেওয়ার কারনে গত দুই বছওে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েনি তারা। তাছাড়া শুকনো মৌসুমে খালের পানি ব্যবহার করে রবি-শষ্যে ফসল উৎপাদন করতে পারছে তারা।
সিংড়ার ইটালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম বলেন, শষ্য উৎপাদনের জন্য চলনবিলেকে খাদ্য ভান্ডার বলা হয়। আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর চেস্টায় চলনবিলের খালগুলো পুন:খনন করা হচ্ছে। এতে শষ্য উৎপাদন বাড়ছে।
বিএডিসি সিংড়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী শাহ কিবরিয়া মাহবুব তন্ময় বলেন, ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে চলনবিলে মোট ৮২কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। আমরা চলতি অর্থ বছওে আরও ৯৪কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। পূর্বেও খাল খননের কারনে ৬হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় এসেছে। নতুন করে খাল খনন হলে আরও ১০হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
এদিকে, ভু-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার কমিয়ে এনে ফসল উৎপাদনের জন্য ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। এজন্য চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের স্বল্প খরচে সমবায় ভিত্তিতে ২০২১-২২ অর্থ বছর থেকে দেওয়া হচ্ছে লো লিফট পাম্প (এলএলপি)। বর্তমানে মোট ২১টি স্থানে এই এলএলপি স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে এখন পর্যন্ত মোট ৬টি চালু করা হয়েছে। শিঘ্রই আরও ১৫টি চালু হবে। এতে করে চলনবিলের নদী এবং খালের পানি ব্যবহার করে ৫হাজার ৮১১ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে করে কমবে ফসল উৎপাদন খরচ।
বিএডিসি সিংড়া উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ইমরান বলেন, ভু-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের জন্য জোর দিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা চলনবিলের কৃষকদের সমবায় ভিত্তিতে এল এলপি স্থাপন করে দিচ্ছে। যার প্রতিটিতে খরচ পড়ছে ২৫লাখ টাকার মতো। এই ছাড়া ১২লাখ টাকা ব্যায়ে ১ হাজার মিটার ভুগর্ভস্থ পাইপ স্থাপন করা হচ্ছে। এতে করে সেচের পানি সরবরাহের পানি অপচয় হচ্ছে না। ফলে কৃষকদেও পাম্প পরিচালনা এবং ফসল উৎপাদন খরচ কমে আসছে।
চলনবিল জীববৈচিত্র রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, চলনবিল অঞ্চলে বেশি বেশি খাল পুন: খনন করা হলে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের ওপর জোর দিবে কৃষকরা। এতে করে কৃষকদের উৎপাদন খরচও কমে আসবে। পাশপাশি রির্জারভার তৈরী হবে ভুগর্ভস্থ পানি। এতে করে ঠিক থাকবে চলনবিলের পরিবেশ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, পানাসি প্রকল্পের মাধ্যমে চলনবিল অঞ্চলে গত ১২বছরে ১১৪কিলোমিটার খাল পুন:খনন করেছে বিএডিসি। এতে করে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনে চলনবিল অঞ্চলে খাল পুণ: খনন শেষ হলে সুফল পাবে সাধারণ কৃষকরা।