বাংলাদেশ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
পীরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে জুয়ারী সহ ১৩জন গ্রেফতার। সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে কুলসুম ধর্ষণ মামলার আসামী রনিকে গ্রেফতার। কুষ্টিয়ায় এক সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা বাবুগঞ্জে এসএসসি কৃতকার্য ছাত্রী ধর্ষিতা অবশেষে পুত্র সন্তানের মা হলেন চট্টগ্রামে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত তানোর পৌর বাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুজন রাঙ্গাবালীতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। বেলাল চেয়ারম্যানের ঈদ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা হত-দরিদ্রের মাঝে রাবি ছাত্রলীগের ইদ উপহার বিতরণ চট্টগ্রামে ঈদুল আজহা উপকরনে কিনতে ব্যস্থ কোরবানিরা প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম, তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে জুতা মারার হুমকি। উত্তরবঙ্গের টিকেট কালোবাজারি চক্রের প্রধান দুই সদস্য নুরুজ্জামান ও জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রংপুরের পীরগঞ্জে ইয়াবা, জুয়ারী,ও ওয়ারেন্টের আসামী সহ ৮জনকে আটক করে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনপ্রিয় নেতা এহসাম হাওলাদার

ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী’র ওপর স্বপনের নির্যাতন থামবে না । 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৭৪২ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী’র ওপর স্বপনের নির্যাতন থামবে না । 

মোঃ এনামুল হক ( খোকন) পাটওয়ারী চাঁদপুর জেলা–প্রতিনিধি
ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর দীর্ঘদিন যাবৎ নির্যাতন ও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বৈঠক, আদালতে মামলা, থানায় একাধিক অভিযোগ করার পরও অভিযুক্ত স্বপনের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছেন না প্রবাসীর স্ত্রী। কয়েকদিন পূর্বে বিজ্ঞ আদালত থেকে সমন জারি হলে শারীরিক নির্যাতনসহ প্রবাসীর ঘরে ভাংচুর করার অভিযোগও করেছেন প্রবাসীর স্ত্রী। নির্যাতন, ভাংচুর চালিয়ে উল্টো আমার নামে এমরান হোসেন স্বপন অভিযোগ প্রদান করেছেন থানায়- বলেছেন নাজমা বেগম।
ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী সারেং বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসীর পরিবারের সাথে অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপন (৩৫) কারণে অকারণে বিরোধ করছে বলে অভিযোগ। গ্রামের সারেং বাড়ির মোঃ খোকন মিজি দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে চাকরী করছেন। বাড়িতে তার স্ত্রী নাজমা বেগম (৩৫), ছেলে আশিকুর রহমান (১৭) ও মেয়ে রাবেয়া আক্তার মিম (১৫)কে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন।
একই  বাড়ির মৃত আবুল হোসেন মিজির ছেলে এমরান হোসেন স্বপন (৪৫)। সূত্র দাবী করেছে, অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপন ভূক্তভোগীর বাড়িতে কাজ করতেন। এ সুবাদে নাজমা বেগমের বাড়িতে কয়েক বছর যাবত এমরান হোসেন স্বপনের যাতায়াত রয়েছে। বাড়িতে কাজের সুযোগে আর্থিক অনটনের অজুহাতে স্বপন নানান সময়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা পয়সা হাওলাত চান। বারংবার আবদারের কারণে বিভিন্ন সময়ে নাজমা বেগম তাকে টাকা হওলাত দিয়েছেন। এরই মধ্যে, নাজমা বেগমকে কুপ্রস্তাবও দেন এমরান হোসেন- দাবী নাজমা বেগমের। নাজমা বেগম তাকে শাসালে নিবৃত থাকবেন বলে ওয়াদা করেন। কিন্তু, এক পর্যায়ে টাকার আবদার ও কুপ্রস্তাব বাড়তে থাকে। এতে, অপরাগতা প্রকাশ করলে স্বপনের পক্ষ থেকে নাজমা বেগমের ওপর নানান সময়ে দুর্বব্যহার, অশ্লীল-অশালীন আচরণ ও অত্যাচার চলতে থাকে।
ওইসব আচরণ বাড়ির ভেতরে ও রাস্তা-ঘাটে চলতে থাকে। এক পর্যায়ে, বাড়িতে ও রাস্তায় একাধিকবার শারীরিক নির্যাতনেরও শিকার হন নাজমা বেগম। তিনি বলেন, ২০২১ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০-এ ডিসেম্বর ও এ বছরের ১০-ই ফেব্রæয়ারি পর্যায়ক্রমে তিনটি অভিযোগ দায়ের করেন ফরিদগঞ্জ থানায়। অভিযোগ তদন্ত করে প্রমাণ সাপেক্ষে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ২৩-এ জানুয়ারি বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এছাড়া, নাজমা বগেমের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও অবরুদ্ধ থাকার ঘটনায় দু’বার ৯৯৯-এ কল দিলে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে। তিনি বিভিন্ন সময়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এছাড়াও, এমরান হোসেন স্বপনের নির্যাতনের শিকার হয়ে নাজমা বেগম চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।
নির্যাতনের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে নাজমা বেগম এলাকাবাসীর কাছেও বিচার প্রার্থনা করেন। এতে, গ্রামে একাধীকবার সালিস-দরবার হয়। কিন্তু, কোনো দরবারেই থামেনি এমরান হোসেনের নির্যাতন। নাজমা বেগম বলেন, ৯ই ফেব্রæয়রি বিজ্ঞ আদালত থেকে সমনজারি হলে ১০ই ফেব্রæয়ারি সকাল আনুমানিক ৯ ঘটিকায় বসতঘরে ঢুকে নাজমা বেগমকে মারধর করে ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তিনি কান্না করে বলেন, স্বপন এতোটাই বেপরোয়া যে, জামিনে এসে আমাকে মারধর ও ঘরে ভাংচুর চালিয়ে উল্টো ফরিদগঞ্জ থানায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। তদুপরি অশ্লীল বাক্য ব্যবহারে বলেছে, আমার নামে যতো মামলা দিবি ততবার পিটাবো। দেখি, তুই কতো পারিস।
নাজমা বেগম বলেন, ১০ই ফেব্রæয়ারি আমাকে পেটানোর পর ৯৯৯-এ কল দেই। এতে, থানা থেকে পুলিশ উপস্থিত হয়ে আমাকে উদ্ধার করেন ও চিকিৎসার সুযোগ করে দেন। চিকিৎসা নিয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগের তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নিতে এস.আই. আনোয়ার হোসেনকে হাওলা করেন থানার অফিসার ইনচার্জ। তিনি বলেন, এমরান হোসেন স্বপন এর ক্ষমতার উৎস কোথায়। আমি ও আমার পরিবার কেনো তার দ্বারা অপমান, অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। আমি বাড়িতে বসবাস করতে পারি না। কয়েকদিন পালিয়ে ছিলাম। আমি ন্যায় বিচার ও শন্তিতে বসবাস করতে চাই। বাধ্য হয়ে আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও অভিযোগ করেছিলাম।
উদ্ভুত ঘটনাবলীর বিষয়ে প্রতিবেশী লোকজনের সাথে কথা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রবাসীর পরিবারের ওপর এমন অত্যাচার, নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিৎ। তারা বলেন, এমরান হোসেন স্বপন কাউন্টার মামলা দিয়ে তাকে ভয় দেখাচ্ছে ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এভাবে বিচার বঞ্চিত হওয়ার ফলে এমরান হোসেন স্বপনের দুঃসাহস বেড়ে গেছে। তার পেছনে কে বা কারা খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
এ ব্যপারে মুঠোফোনে কথা হয় এমরান হোসেন স্বপনের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে অনেক কথা। সামনাসামনি বলবো। ফোনে বলা যাবে না। ‘নাজমা বেগম বিভিন্ন সময়ে থানায় কয়েকটি অভিযোগ দিয়েছেন, বিজ্ঞ আদালতেও মামলা বিচারাধীন’- এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “আমরাও অভিযোগ আছে”। এক পশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “না, এর আগে আমি কোনো অভিযোগ দেইনি। দুই পক্ষের অভিযোগ নিয়ে থানায় বৈঠক হবে। আপনাকে থানার পক্ষ থেকে দাওয়াত দিলাম। সেখানে আসলে বিস্তারিত জানতে পারবেন”। এস.আই আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, “এস.আই. বরকতের কাছে অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপনেরও একটি অভিযোগ আছে। তাছাড়া, বাদী নাজমা বেগম বলেছেন তারা আপোষ মিমাংসা করবেন। তাই, তদন্তের জন্য ওই বাড়িতে যাওয়া হয়নি”।
জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে জুয়ারী সহ ১৩জন গ্রেফতার।

ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী’র ওপর স্বপনের নির্যাতন থামবে না । 

আপডেট সময় ০৭:১৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২
মোঃ এনামুল হক ( খোকন) পাটওয়ারী চাঁদপুর জেলা–প্রতিনিধি
ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর দীর্ঘদিন যাবৎ নির্যাতন ও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বৈঠক, আদালতে মামলা, থানায় একাধিক অভিযোগ করার পরও অভিযুক্ত স্বপনের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছেন না প্রবাসীর স্ত্রী। কয়েকদিন পূর্বে বিজ্ঞ আদালত থেকে সমন জারি হলে শারীরিক নির্যাতনসহ প্রবাসীর ঘরে ভাংচুর করার অভিযোগও করেছেন প্রবাসীর স্ত্রী। নির্যাতন, ভাংচুর চালিয়ে উল্টো আমার নামে এমরান হোসেন স্বপন অভিযোগ প্রদান করেছেন থানায়- বলেছেন নাজমা বেগম।
ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী সারেং বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসীর পরিবারের সাথে অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপন (৩৫) কারণে অকারণে বিরোধ করছে বলে অভিযোগ। গ্রামের সারেং বাড়ির মোঃ খোকন মিজি দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে চাকরী করছেন। বাড়িতে তার স্ত্রী নাজমা বেগম (৩৫), ছেলে আশিকুর রহমান (১৭) ও মেয়ে রাবেয়া আক্তার মিম (১৫)কে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন।
একই  বাড়ির মৃত আবুল হোসেন মিজির ছেলে এমরান হোসেন স্বপন (৪৫)। সূত্র দাবী করেছে, অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপন ভূক্তভোগীর বাড়িতে কাজ করতেন। এ সুবাদে নাজমা বেগমের বাড়িতে কয়েক বছর যাবত এমরান হোসেন স্বপনের যাতায়াত রয়েছে। বাড়িতে কাজের সুযোগে আর্থিক অনটনের অজুহাতে স্বপন নানান সময়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা পয়সা হাওলাত চান। বারংবার আবদারের কারণে বিভিন্ন সময়ে নাজমা বেগম তাকে টাকা হওলাত দিয়েছেন। এরই মধ্যে, নাজমা বেগমকে কুপ্রস্তাবও দেন এমরান হোসেন- দাবী নাজমা বেগমের। নাজমা বেগম তাকে শাসালে নিবৃত থাকবেন বলে ওয়াদা করেন। কিন্তু, এক পর্যায়ে টাকার আবদার ও কুপ্রস্তাব বাড়তে থাকে। এতে, অপরাগতা প্রকাশ করলে স্বপনের পক্ষ থেকে নাজমা বেগমের ওপর নানান সময়ে দুর্বব্যহার, অশ্লীল-অশালীন আচরণ ও অত্যাচার চলতে থাকে।
ওইসব আচরণ বাড়ির ভেতরে ও রাস্তা-ঘাটে চলতে থাকে। এক পর্যায়ে, বাড়িতে ও রাস্তায় একাধিকবার শারীরিক নির্যাতনেরও শিকার হন নাজমা বেগম। তিনি বলেন, ২০২১ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০-এ ডিসেম্বর ও এ বছরের ১০-ই ফেব্রæয়ারি পর্যায়ক্রমে তিনটি অভিযোগ দায়ের করেন ফরিদগঞ্জ থানায়। অভিযোগ তদন্ত করে প্রমাণ সাপেক্ষে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ২৩-এ জানুয়ারি বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এছাড়া, নাজমা বগেমের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও অবরুদ্ধ থাকার ঘটনায় দু’বার ৯৯৯-এ কল দিলে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে। তিনি বিভিন্ন সময়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এছাড়াও, এমরান হোসেন স্বপনের নির্যাতনের শিকার হয়ে নাজমা বেগম চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।
নির্যাতনের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে নাজমা বেগম এলাকাবাসীর কাছেও বিচার প্রার্থনা করেন। এতে, গ্রামে একাধীকবার সালিস-দরবার হয়। কিন্তু, কোনো দরবারেই থামেনি এমরান হোসেনের নির্যাতন। নাজমা বেগম বলেন, ৯ই ফেব্রæয়রি বিজ্ঞ আদালত থেকে সমনজারি হলে ১০ই ফেব্রæয়ারি সকাল আনুমানিক ৯ ঘটিকায় বসতঘরে ঢুকে নাজমা বেগমকে মারধর করে ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তিনি কান্না করে বলেন, স্বপন এতোটাই বেপরোয়া যে, জামিনে এসে আমাকে মারধর ও ঘরে ভাংচুর চালিয়ে উল্টো ফরিদগঞ্জ থানায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। তদুপরি অশ্লীল বাক্য ব্যবহারে বলেছে, আমার নামে যতো মামলা দিবি ততবার পিটাবো। দেখি, তুই কতো পারিস।
নাজমা বেগম বলেন, ১০ই ফেব্রæয়ারি আমাকে পেটানোর পর ৯৯৯-এ কল দেই। এতে, থানা থেকে পুলিশ উপস্থিত হয়ে আমাকে উদ্ধার করেন ও চিকিৎসার সুযোগ করে দেন। চিকিৎসা নিয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযোগের তদন্তক্রমে ব্যবস্থা নিতে এস.আই. আনোয়ার হোসেনকে হাওলা করেন থানার অফিসার ইনচার্জ। তিনি বলেন, এমরান হোসেন স্বপন এর ক্ষমতার উৎস কোথায়। আমি ও আমার পরিবার কেনো তার দ্বারা অপমান, অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। আমি বাড়িতে বসবাস করতে পারি না। কয়েকদিন পালিয়ে ছিলাম। আমি ন্যায় বিচার ও শন্তিতে বসবাস করতে চাই। বাধ্য হয়ে আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও অভিযোগ করেছিলাম।
উদ্ভুত ঘটনাবলীর বিষয়ে প্রতিবেশী লোকজনের সাথে কথা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, প্রবাসীর পরিবারের ওপর এমন অত্যাচার, নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিৎ। তারা বলেন, এমরান হোসেন স্বপন কাউন্টার মামলা দিয়ে তাকে ভয় দেখাচ্ছে ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এভাবে বিচার বঞ্চিত হওয়ার ফলে এমরান হোসেন স্বপনের দুঃসাহস বেড়ে গেছে। তার পেছনে কে বা কারা খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
এ ব্যপারে মুঠোফোনে কথা হয় এমরান হোসেন স্বপনের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে অনেক কথা। সামনাসামনি বলবো। ফোনে বলা যাবে না। ‘নাজমা বেগম বিভিন্ন সময়ে থানায় কয়েকটি অভিযোগ দিয়েছেন, বিজ্ঞ আদালতেও মামলা বিচারাধীন’- এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “আমরাও অভিযোগ আছে”। এক পশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “না, এর আগে আমি কোনো অভিযোগ দেইনি। দুই পক্ষের অভিযোগ নিয়ে থানায় বৈঠক হবে। আপনাকে থানার পক্ষ থেকে দাওয়াত দিলাম। সেখানে আসলে বিস্তারিত জানতে পারবেন”। এস.আই আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, “এস.আই. বরকতের কাছে অভিযুক্ত এমরান হোসেন স্বপনেরও একটি অভিযোগ আছে। তাছাড়া, বাদী নাজমা বেগম বলেছেন তারা আপোষ মিমাংসা করবেন। তাই, তদন্তের জন্য ওই বাড়িতে যাওয়া হয়নি”।