বাংলাদেশ ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
জণগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং আজীবন থাকবো-অ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো দোকানের বাকির টাকা দিতে দেরি করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম, থানায় অভিযোগ।  সকল দলের মানুষের সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই- অধ্যক্ষ সইদুল হক  পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ঘোড়া মার্কার প্রার্থীকে জরিমানা রায়গঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জামরুল ফল বিদেশী মদসহ ০৩ জন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সরকারের অনিচ্ছাতেই উচ্চ শিক্ষায় স্বদেশি ভাষা চালু হয়নি: ড. সলিমুল্লাহ খান রাজশাহীতে ৩০ ছাত্রকে বলাৎকার করে ভিডিও ধারণ করেন শিক্ষক ওয়াকেল ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে জেলা আওয়ামী রাজনীতিতে বিভক্তি হওয়ার আশঙ্কা রাজশাহীর পুঠিয়ায় তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সম্পদশালী মাসুদ পুঠিয়া উপজেলায় নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের কার সম্পদ কত? রাজশাহী মহানগরীতে চেকপোস্টে দুই পুলিশ পিটিয়ে আহত! দুইভাই আটক কাউনিয়ায় লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট এর সভা অনুষ্ঠিত ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার আসামী নাজিবুল ইসলাম নাজিমকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। উল্লাপাড়ায় সড়ক দূর্ঘনায় ১ জনের মৃত্যু 

যশোরে সরকারি গুদামে বোরো ধান বিক্রিতে কৃষকের অনিহা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২
  • ১৬৮৫ বার পড়া হয়েছে

যশোরে সরকারি গুদামে বোরো ধান বিক্রিতে কৃষকের অনিহা

প্রিয়ব্রত ধর, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরে এ বছর বোরো ধান চাল সংগ্রহ অভিযান মুখ থুবড়ে পড়েছে। সরকারি মূল্য ও বাজার মূল্য প্রায় সমান্ত্রালে অবস্থান করায় এ অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, সরকারি গুদামে এ বছর ধানের ম্যূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮০ টাকা মণ আর চাল ৪০ টাকা কেজি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা ধান ৯শ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর চালের মূল্য কেজি প্রতি ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে নানা রকম ঝামেলা পোহাতে হয়। বাজার মূল্য ভাল থাকায় কৃষকেরা গুদামে ধান বিক্রি করছে কম।
এ বছর যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৭২৮ মে.টন আর চাল ২৬ হাজার ৭৪৪ মে.টন। গত ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব করে দেখা যায় এ পর্যন্ত লক্ষমাত্রা অর্জণ হয়েছে মাত্র ৮.৮৪ শতাংশ। মে মাসে শুরু হয়েছে সংগ্রহ অভিযার আর ৩১ আগষ্ট পয়র্ন্ত অভিযান তা চলবে।
বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা ৩ হাজার ১৩৮ মে.টন, চাল ৬ হাজার ২৫৫ মে.টন,অর্জিত হয়েছে ধান ১৬০ মে.টন ও চাল ৪ হাজার ৩৯.৪৭০ মে.টন। মনিরামপুর উপজেলায় ধানের লক্ষ মাত্রা ৩ হাজার ৮৯২ মে.টন, চাল ২ হাজার ৫২৫ মে.টন অর্জিত হয়েছে ধান শূন্য এবং চাল ১ হাজার ১৫২ মে.টন। কেশবপুরে লক্ষমাত্রা ধান ১ হাজার ৩৬০ মে.টন চাল ১ হাজার ১৬ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ৪২০ মে.টন আর চাল ৩৭০ মে.টন।
ঝিকোরগাছা লক্ষমাত্রা ধান ২ হাজার ৭১৫ মে.টন চাল ১ হাজার ৬০৮ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ৪০৫ মে.টন ও চাল ২ হাজার ৩৪২ মে. টন। শার্সায় লক্ষমাত্রা ধান ৩ হাজার ৩২৫ টন, চাল ৬ হাজার ১৭১ টন, অর্জিত হয়েছে ধান ২১৯ মে.টন চাল ২ হাজার ৩৪২ মে.টন। চৌগাছা লক্ষমাত্রা ধান ২ হাজার ৪৭১ মে.টন চাল ১ হাজার ৬৩১ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ২৪৭ মে.টন চাল ১ হাজার ৮ মে.টন। বাঘারপাড়ায় লক্ষমাত্রা ধান ১ হাজার ৯৭৫ মে.টন চাল ৩২৬ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ১২৬ মে.টন আর চাল ১২৬ মে.টন। অভয়নগরে ধানের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৫২ মে.টন আর চাল ৭ হাজার ২১০ মে.টন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ড বলেন, ধানের বাজার মূল্য ও গুদাম মূল্য প্রায় সমান যে কারনে কৃষকেরা গুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহ হারাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ অবস্থায় ধান সংগ্রহের পুরোপুরি লক্ষমাত্রা অর্জিত হবেনা। ৫০ শতাংশ অর্জিত হতে পারে। তবে চালের লক্ষমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত হবে।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

জণগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং আজীবন থাকবো-অ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো

যশোরে সরকারি গুদামে বোরো ধান বিক্রিতে কৃষকের অনিহা

আপডেট সময় ০৭:৫০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

প্রিয়ব্রত ধর, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরে এ বছর বোরো ধান চাল সংগ্রহ অভিযান মুখ থুবড়ে পড়েছে। সরকারি মূল্য ও বাজার মূল্য প্রায় সমান্ত্রালে অবস্থান করায় এ অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, সরকারি গুদামে এ বছর ধানের ম্যূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮০ টাকা মণ আর চাল ৪০ টাকা কেজি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা ধান ৯শ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর চালের মূল্য কেজি প্রতি ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে নানা রকম ঝামেলা পোহাতে হয়। বাজার মূল্য ভাল থাকায় কৃষকেরা গুদামে ধান বিক্রি করছে কম।
এ বছর যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৭২৮ মে.টন আর চাল ২৬ হাজার ৭৪৪ মে.টন। গত ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব করে দেখা যায় এ পর্যন্ত লক্ষমাত্রা অর্জণ হয়েছে মাত্র ৮.৮৪ শতাংশ। মে মাসে শুরু হয়েছে সংগ্রহ অভিযার আর ৩১ আগষ্ট পয়র্ন্ত অভিযান তা চলবে।
বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা ৩ হাজার ১৩৮ মে.টন, চাল ৬ হাজার ২৫৫ মে.টন,অর্জিত হয়েছে ধান ১৬০ মে.টন ও চাল ৪ হাজার ৩৯.৪৭০ মে.টন। মনিরামপুর উপজেলায় ধানের লক্ষ মাত্রা ৩ হাজার ৮৯২ মে.টন, চাল ২ হাজার ৫২৫ মে.টন অর্জিত হয়েছে ধান শূন্য এবং চাল ১ হাজার ১৫২ মে.টন। কেশবপুরে লক্ষমাত্রা ধান ১ হাজার ৩৬০ মে.টন চাল ১ হাজার ১৬ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ৪২০ মে.টন আর চাল ৩৭০ মে.টন।
ঝিকোরগাছা লক্ষমাত্রা ধান ২ হাজার ৭১৫ মে.টন চাল ১ হাজার ৬০৮ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ৪০৫ মে.টন ও চাল ২ হাজার ৩৪২ মে. টন। শার্সায় লক্ষমাত্রা ধান ৩ হাজার ৩২৫ টন, চাল ৬ হাজার ১৭১ টন, অর্জিত হয়েছে ধান ২১৯ মে.টন চাল ২ হাজার ৩৪২ মে.টন। চৌগাছা লক্ষমাত্রা ধান ২ হাজার ৪৭১ মে.টন চাল ১ হাজার ৬৩১ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ২৪৭ মে.টন চাল ১ হাজার ৮ মে.টন। বাঘারপাড়ায় লক্ষমাত্রা ধান ১ হাজার ৯৭৫ মে.টন চাল ৩২৬ মে.টন, অর্জিত হয়েছে ধান ১২৬ মে.টন আর চাল ১২৬ মে.টন। অভয়নগরে ধানের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৫২ মে.টন আর চাল ৭ হাজার ২১০ মে.টন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ড বলেন, ধানের বাজার মূল্য ও গুদাম মূল্য প্রায় সমান যে কারনে কৃষকেরা গুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহ হারাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ অবস্থায় ধান সংগ্রহের পুরোপুরি লক্ষমাত্রা অর্জিত হবেনা। ৫০ শতাংশ অর্জিত হতে পারে। তবে চালের লক্ষমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত হবে।