ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জুন ২০২৩, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, যোগাযোগ: মোবাইল : 01712-446306, 01999-953970
ব্রেকিং নিউজ ::
নিয়ন্ত্রণহীন কাভার্ডভ্যানে প্রাণ গেলো মা-মেয়ের ইউনূসের প্ররোচনায় আমেরিকা স্যাংশন দিয়েছে: শিক্ষা উপমন্ত্রী  ভাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বোন’কে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রধান ০৩ আসামীদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। ভারত এখন আ.লীগের প্রতি প্রসন্ন না: হাসনা মওদুদ রামগঞ্জে ধর্ষণের দায়ে যুবক কারাগারে  ইন্দুরকানীতে বিদ্যুৎ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার ছাত্রর মৃত্যু শাহাজাদী বেগমের হত্যা মামলার আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে, প্রশাসন নিরব!  খানসামায় প্রাথমিক শিক্ষা কমিটি গঠনে নানান অভিযোগ রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ রক্ষায় ৬৫ দিনের অবরোধে ২৩৯৩ জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ উলিপুরে ফুল মিয়া হত্যাকান্ডে জড়িতদের ফাঁসির দাবীবে মানববন্ধন নওগাঁর বদলগাছীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক মসলা দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা প্রতিকৃতি সরিয়ে মেয়রের রক্ষা!  পাথরঘাটায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ। নোয়াখালীতে বিস্ফোরক মামলায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গ্রেফতার

পিরোজপুরে ওএমএস এর গম ভাঙানোতে বিভিন্ন অভিযোগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৬৪৯ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরে ওএমএস এর গম ভাঙানোতে বিভিন্ন অভিযোগ

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভিডিও প্রতিযোগিতা: বিস্তারিত ফেইসবুক পেইজে

গাজী এনামুল হক (লিটন) স্টাফ রিপোর্টারঃ
নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে গম ভাঙিয়ে তা থেকে উৎপাদিত আটা স্থানীয় ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা। তবে বরাদ্ধ পাওয়ার পর সেই গম স্থানীয়ভাবে না ভাঙিয়ে পাঠানো হয় খুলনায়। আর সে আটা পুনরায় ফিরে না এসে বিক্রি করা হয় কালোবাজারে। এছাড়া আটা উৎপাদনের জন্য সরকারের দেওয়া নিয়মেরও কোন তোয়াক্কা করা হয় না। এতে করে সরকারের প্রদত্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তবে এদিকে নজর নাই সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের।
সাধারণ মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে আটা বিক্রির লক্ষ্যে পিরোজপুর সদর এলএসডি থেকে গত ২০ জানুয়ারি পিরোজপুরের তিনটি মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া হয় ১৬৯ মে. টন গম। এর মধ্যে মেসার্স ভাই ভাই ফ্লাওয়ার মিলকে ৮ মে. টন, মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিলকে ৮১ মে. টন এবং মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে ৮০ মে. টন গম বরাদ্ধ দেওয়া হয়। এর পর ৮ ফেব্রুয়ারি ওএমএস এর বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় এই তিনটি মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া হয় ১৭১ মে. টন গম যার প্রায় ১৪৮ মে. টন দেওয়া হয় নতুন তৈরি করা মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিল এবং মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে যা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টস এর মালিক আসলাম হাওলাদার। আসলামের খুলনাতেও একাধিক মিল রয়েছে। এছাড়া দুইটি মিলের দায়িত্বেও রয়েছেন একজন ম্যানেজার। অভিযোগ রয়েছে পিরোজপুর থেকে উত্তোলনকৃত গম তিনি খুলনায় নিয়ে ভাঙান এবং সেগুলো পিরোজপুরে না এনে খুলনাতেই বিক্রি করেন।
সম্প্রতি চালু করা এ মিলটি পুরোপুরি নির্মান কাজ শেষ না করেই তাড়াহুড়ো করে চালু দেওয়া হয়েছে। সেখানে আদৌ ওএমএস এর কোন গম ভাঙানো হয় কিনা তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এছাড়া খুলনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সংস্থার জন্য বরাদ্ধকৃত গম ভাঙানোর কাজে জড়িত থাকায় তার এ মিলটিতে খাদ্য বিভাগের নাই কোন নজরদারি। শুধু তাই নয়। নিয়ম অনুযায়ী উৎপাদনকৃত আটার বস্তায় মিলের নাম ও সরবরাহের তারিখ উল্লেখের বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এর কোনটিই মানা হয় না সেখানে। এছাড়া পরিষ্কার পরিবেশে আটা উৎপাদনের শর্তও উপেক্ষিত মিলগুলোতে। এ অনিয়মের কারণে সহজেই সাধারণ মানুষকে আটা বিতরণ না করে কালো বাজারে পাচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তবে মিল পরিচালনার সাথে জড়িতদের দাবি সঠিকভাবেই প্রাপ্ত গম থেকে তারা আটা উৎপাদন করে ওএমএস ডিলারদের কাছে দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে মালিক আসলাম হাওলদার জানান, নতুন করে মিল চালু করায় পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটির হতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান তিনি।
মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিলের মালিক ফারুক হোসেন জানান, আমাদের খুলনায় মিল আছে আমরা সাধারণত খুলনা থেকেই বরাদ্দ পেতাম। বর্তমানে পিরোজপুরে মিল নতুন চালু করায় বস্তায় লোগোর ছাতা আগামী মাস থেকে দিবো।
পিরোজপুরের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মশিয়ার রহমান এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিল দুইটির বিষয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে স্বীকার করেন। তদন্ত করে দেখার কথা বলেন তিনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়ন্ত্রণহীন কাভার্ডভ্যানে প্রাণ গেলো মা-মেয়ের

পিরোজপুরে ওএমএস এর গম ভাঙানোতে বিভিন্ন অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
গাজী এনামুল হক (লিটন) স্টাফ রিপোর্টারঃ
নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে গম ভাঙিয়ে তা থেকে উৎপাদিত আটা স্থানীয় ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা। তবে বরাদ্ধ পাওয়ার পর সেই গম স্থানীয়ভাবে না ভাঙিয়ে পাঠানো হয় খুলনায়। আর সে আটা পুনরায় ফিরে না এসে বিক্রি করা হয় কালোবাজারে। এছাড়া আটা উৎপাদনের জন্য সরকারের দেওয়া নিয়মেরও কোন তোয়াক্কা করা হয় না। এতে করে সরকারের প্রদত্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তবে এদিকে নজর নাই সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের।
সাধারণ মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে আটা বিক্রির লক্ষ্যে পিরোজপুর সদর এলএসডি থেকে গত ২০ জানুয়ারি পিরোজপুরের তিনটি মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া হয় ১৬৯ মে. টন গম। এর মধ্যে মেসার্স ভাই ভাই ফ্লাওয়ার মিলকে ৮ মে. টন, মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিলকে ৮১ মে. টন এবং মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে ৮০ মে. টন গম বরাদ্ধ দেওয়া হয়। এর পর ৮ ফেব্রুয়ারি ওএমএস এর বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় এই তিনটি মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া হয় ১৭১ মে. টন গম যার প্রায় ১৪৮ মে. টন দেওয়া হয় নতুন তৈরি করা মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিল এবং মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে যা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টস এর মালিক আসলাম হাওলাদার। আসলামের খুলনাতেও একাধিক মিল রয়েছে। এছাড়া দুইটি মিলের দায়িত্বেও রয়েছেন একজন ম্যানেজার। অভিযোগ রয়েছে পিরোজপুর থেকে উত্তোলনকৃত গম তিনি খুলনায় নিয়ে ভাঙান এবং সেগুলো পিরোজপুরে না এনে খুলনাতেই বিক্রি করেন।
সম্প্রতি চালু করা এ মিলটি পুরোপুরি নির্মান কাজ শেষ না করেই তাড়াহুড়ো করে চালু দেওয়া হয়েছে। সেখানে আদৌ ওএমএস এর কোন গম ভাঙানো হয় কিনা তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এছাড়া খুলনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সংস্থার জন্য বরাদ্ধকৃত গম ভাঙানোর কাজে জড়িত থাকায় তার এ মিলটিতে খাদ্য বিভাগের নাই কোন নজরদারি। শুধু তাই নয়। নিয়ম অনুযায়ী উৎপাদনকৃত আটার বস্তায় মিলের নাম ও সরবরাহের তারিখ উল্লেখের বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এর কোনটিই মানা হয় না সেখানে। এছাড়া পরিষ্কার পরিবেশে আটা উৎপাদনের শর্তও উপেক্ষিত মিলগুলোতে। এ অনিয়মের কারণে সহজেই সাধারণ মানুষকে আটা বিতরণ না করে কালো বাজারে পাচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তবে মিল পরিচালনার সাথে জড়িতদের দাবি সঠিকভাবেই প্রাপ্ত গম থেকে তারা আটা উৎপাদন করে ওএমএস ডিলারদের কাছে দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে মেসার্স হাওলাদার ফুড প্রোডাক্টসকে মালিক আসলাম হাওলদার জানান, নতুন করে মিল চালু করায় পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটির হতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান তিনি।
মেসার্স মুনস্টার ফ্লাওয়ার মিলের মালিক ফারুক হোসেন জানান, আমাদের খুলনায় মিল আছে আমরা সাধারণত খুলনা থেকেই বরাদ্দ পেতাম। বর্তমানে পিরোজপুরে মিল নতুন চালু করায় বস্তায় লোগোর ছাতা আগামী মাস থেকে দিবো।
পিরোজপুরের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মশিয়ার রহমান এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিল দুইটির বিষয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে স্বীকার করেন। তদন্ত করে দেখার কথা বলেন তিনি।