বাংলাদেশ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফেরামের কার্যালয় উদ্বোধন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী পৌরসভার ১০ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, সারারাত জ্বলে কোম্পানির বিলবোর্ড। বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু’র শুভেচ্ছা বিনিময় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা  ইউএস অ্যাগ্রিমেন্টে অ্যাপস প্রতারণায় রাজশাহীতে ১০ মামলা নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বেতন ভাতা ও ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়নের জন্য জনসভা আরএমপি’র কমিশনারসহ ৬ পুলিশ সদস্য পেলেন বিপিএম-পিপিএম পদক রাজশাহীতে প্রতিবছর বাড়ছে পেঁয়াজ বীজের চাষ এসএসসি ’৯৪ ব্যাচের প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণানুষ্ঠান হত্যা মামলার দীর্ঘ ২৩ বছর যাবত পলাতক আসামী নজরুল মাঝি গ্রেফতার।  আমতলীতে গরুসহ চোর গ্রেপ্তার অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গাবালী, হতে পারে পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু। বুড়িচংয়ে বিল্লাল হোসেন ঠিকাদার ডাবল হোল্ডা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রায়গঞ্জে এনডিপির উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকা ছড়ানোর তুলে এক নারী মেয়র প্রার্থীর প্রার্থীতা প্রত্যাহার

ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনে করণীয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২
  • ১৭২৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনে করণীয়

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু পঞ্চগড় প্রতিনিধি 
ইসলাম হচ্ছে সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এমন কোনো বিষয় নেই, যার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে নেই।
হজরত নবী করিম (সা.) আল্লাহতায়ালার নির্দেশনা অনুসারে আমাদের জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলোর বাস্তব নমুনা পেশ করেছেন। যেমন পবিত্র কোরআনে কারিমে বর্ণিত একটি সূরা হচ্ছে ‘আল ফাতহ’ অর্থ বিজয়।
আরেকটি সূরার নাম ‘আন নাসর’ অর্থ মুক্তি ও সাহায্য।
সূরা নাসরের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের বিজয় উৎসব করার নিয়ম বাতলে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসবে, তখন মানুষদের তুমি দেখবে, তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। অতঃপর তুমি তোমার মালিকের প্রশংসা কর এবং তার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা কর; অবশ্যই তিনি তওবা কবুলকারী। ’ -সূরা নাসর: ১-৩
এই সূরায় আল্লাহতায়ালা বিজয় অর্জনের পর দুটি কাজ করতে বলেছেন।
এক. বিজয় অর্জিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে তার দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করা।
দুই. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আসলে স্বাধীন হওয়ার চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই। এ কারণেই আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিলেন, ‘তোমরা বিজয় লাভ করেছ, এখন তোমাদের কাজ হচ্ছে এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে কিংবা তাসবিহ পাঠ করে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বিজয়ের দিনে যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেসব শহীদের জন্য দোয়া করা। সেই সঙ্গে তাদের শাহাদাত থেকে নতুন করে শপথ নেয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার, বাতিলের কাছে মাথা নত না করার এবং অন্যের কাছে নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে না দেয়ার। ’
আমরা মুসলমান। তাই বিজয় উৎসব করতে গিয়ে আল্লাহকে ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে আল্লাহ আমাদের বিজয় দান করেছেন, এটা আল্লাহর অপার অনুগ্রহ।
অষ্টম হিজরিতে ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয় করেন এবং মক্কার কুরাইশদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। নবী (সা.) বিজয়ের দিন শোকরিয়াস্বরূপ আট রাকাত নামাজ আদায় করেছিলেন।
আজ  26 মার্চ। আমাদের বিজয়ের দিন। এ দিনে আমরাও সাধ্যমতো নফল নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করতে পারি। সেই সঙ্গে কোরআনে কারিম তেলাওয়াত ও দান-খয়রাত ইত্যাদির মতো ভালো কিছু কাজ করতে পারি, যা যুদ্ধকালীন শহীদসহ অন্যদের উপকারে আসে, তাদের নাজাতের উসিলা হয়। আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনের তওফিক দান করুন। আমিন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফেরামের কার্যালয় উদ্বোধন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনে করণীয়

আপডেট সময় ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু পঞ্চগড় প্রতিনিধি 
ইসলাম হচ্ছে সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এমন কোনো বিষয় নেই, যার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে নেই।
হজরত নবী করিম (সা.) আল্লাহতায়ালার নির্দেশনা অনুসারে আমাদের জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলোর বাস্তব নমুনা পেশ করেছেন। যেমন পবিত্র কোরআনে কারিমে বর্ণিত একটি সূরা হচ্ছে ‘আল ফাতহ’ অর্থ বিজয়।
আরেকটি সূরার নাম ‘আন নাসর’ অর্থ মুক্তি ও সাহায্য।
সূরা নাসরের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের বিজয় উৎসব করার নিয়ম বাতলে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসবে, তখন মানুষদের তুমি দেখবে, তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। অতঃপর তুমি তোমার মালিকের প্রশংসা কর এবং তার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা কর; অবশ্যই তিনি তওবা কবুলকারী। ’ -সূরা নাসর: ১-৩
এই সূরায় আল্লাহতায়ালা বিজয় অর্জনের পর দুটি কাজ করতে বলেছেন।
এক. বিজয় অর্জিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে তার দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করা।
দুই. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আসলে স্বাধীন হওয়ার চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই। এ কারণেই আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিলেন, ‘তোমরা বিজয় লাভ করেছ, এখন তোমাদের কাজ হচ্ছে এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে কিংবা তাসবিহ পাঠ করে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বিজয়ের দিনে যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেসব শহীদের জন্য দোয়া করা। সেই সঙ্গে তাদের শাহাদাত থেকে নতুন করে শপথ নেয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার, বাতিলের কাছে মাথা নত না করার এবং অন্যের কাছে নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে না দেয়ার। ’
আমরা মুসলমান। তাই বিজয় উৎসব করতে গিয়ে আল্লাহকে ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে আল্লাহ আমাদের বিজয় দান করেছেন, এটা আল্লাহর অপার অনুগ্রহ।
অষ্টম হিজরিতে ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয় করেন এবং মক্কার কুরাইশদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। নবী (সা.) বিজয়ের দিন শোকরিয়াস্বরূপ আট রাকাত নামাজ আদায় করেছিলেন।
আজ  26 মার্চ। আমাদের বিজয়ের দিন। এ দিনে আমরাও সাধ্যমতো নফল নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করতে পারি। সেই সঙ্গে কোরআনে কারিম তেলাওয়াত ও দান-খয়রাত ইত্যাদির মতো ভালো কিছু কাজ করতে পারি, যা যুদ্ধকালীন শহীদসহ অন্যদের উপকারে আসে, তাদের নাজাতের উসিলা হয়। আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনের তওফিক দান করুন। আমিন।