বাংলাদেশ ০৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
রাবিতে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তঃক্লাব নারী বিতর্ক উৎসব ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ১। চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের আশা করছেন রায়গঞ্জের কৃষকেরা রক্তদানের মাধ্যমে টিউমার রোগীর অপারেশনে সহায়তা করলেন শিক্ষার্থী দেবাশীষ॥ ফুলবাড়ীর বারোকোন গ্রামে ক্রয়কৃত জমির প্রতিপক্ষের গাছ কর্তন।  গলাচিপায় এক সন্তানের জননীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধর সিংগাইরে আল ইহসান সমবায় সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রাহকদের লাখ লাখ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ সালথার জয়ঝাফ উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা । ত্রিশাল পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রচারণায় ব্যস্ত মেয়র প্রার্থী আমিন সরকার  পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ছিল নানান আয়োজন, আজ বেশিভাগ ধর্মপ্রাণ মানুষেরা রোজা রেখেছেন ভর্তি পরীক্ষা : গুচ্ছভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সময় বাড়ল মোটরসাইকেলের জন্য ওয়ার্কসপ কর্মচারী নাহিদকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫। কাউনিয়ায় দৈনিক যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  কাউখালীতে অটো টেম্পু মালিক সমিতির সদস্যর মৃত্যুতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত। মধ্যপাড়া খনিজ শিল্পাঞ্চলে যুব সংঘের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তীমূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা 

ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনে করণীয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২
  • ২১৬৮ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু পঞ্চগড় প্রতিনিধি 
ইসলাম হচ্ছে সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এমন কোনো বিষয় নেই, যার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে নেই।
হজরত নবী করিম (সা.) আল্লাহতায়ালার নির্দেশনা অনুসারে আমাদের জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলোর বাস্তব নমুনা পেশ করেছেন। যেমন পবিত্র কোরআনে কারিমে বর্ণিত একটি সূরা হচ্ছে ‘আল ফাতহ’ অর্থ বিজয়।
আরেকটি সূরার নাম ‘আন নাসর’ অর্থ মুক্তি ও সাহায্য। সূরা নাসরের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের বিজয় উৎসব করার নিয়ম বাতলে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসবে, তখন মানুষদের তুমি দেখবে, তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। অতঃপর তুমি তোমার মালিকের প্রশংসা কর এবং তার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা কর; অবশ্যই তিনি তওবা কবুলকারী। ’ -সূরা নাসর: ১-৩
এই সূরায় আল্লাহতায়ালা বিজয় অর্জনের পর দুটি কাজ করতে বলেছেন। এক. বিজয় অর্জিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে তার দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করা। দুই. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আসলে স্বাধীন হওয়ার চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই। এ কারণেই আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিলেন, ‘তোমরা বিজয় লাভ করেছ, এখন তোমাদের কাজ হচ্ছে এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে কিংবা তাসবিহ পাঠ করে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বিজয়ের দিনে যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেসব শহীদের জন্য দোয়া করা। সেই সঙ্গে তাদের শাহাদাত থেকে নতুন করে শপথ নেয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার, বাতিলের কাছে মাথা নত না করার এবং অন্যের কাছে নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে না দেয়ার। ’
আমরা মুসলমান। তাই বিজয় উৎসব করতে গিয়ে আল্লাহকে ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে আল্লাহ আমাদের বিজয় দান করেছেন, এটা আল্লাহর অপার অনুগ্রহ।
অষ্টম হিজরিতে ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয় করেন এবং মক্কার কুরাইশদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। নবী (সা.) বিজয়ের দিন শোকরিয়াস্বরূপ আট রাকাত নামাজ আদায় করেছিলেন।
আজ  26 মার্চ। আমাদের বিজয়ের দিন। এ দিনে আমরাও সাধ্যমতো নফল নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করতে পারি। সেই সঙ্গে কোরআনে কারিম তেলাওয়াত ও দান-খয়রাত ইত্যাদির মতো ভালো কিছু কাজ করতে পারি, যা যুদ্ধকালীন শহীদসহ অন্যদের উপকারে আসে, তাদের নাজাতের উসিলা হয়। আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনের তওফিক দান করুন। আমিন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রাবিতে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তঃক্লাব নারী বিতর্ক উৎসব

ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনে করণীয়

আপডেট সময় ১২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুকিম রাজু পঞ্চগড় প্রতিনিধি 
ইসলাম হচ্ছে সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এমন কোনো বিষয় নেই, যার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে নেই।
হজরত নবী করিম (সা.) আল্লাহতায়ালার নির্দেশনা অনুসারে আমাদের জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলোর বাস্তব নমুনা পেশ করেছেন। যেমন পবিত্র কোরআনে কারিমে বর্ণিত একটি সূরা হচ্ছে ‘আল ফাতহ’ অর্থ বিজয়।
আরেকটি সূরার নাম ‘আন নাসর’ অর্থ মুক্তি ও সাহায্য। সূরা নাসরের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের বিজয় উৎসব করার নিয়ম বাতলে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসবে, তখন মানুষদের তুমি দেখবে, তারা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। অতঃপর তুমি তোমার মালিকের প্রশংসা কর এবং তার কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা কর; অবশ্যই তিনি তওবা কবুলকারী। ’ -সূরা নাসর: ১-৩
এই সূরায় আল্লাহতায়ালা বিজয় অর্জনের পর দুটি কাজ করতে বলেছেন। এক. বিজয় অর্জিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে তার দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করা। দুই. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আসলে স্বাধীন হওয়ার চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই। এ কারণেই আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিলেন, ‘তোমরা বিজয় লাভ করেছ, এখন তোমাদের কাজ হচ্ছে এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে কিংবা তাসবিহ পাঠ করে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বিজয়ের দিনে যারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, সেসব শহীদের জন্য দোয়া করা। সেই সঙ্গে তাদের শাহাদাত থেকে নতুন করে শপথ নেয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার, বাতিলের কাছে মাথা নত না করার এবং অন্যের কাছে নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে না দেয়ার। ’
আমরা মুসলমান। তাই বিজয় উৎসব করতে গিয়ে আল্লাহকে ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে আল্লাহ আমাদের বিজয় দান করেছেন, এটা আল্লাহর অপার অনুগ্রহ।
অষ্টম হিজরিতে ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয় করেন এবং মক্কার কুরাইশদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। নবী (সা.) বিজয়ের দিন শোকরিয়াস্বরূপ আট রাকাত নামাজ আদায় করেছিলেন।
আজ  26 মার্চ। আমাদের বিজয়ের দিন। এ দিনে আমরাও সাধ্যমতো নফল নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করতে পারি। সেই সঙ্গে কোরআনে কারিম তেলাওয়াত ও দান-খয়রাত ইত্যাদির মতো ভালো কিছু কাজ করতে পারি, যা যুদ্ধকালীন শহীদসহ অন্যদের উপকারে আসে, তাদের নাজাতের উসিলা হয়। আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ইসলাম মতে বিজয় উদযাপনের তওফিক দান করুন। আমিন।