বাংলাদেশ ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
চট্টগ্রামে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত তানোর পৌর বাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুজন রাঙ্গাবালীতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা। বেলাল চেয়ারম্যানের ঈদ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা হত-দরিদ্রের মাঝে রাবি ছাত্রলীগের ইদ উপহার বিতরণ চট্টগ্রামে ঈদুল আজহা উপকরনে কিনতে ব্যস্থ কোরবানিরা প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম, তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে জুতা মারার হুমকি। উত্তরবঙ্গের টিকেট কালোবাজারি চক্রের প্রধান দুই সদস্য নুরুজ্জামান ও জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রংপুরের পীরগঞ্জে ইয়াবা, জুয়ারী,ও ওয়ারেন্টের আসামী সহ ৮জনকে আটক করে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনপ্রিয় নেতা এহসাম হাওলাদার শাহজাদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোরিক্সা চালকের মৃত্যু পঞ্চগড়ে নিখোঁজের একদিন পর পকুরে মিললো কলেজ ছাত্রীর লাশ ভান্ডারিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সমাজ সেবক মিঠু মিয়া বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
মিঠাপুকুরে কবরস্থানে জমি দান করার পর দাফনে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ 

মিঠাপুকুরে কবরস্থানে জমি দান করার পর দাফনে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

মিঠাপুকুরে কবরস্থানে জমি দান করার পর দাফনে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ 

 

রুবেল হোসাইন (সংগ্রাম) মিঠাপুকুর উপজেলা-
মিঠাপুকুর উপজেলার ০৩ নং-পায়রাবন্দ ইউনিয়নের অভিরামনুরপুর সামাজিক কবরস্থানে জমি দান করার পর, কবরস্থান কমিটিকে হয়রানি এবং দাফন কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ঐ-কর্মকর্তার নাম আলহাজ্ব আব্দুল জলিল।
এলাকাবাসী জানান, অভিরামনুরপুর গ্রামে পূর্বে কোন কবস্হান ছিলোনা। কবরস্থান না থাকায় কেউ মারা গেলে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন বা প্রভাবশালীদের জমিতে অনুরোধ করে কবরস্থ করা লাগতো। বিভিন্ন সময়ে একটি কবরস্থানের দাবি ছিলো দাতা এবং সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের কাছে গ্রামের ভূমিহীনদের।
কিছু তরুন এবং যুবকদের প্রচেষ্টায় ঐ-গ্রামে একটি কবরস্থানের উদ্যোগ নিলে একই গ্রামের শহরে বসবাসরত সাবেক সরকারি কর্মকর্তা আব্দুল জলিল তার নিজ-নামীয় ১৬ শতাংশ জমি কবরস্থানে দান করার প্রস্তাব রাখেন। মসজিদ কমিটি, মুরুব্বি, ঈমাম সবাই আলোচনা করে গ্রাম থেকে প্রতি বাড়িতে চাঁদা তুলে কবরস্থানের জন্য শর্তবিহীন জমিটি ১,৫০,০০০ হাজার টাকায় দানপত্র কবলা দলিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
মসজিদ কমিটি, কবরস্থান কমিটি, দাতার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪ জুন ২০১৮ সালে ৬৩৫০ দলিল মূলে অভিরামনুরপুর মৌজায় ১৬ শতাংশ জমি আব্দুল জলিল অভিরামনুরপুর সামাজিক কবরস্থানের নামে কবলা করে দেন।
জমি কবলা হবার পর কবরস্থান কমিটি নিচু জমি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ করেন, ইতিমধ্যে সেখানে এলাবাসী কয়েকটি মরদেহ দাফন করেন। কিন্তু একটি আত্মহত্যার মরদেহ দাফন করতে গেলে বাঁধা দেন জমিদাতার স্বজনরা। এরপর থেকে শুরু হয় জমিদাতা আব্দুল জলিল মিয়ার জমি ফেরতের চেষ্টা। তিনি একের-পর এক, কবরস্থান কমিটি এবং মসজিদ কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে জমি ফেরত চেয়ে হয়রানি করে আসছেন।
কবরস্থান কমিটির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জানান, জমি কবলা করার পর সে আর জমি ফেরতের অধিকার রাখেনা। কেউ মারা গেলে আব্দুল জলিল লাশ দাফনে বাঁধা দিয়ে আসছে। এভাবে আমাদের হয়রানি করা তার উচিত নয়।দান করার পর তিনি সম্পত্তির লোভ করছেন। কিন্তু যেসব লাশের কবর হয়েছে সেসব কবরের কি হবে। এটা একজন মুসলমানের কাজ নয়।আমরা উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি।
অভিযুক্ত জমিদাতা আব্দুল জলিলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা হবে। পরে তার ভাতিজি সাইজু বেগম জানান, আমাদের বাবার জমিও আছে এখানে। আমরা মাটি দিতে দেবোনা।
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত

মিঠাপুকুরে কবরস্থানে জমি দান করার পর দাফনে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ 

মিঠাপুকুরে কবরস্থানে জমি দান করার পর দাফনে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ 

আপডেট সময় ০২:০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২

 

রুবেল হোসাইন (সংগ্রাম) মিঠাপুকুর উপজেলা-
মিঠাপুকুর উপজেলার ০৩ নং-পায়রাবন্দ ইউনিয়নের অভিরামনুরপুর সামাজিক কবরস্থানে জমি দান করার পর, কবরস্থান কমিটিকে হয়রানি এবং দাফন কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ঐ-কর্মকর্তার নাম আলহাজ্ব আব্দুল জলিল।
এলাকাবাসী জানান, অভিরামনুরপুর গ্রামে পূর্বে কোন কবস্হান ছিলোনা। কবরস্থান না থাকায় কেউ মারা গেলে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন বা প্রভাবশালীদের জমিতে অনুরোধ করে কবরস্থ করা লাগতো। বিভিন্ন সময়ে একটি কবরস্থানের দাবি ছিলো দাতা এবং সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের কাছে গ্রামের ভূমিহীনদের।
কিছু তরুন এবং যুবকদের প্রচেষ্টায় ঐ-গ্রামে একটি কবরস্থানের উদ্যোগ নিলে একই গ্রামের শহরে বসবাসরত সাবেক সরকারি কর্মকর্তা আব্দুল জলিল তার নিজ-নামীয় ১৬ শতাংশ জমি কবরস্থানে দান করার প্রস্তাব রাখেন। মসজিদ কমিটি, মুরুব্বি, ঈমাম সবাই আলোচনা করে গ্রাম থেকে প্রতি বাড়িতে চাঁদা তুলে কবরস্থানের জন্য শর্তবিহীন জমিটি ১,৫০,০০০ হাজার টাকায় দানপত্র কবলা দলিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
মসজিদ কমিটি, কবরস্থান কমিটি, দাতার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪ জুন ২০১৮ সালে ৬৩৫০ দলিল মূলে অভিরামনুরপুর মৌজায় ১৬ শতাংশ জমি আব্দুল জলিল অভিরামনুরপুর সামাজিক কবরস্থানের নামে কবলা করে দেন।
জমি কবলা হবার পর কবরস্থান কমিটি নিচু জমি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ করেন, ইতিমধ্যে সেখানে এলাবাসী কয়েকটি মরদেহ দাফন করেন। কিন্তু একটি আত্মহত্যার মরদেহ দাফন করতে গেলে বাঁধা দেন জমিদাতার স্বজনরা। এরপর থেকে শুরু হয় জমিদাতা আব্দুল জলিল মিয়ার জমি ফেরতের চেষ্টা। তিনি একের-পর এক, কবরস্থান কমিটি এবং মসজিদ কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে জমি ফেরত চেয়ে হয়রানি করে আসছেন।
কবরস্থান কমিটির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জানান, জমি কবলা করার পর সে আর জমি ফেরতের অধিকার রাখেনা। কেউ মারা গেলে আব্দুল জলিল লাশ দাফনে বাঁধা দিয়ে আসছে। এভাবে আমাদের হয়রানি করা তার উচিত নয়।দান করার পর তিনি সম্পত্তির লোভ করছেন। কিন্তু যেসব লাশের কবর হয়েছে সেসব কবরের কি হবে। এটা একজন মুসলমানের কাজ নয়।আমরা উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি।
অভিযুক্ত জমিদাতা আব্দুল জলিলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা হবে। পরে তার ভাতিজি সাইজু বেগম জানান, আমাদের বাবার জমিও আছে এখানে। আমরা মাটি দিতে দেবোনা।