ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম সম্পর্কে ১০ জরুরি তথ্য, শিশুদের সুরক্ষায় যা জানা দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১১-০৮ ১৮:৪৩:৩৭
হাম সম্পর্কে ১০ জরুরি তথ্য, শিশুদের সুরক্ষায় যা জানা দরকার হাম সম্পর্কে ১০ জরুরি তথ্য, শিশুদের সুরক্ষায় যা জানা দরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাম হলো মিসলস ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এর সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। হামকে অনেক সময় সাধারণ জ্বর ও শরীরে র্যাশ হিসেবে দেখা হলেও, এটি মোটেও নিরীহ রোগ নয়। বিশেষ করে ছোট শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে হাম গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। হামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর

বিষয় হলো—এটি অত্যন্ত সংক্রামক হলেও কার্যকর টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। কীভাবে হাম ছড়ায়? হাম মূলত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় ভাইরাসযুক্ত ক্ষুদ্র কণা বাতাসে ছড়িয়ে দেন। অন্য ব্যক্তি সেই বাতাস গ্রহণ করলে সংক্রমিত হতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে একই ঘরে থাকা, ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের নিঃসরণের সংস্পর্শে এলেও সংক্রমণ হতে পারে। হামের ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক। কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার পর উপসর্গ প্রকাশের আগেও অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন। তাই শুধু র্যাশ দেখা দেওয়ার পর রোগীকে আলাদা করলেই সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যায় না।

হামের ইনকিউবেশন পিরিয়ড কত? ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পর সাধারণত প্রায় ১০–১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। তবে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। প্রথম দিকে অনেক সময় রোগীকে সাধারণ ভাইরাল জ্বরের রোগী মনে হতে পারে। কয়েক দিন পর মুখ ও শরীরে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ র্যাশ দেখা দিলে হামের সন্দেহ জোরালো হয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ