ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুরকে সুন্দর-সুশৃঙ্খল এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১১-০৫ ০১:৫৯:৪৭
মিরপুরকে সুন্দর-সুশৃঙ্খল এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক মিরপুরকে সুন্দর-সুশৃঙ্খল এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় মিরপুরকে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। বুধবার (৪ নভেম্বর) মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়’-এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রশাসক বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই মিরপুর এলাকার দীর্ঘদিনের সকল নাগরিক ও অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব। বিদ্যালয়টির প্রতি নিজের গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে তিনি সবসময় নিজের স্কুলের মতোই মনে করেন এবং এই প্রতিষ্ঠানের যে কোনো প্রয়োজনে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের পাশে পাওয়া গেছে। বিগত দিনে বিদ্যালয়ের নানা ধরনের কমিটি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে

অভিভাবক ও শিক্ষকদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিরপুরের মতো জনবহুল এলাকায় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় সিটি কর্পোরেশন সর্বদা বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠানে প্রশাসক জানান, মিরপুর এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করায় সাধারণ পথচারী, মায়েরা এবং শিক্ষার্থীরা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, গার্লস আইডিয়াল স্কুলের সামনে দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত থাকা ফুটওভার ব্রিজের কাজ আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে রাস্তা পারাপার হতে পারে। প্রশাসক আরও জানান, মিরপুর-১ কাঁচাবাজার-সংলগ্ন প্রধান রাস্তার দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ লাঘবে এই রাস্তা ও ফুটপাথ সংস্কারের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, শুধু পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না, বরং শিক্ষক ও মা-বাবার কথা মেনে চলতে হবে এবং তাদের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। এ ছাড়া যত্রতত্র ময়লা বা চিপসের প্যাকেট না ফেলে তা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে বা ব্যাগে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। আগামী বছরের পাঠ্যবোর্ডের পাঠ্যপুস্তকে ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক

দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত বিষয়গুলো যুক্ত থাকবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ২ কোটি মানুষের এই বিশাল শহরে একা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে প্রতিদিন রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা বা মশা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য কাজ। তাই কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে এবং ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করতে হবে। নির্বাচনের আগেও কথা দিয়েছিলেন এবং আগামীতেও এলাকাবাসীকে ছেড়ে কোথাও যাবেন না উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, আপনাদের যে কোনো সমস্যা আমার সাধ্যের মধ্যে থাকলে তা এক সেকেন্ডও দেরি না করে আমি সমাধান করে দেবো।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ