ফ্রান্সে বিক্ষোভে লুট হওয়া পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে গত শনিবার অনুষ্ঠিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে হওয়া ওই বিক্ষোভে প্রথমে কিছু ব্যক্তি দোকানপাটে হামলা চালিয়ে পণ্য নিয়ে যান। পরে আরও অনেকে লুটপাটে যোগ দেন। ঘটনার কয়েক দিন পর সেই পণ্যগুলোর কিছু অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রির জন্য তোলার চেষ্টা চলছে। এ পরিস্থিতিতে অবৈধ কেনাবেচা ঠেকাতে ডিজিটাল বাজারগুলোর ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লুটপাটের ঘটনায় খুচরা ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এর ওপর চুরি হওয়া পণ্য অনলাইনে বিক্রির চেষ্টা তাদের জন্য বাড়তি সংকট তৈরি করছে। এসব পণ্য বাজারে আবার বিক্রি হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক লোকসানের পাশাপাশি ব্যবসায়িক ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
দেশটির ক্ষুদ্র ব্যবসাবিষয়ক মন্ত্রী সার্জে পাপিন জানিয়েছেন, লুট হওয়া পণ্যের কেনাবেচা বন্ধে অনলাইন মার্কেটপ্লেস পরিচালনাকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সোমবারের ওই বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের পণ্য কেনাবেচা প্রতিরোধে সরকারকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
মঙ্গলবার মন্ত্রী বলেন, লুট করা পণ্য অনলাইনে বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের সহিংসতা ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল বিলাসবহুল পণ্যের ব্র্যান্ড লুই ভুইতোঁ ও রোলেক্সের বিক্রয়কেন্দ্র। পাশাপাশি প্রসাধনী সামগ্রীর আন্তর্জাতিক বিক্রেতা সেফোরার খুচরা দোকানেও হামলা চালিয়ে পণ্য লুট করা হয়।