মাঠে ফুটবলারের মৃ'ত্যু'তে শো'কা'হ'ত রাফিনিয়া, ‘এটা আমার সঙ্গেও হতে পারতো
মাঠে ফুটবলারের মৃত্যুতে শোকাহত রাফিনিয়া, ‘এটা আমার সঙ্গেও হতে পারতো’
নিজস্ব প্রতিবেদক
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবলে প্রতিপক্ষ গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষে মাঠেই এক ফুটবলারের মৃত্যুতে শোকাহত ফুটবল বিশ্ব। টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের সেই বিয়োগান্তক মৃত্যুর কথা জেনে বিষণ্ণ হয়ে উঠেছিলেন রাফিনিয়া। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে মঙ্গলবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে তার জন্য খেলা কঠিন হয়ে উঠেছিল বললেন বার্সা ফরোয়ার্ড। গত সোমবার টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল এফসি অ্যান্ডোরার গোলকিপার হেসুস ওয়োনোর সঙ্গে সংঘর্ষের পর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। ওই ঘটনায় ওয়োনোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর পর রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, মঙ্গলবার, বুধবার কিংবা বৃহস্পতিবার কোনো ঘরোয়া ম্যাচ হবে না। এই তিন দিন স্প্যানিশ ফুটবলে শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ন্যু ক্যাম্পে নির্ধারিত মঙ্গলবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ ঠিকই হয়েছে। রাফিনিয়ার জোড়া গোলে ৩-০ তে অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়েছে বার্সা। ম্যাচ শেষে ফুটবল নিয়ে কোনো কথা বলতে চাননি রাফিনিয়া, ‘সে (দে মিগেল) যেখানেই থাকুক না কেন, আশা করি সে তার পথ খুঁজে পাবে। তার পরিবার এই সময়ে শক্ত থাকবে এই কামনা করি, আজ ফুটবল নিয়ে কোনো কথা নয়।’ স্প্যানিশ ফুটবলারের মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড, ‘খবরটা দেখার পর আমার ভালো লাগছিল না। সেও ছিল আমার মতোই ফুটবলার। এটা তো আমাদের যে কারও সঙ্গে হতে পারতো। এটা তো আমার সঙ্গেও হতে পারতো।’ প্রায় সমবয়সী একজন ফুটবলারের এমন করুণ মৃত্যু আরও বেশি কষ্ট দিয়েছে ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে, ‘এই ধরনের
পরিস্থিতিতে মাঠে যাওয়া এবং খেলা খুব কঠিন। সে আমার মতো একই বয়সী খেলোয়াড়। সম্ভবত এ কারণেই এটা আমাকে বেশি প্রভাবিত করেছে।’ বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিকও স্বীকার করলেন, দে মিগেলের মৃত্যুর খবর রাফিনিয়াকে
অনেক কষ্ট দিয়েছে, ‘টেনেরিফে যা হয়েছে, আমি মনে করি আমাদের সবার মতো তাকেও অনেক কষ্ট দিয়েছে। তার পরিবার, ক্লাব, বন্ধু ও সবার প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। এটা অনেক বড় ট্র্যাজেডি। আমি মনে করি এটা তাকে অনেক বেশি প্রভাবিত করেছে।’
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স