স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও পাঠালেন পারভেজ, ‘ফায়দা লুটলেন’ প্রবাসী বন্ধু
নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী মো. পারভেজ ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি হাফিজউদ্দীন বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদীর অভিযোগ, পারভেজ ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান।
এজাহারে বলা হয়েছে, বিয়ের পর স্ত্রীর অজান্তে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করেন পারভেজ। পরে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন তিনি। এতে রাজি না হওয়ায় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
বাদীর অভিযোগ, পারভেজ তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হাফিজউদ্দীনের কাছে এসব ছবি ও ভিডিও পাঠান। পরে দুজনের যোগসাজশে বাদীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সেখানে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এমনকি হাফিজউদ্দীনকে বিয়ে করার জন্যও তাঁকে চাপ দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানান, মামলার এক নম্বর আসামি পারভেজ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারিক আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।