ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ , ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘হতাশ হওয়ার কিছু নেই, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হলেই ফলাফল ভালো হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১১-০১ ১৮:৪৫:১৭
‘হতাশ হওয়ার কিছু নেই, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হলেই ফলাফল ভালো হবে’ ‘হতাশ হওয়ার কিছু নেই, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হলেই ফলাফল ভালো হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্যদের নিয়ে হতাশ না হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

 

শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান আন্তরিক হলে আগামীতে পাসের হার স্বাভাবিক ও ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। শনিবার ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়াকে ‘ফলবিপর্যয়’ বলা ঠিক হবে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে শৃঙ্খলা আনা হচ্ছে, ফলাফলে তার একটি সাময়িক প্রভাব দেখা দিয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের দোষ না দিয়ে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন অনুধাবন করতে পেরেছে যে পাস করতে হলে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে হবে।

 

এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীর মূল্যবান শিক্ষাজীবন বাঁচাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া ও পূর্ণাঙ্গ উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানান ড. আমানুল্লাহ।

 

শিক্ষামন্ত্রীর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের এক বছর নষ্ট হবে না এবং এতে পাসের হার অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

 

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত না করে তাদের মনোবল জোগাতে কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উচিত একসঙ্গে বসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা। 

শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে ছুটির দিনে কিংবা নিয়মিত সময়ের বাইরে প্রয়োজনে বিনা সম্মানীতে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে তাদের তৈরি করতে তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্কার উদ্যোগ এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থায় টেকসই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে মন্তব্য করে ড. আমানুল্লাহ বলেন, এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাসের হার সাময়িক কমলেও আগামী পরীক্ষাগুলোতে সার্বিক পাসের হার ও শিক্ষার মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।







 



নিউজটি আপডেট করেছেন : News Room 3

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ