ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে কবরের যায়গা না পেয়ে নিজের থাকার ঘরে দা'ফ'ন করা হয় করিম মিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১০-২৭ ০০:১৮:৩৪
শেরপুরে কবরের যায়গা না  পেয়ে নিজের থাকার ঘরে  দা'ফ'ন করা হয় করিম মিয়ার শেরপুরে কবরের যায়গা না পেয়ে নিজের থাকার ঘরে দাফন করা হয় করিম মিয়ার,
মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শেরপুরের শ্রীবরদীর শালমারা গ্রামে দাফনের জন্য আলাদা জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরেই কবর দেওয়া হয়েছে ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়াকে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান তিনি। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়। এখন ওই ঘরের এক পাশে তাঁর কবর, অন্য পাশে বসবাস করছেন স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০)। করিম মিয়া শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা।

তাঁর বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে ছিলেন। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাবার থাকার ঘরসহ তিন শতাংশ জমি ফুফুর কাছ থেকে কিনে নেন তিনি। জমিটি কেনার পরও ঘরটি তাঁর বাবা-মায়ের বসতবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। কোতুলী বেগম বলেন, ‘আমরা দুই ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। বাবাকে কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গাজমি আমাদের নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।’ স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, একসময় করিম মিয়ার জায়গাজমি ও প্রতিপত্তি ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাঁকে জমি বিক্রি করতে হয়। করিম মিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। এক মেয়ে ও ছেলে

ঢাকায় থাকেন, অন্য মেয়ে থাকেন স্বামীর বাড়িতে। তাঁর স্ত্রী সাজেদা খাতুন এখনো ওই ঘরেই বসবাস করছেন। ঘরের এক পাশে স্বামীর কবর, অন্য পাশে তাঁর থাকার জায়গা। পরিবারের ভাষ্য, এলাকায় সরকারি কবরস্থানের ব্যবস্থা থাকলে করিম মিয়াকে সেখানে দাফন করা সম্ভব হতো। ‘কাকে ভোট দিলাম’ বলে লাইভে ক্ষোভ, সেই নারী কারাগারে ।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ