ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ , ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় ৬৩টি কিন্ডারগার্টেন পেল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুমতি, শিক্ষার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১০-১০ ২৩:৩৯:৪৮
কেন্দুয়ায় ৬৩টি কিন্ডারগার্টেন পেল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুমতি, শিক্ষার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা কেন্দুয়ায় ৬৩টি কিন্ডারগার্টেন পেল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুমতি, শিক্ষার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা
স্টাফ রিপোর্টারঃ


নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ৬৩টি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে। এ অর্জনের মধ্য দিয়ে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। কেন্দুয়া উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সভাপতি, লিসা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকনের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় এ অর্জন সম্ভব


হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন। প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নেও বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তাঁর এ উদ্যোগ কেন্দুয়া উপজেলার সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ অর্জন প্রসঙ্গে কেন্দুয়া উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, কেন্দুয়া উপজেলার ৬৩টি কিন্ডারগার্টেনের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে অনুমোদন লাভ আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এটি শুধু আমাদের সংগঠনের অর্জন নয়, বরং কেন্দুয়ার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। এ অর্জনের পেছনে যাঁরা


আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, কেন্দুয়া উপজেলার প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা। অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো যেন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রেখে যোগ্য, দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়নেও আমাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। সবার সহযোগিতা পেলে কেন্দুয়াকে শিক্ষাক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একা কাজ করা সম্ভব নয়। এ জন্য শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি, শিক্ষা প্রশাসন এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, অনুমোদন পাওয়া ৬৩টি প্রতিষ্ঠান যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


এর মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা আরও সুসংগঠিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। কেন্দুয়ার শিক্ষাক্ষেত্রে এ অর্জনকে ইতিবাচক অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ