ডি কে মিন্টু, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
প্রশাসন মানেই শুধু ফাইল, সিল আর কঠোর নিয়ম নয়। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের কষ্ট বুঝলে প্রশাসনও হয়ে ওঠে আপনজন। মির্জাগঞ্জ উপজেলায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল। দায়িত্ব নেওয়ার পর
থেকেই তিনি নিজেকে শুধু সরকারি কর্মকর্তার গণ্ডিতে আটকে রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন অসহায় মানুষের অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা এবং সাধারণ মানুষের শেষ ভরসা। যেকোনো দুর্যোগে সবার আগে মাঠে দেখা যায় তাকে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার সরাসরি উপস্থিতি থাকে। ত্রাণ দেওয়ার সময় তিনি কেবল সহায়তার প্যাকেট ধরিয়ে দেন না, সুবিধাভোগীদের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং কীভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায় সে পরামর্শও দেন। ইউএনও শেখ মো. রাসেলের নেতৃত্বে মির্জাগঞ্জে এখন দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত হয়েছে। অফিসে আসা চা বিক্রেতা থেকে শুরু
করে স্কুলশিক্ষক, সবাই সমান গুরুত্ব পান। তিনি হাসিমুখে সবার সাথে কথা বলেন, কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন। সেবার মান যাচাই করতে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন। তার এই স্বচ্ছ উদ্যোগের কারণে উপজেলায় সরকারি সেবা এখন সহজ, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও সততার কথা বলেন। মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তিনি যেমন কঠোর, সমাধানের ক্ষেত্রে তেমনি মানবিক। উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ভূমি অফিস, বাজার ও রাস্তাঘাটে তার নিয়মিত পরিদর্শন এলাকাবাসীর মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। স্থানীয়দের মুখে এখন একটাই কথা, ‘সমস্যা হলে ইউএনও স্যারের কাছে যান, সমাধান মিলবে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবারই মূল্যায়ন, ‘ ইউএনও শেখ মো. রাসেল মহোদয় প্রশাসনকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছেন।’ শেখ মো. রাসেল প্রমাণ করেছেন, সততা ও মানবিকতা থাকলে প্রশাসনও মানুষের হৃদয় জয় করতে পারে। ক্ষমতার চেয়ারে বসেও মানুষের সেবক হওয়া যায়, তিনি সেটিই দেখিয়েছেন। তার এই কাজ শুধু মির্জাগঞ্জের গর্ব নয়। এটি দেশের নতুন প্রজন্মের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য একটি পাঠ এবং অনুপ্রেরণা।
মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এমন কর্মকর্তারা আছেন বলেই মানুষ এখনো প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখে। মির্জাগঞ্জবাসী তাই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বলেন, ইউএনও শেখ মো. রাসেল শুধু একজন কর্মকর্তা নন, তিনি মির্জাগঞ্জের মানবিকতার প্রতীক।
প্রশাসন মানেই শুধু ফাইল, সিল আর কঠোর নিয়ম নয়। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের কষ্ট বুঝলে প্রশাসনও হয়ে ওঠে আপনজন। মির্জাগঞ্জ উপজেলায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল। দায়িত্ব নেওয়ার পর
থেকেই তিনি নিজেকে শুধু সরকারি কর্মকর্তার গণ্ডিতে আটকে রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন অসহায় মানুষের অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা এবং সাধারণ মানুষের শেষ ভরসা। যেকোনো দুর্যোগে সবার আগে মাঠে দেখা যায় তাকে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার সরাসরি উপস্থিতি থাকে। ত্রাণ দেওয়ার সময় তিনি কেবল সহায়তার প্যাকেট ধরিয়ে দেন না, সুবিধাভোগীদের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং কীভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায় সে পরামর্শও দেন। ইউএনও শেখ মো. রাসেলের নেতৃত্বে মির্জাগঞ্জে এখন দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত হয়েছে। অফিসে আসা চা বিক্রেতা থেকে শুরু
করে স্কুলশিক্ষক, সবাই সমান গুরুত্ব পান। তিনি হাসিমুখে সবার সাথে কথা বলেন, কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন। সেবার মান যাচাই করতে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন। তার এই স্বচ্ছ উদ্যোগের কারণে উপজেলায় সরকারি সেবা এখন সহজ, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও সততার কথা বলেন। মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তিনি যেমন কঠোর, সমাধানের ক্ষেত্রে তেমনি মানবিক। উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ভূমি অফিস, বাজার ও রাস্তাঘাটে তার নিয়মিত পরিদর্শন এলাকাবাসীর মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। স্থানীয়দের মুখে এখন একটাই কথা, ‘সমস্যা হলে ইউএনও স্যারের কাছে যান, সমাধান মিলবে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবারই মূল্যায়ন, ‘ ইউএনও শেখ মো. রাসেল মহোদয় প্রশাসনকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছেন।’ শেখ মো. রাসেল প্রমাণ করেছেন, সততা ও মানবিকতা থাকলে প্রশাসনও মানুষের হৃদয় জয় করতে পারে। ক্ষমতার চেয়ারে বসেও মানুষের সেবক হওয়া যায়, তিনি সেটিই দেখিয়েছেন। তার এই কাজ শুধু মির্জাগঞ্জের গর্ব নয়। এটি দেশের নতুন প্রজন্মের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য একটি পাঠ এবং অনুপ্রেরণা।
মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এমন কর্মকর্তারা আছেন বলেই মানুষ এখনো প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখে। মির্জাগঞ্জবাসী তাই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বলেন, ইউএনও শেখ মো. রাসেল শুধু একজন কর্মকর্তা নন, তিনি মির্জাগঞ্জের মানবিকতার প্রতীক।