আগৈলঝাড়ায় ভু'য়া দলিলের অ'ভিযোগে নামজারি বা'তিল

আপলোড সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৯:২৪:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৯:২৫:৫৪ অপরাহ্ন
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো :

ভুয়া দলিলের মাধ্যমে ২৭ শতক জমি নিজের নামে নামজারি (মিউটেশন) করে নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই মিউটেশন বাতিল করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ভূমি অফিস ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের উত্তর ভাল্লুকশী মৌজার এসএ ৫৬ নম্বর খতিয়ানের ৩৭৪ নম্বর দাগ এবং বিএস ২৪৮ নম্বর খতিয়ানের ৫৪৯ নম্বর দাগের ২৭ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল।


জমির রেকর্ডীয় মালিক হিসেবে উপসনার নাম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, লিয়াকত আলী হাওলাদার ২০১০ সালের ১০ আগস্ট ১৭১৯ নম্বর দলিলের কথা বলে ২৭ শতক জমি নিজের নামে নামজারি করিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওই দলিলের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভুক্তভোগী পক্ষ। তাদের দাবি, আগৈলঝাড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মূল দলিলের সাথে বরিশাল নকলখানা থেকে সংগৃহীত একই নম্বরের দলিলের দাতা, গ্রহীতা ও সম্পত্তির বিবরণে স্পষ্ট অসংগতি রয়েছে। পরবর্তীতে জালিয়াতির অভিযোগে ভুক্তভোগী আজগোর আলী মৃধা বাদি হয়ে লিয়াকত আলী হাওলাদারের বিরুদ্ধে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা (নম্বর ৭১/২০২৬) দায়ের করেন।


আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের নথিপত্র পর্যালোচনা করে লিয়াকত আলী হাওলাদারের নামে করা ওই বিতর্কিত নামজারি বাতিলের আদেশ দেওয়া হয়। নতুন নথিতে আগের রেকর্ড বাতিলের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে। মামলার বাদী আজগোর আলী মৃধা জানান, তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে ওই সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। এই মিউটেশন বাতিলের মাধ্যমে জমি নিয়ে চলা দীর্ঘ বিরোধ নিরসনের পথে একটি বড় অগ্রগতি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আজগোর আলী মৃধা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। এর আগে অভিযুক্ত লিয়াকত আলী হাওলাদার দাবি করেছিলেন, তিনি বৈধ দলিলের মাধ্যমেই নামজারির আবেদন করেছিলেন এবং তৎকালীন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) আদেশের পরেই তার নামে জমি রেকর্ডভুক্ত হয়। এমনকি তিনি ওই জমির কিছু অংশ অন্যদের কাছে বিক্রিও করেছেন বলে দাবি করেছিলেন। আগৈলঝাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ আহমেদ


জানিয়েছেন, অনলাইন আবেদনের সময় দাখিল করা কাগজপত্রের ভিত্তিতে তৎকালীন কর্মকর্তা রেকর্ড দিয়েছিলেন। তবে এর পেছনে কোনো জালিয়াতি থাকলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার আবেদনকারীকেই বহন করতে হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]