ভান্ডারিয়ায় জা'ল ও ভু'য়া সনদে শিক্ষিকার চাকরি, দুই মাস ধরে বেতন ব'ন্ধ

আপলোড সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৪:৫১:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৯-২০২৬ ০৮:৩৫:২৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়া গেছে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার বিরুদ্ধে। ১৪ জুলাই অত্র মাদ্রসার শিক্ষকদের দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র যাচাইয়ের শেষে গত ২৮ জুলাই এনটিআরসি এর কর্তৃপক্ষ একটি জারি করা নোটিসে এ তথ্য জানায় এবং ওই নোটিসে সহকারী পরিচালক ড. এস এম আতিয়ার রহমান উক্ত জাল সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহনপূর্বক অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করে।

জারিকৃত নোটিসে ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার বিষয়ে জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭ শ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ২০১০৩২১৯৮ রোল নম্বর সম্বলিত Most. Farzana, পিতা: Md. Firoj Mia, মাতা: Mst Tajenur Begum এর দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটিতে নাম, পিতা ও মাতার নাম, ঠিকানা ও প্রাপ্ত নম্বরের সাথে এ প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত ফলাফলের মিল নাই। সংগত কারণে প্রতীয়মান হয় প্রেরিত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয় বরং জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট।

সুত্র জানায়, শিক্ষিকা ফারজানার সনদ জালের অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা হয় । ফলে ওই শিক্ষিকা অত্র মাদ্রাসায় ক্লাস নিতে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শিক্ষিকা ফারজানার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে, এ বিষয়ে আজ শনিবার রাতে ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিম জানান, সনদ যাচাইয়ে সঠিক পাওয়া যায়নি, বিধি মোতাবেক মাদ্রসার গভর্ণিং বডির এক মিটিংয়ে শিক্ষিকা ফারজানার বেতন বন্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং গত ২ মাস ধরে তার বেতন বন্ধ রয়েছে। ওই শিক্ষিকা বর্তমানে মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দিয়েছেন।



 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]