আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় রাতভর অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুই হাজার ১৫০ কেজি সার উদ্ধার করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে তাদেরকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসলামপুর এলাকায় মো. বেলাল মিয়া ও মো. মানিক উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় তাদের বাড়ির গোয়ালঘর, খড়ের মাচা ও ধানের গোলা থেকে সারগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ৪২ বস্তায় এক হাজার ৫০০ কেজি ইউরিয়া এবং ৬৫০ কেজি ডিএপি সার পাওয়া যায়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বেলাল মিয়া ও মানিক উদ্দিনকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিম উদ্দিন এবং ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আমিনুল হক তারেক। ভূরুঙ্গামারী সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ যাতে অবৈধভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে জন্য সার বিতরণ ব্যবস্থায় নজরদারি করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় রাতভর অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুই হাজার ১৫০ কেজি সার উদ্ধার করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে তাদেরকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসলামপুর এলাকায় মো. বেলাল মিয়া ও মো. মানিক উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় তাদের বাড়ির গোয়ালঘর, খড়ের মাচা ও ধানের গোলা থেকে সারগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ৪২ বস্তায় এক হাজার ৫০০ কেজি ইউরিয়া এবং ৬৫০ কেজি ডিএপি সার পাওয়া যায়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বেলাল মিয়া ও মানিক উদ্দিনকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিম উদ্দিন এবং ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আমিনুল হক তারেক। ভূরুঙ্গামারী সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসির মামুন মুন বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ যাতে অবৈধভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে জন্য সার বিতরণ ব্যবস্থায় নজরদারি করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।