নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেঁয়াকো বাজারে যুবদলের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন দুপক্ষের লোকজন। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ভোজন রসিক নামে একটি রেস্তোরাঁয় সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা চৌধুরীর ছেলে শাকিল চৌধুরী রনি, স্থানীয় বাগানবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বাবুল এবং তার বিরোধীপক্ষের অনুসারী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফরিদের ছেলে যুবদল কর্মী ঘোষণা কবির। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেঁয়াকো বাজারের অদূরে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ১০টায় তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের তিনজন ছুরিকাঘাতে এবং তাদের ঝামেলা থামাতে গিয়ে স্থানীয় বাবুল নামে একজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রামগড় ও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ঘোষণা কবির, শাকিল চৌধুরী রনি এবং নাসির উদ্দিন চৌধুরী বিপ্লবকে চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘোষণা কবিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষের পর বিপ্লবের লোকজন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। অন্যদিকে কবিরের লোকজন সরকারপাড়া সড়কে অবস্থান করেন। এতে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘণ্টাখানেক যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
পরে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেঁয়াকো বাজারে যুবদলের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন দুপক্ষের লোকজন। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ভোজন রসিক নামে একটি রেস্তোরাঁয় সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা চৌধুরীর ছেলে শাকিল চৌধুরী রনি, স্থানীয় বাগানবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বাবুল এবং তার বিরোধীপক্ষের অনুসারী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফরিদের ছেলে যুবদল কর্মী ঘোষণা কবির। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেঁয়াকো বাজারের অদূরে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রাত ১০টায় তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের তিনজন ছুরিকাঘাতে এবং তাদের ঝামেলা থামাতে গিয়ে স্থানীয় বাবুল নামে একজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রামগড় ও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ঘোষণা কবির, শাকিল চৌধুরী রনি এবং নাসির উদ্দিন চৌধুরী বিপ্লবকে চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘোষণা কবিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষের পর বিপ্লবের লোকজন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। অন্যদিকে কবিরের লোকজন সরকারপাড়া সড়কে অবস্থান করেন। এতে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘণ্টাখানেক যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
পরে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।