বাবরি মসজিদ ভা'ঙার দৃশ্য টিভিতে দেখে কেঁদেছিলাম: সোনিয়া গান্ধী

আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০১:৫২:৫৪ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯২ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন বলে স্মৃতিচারণ করেছেন দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

 

গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।

 

সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী বলেন, টেলিভিশনের পর্দায় বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য দেখার সময় আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি, কেঁদে ফেলেছিলাম। তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, ভারতের সামনে তার সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার এক কঠিন ও দীর্ঘ লড়াই অপেক্ষা করছে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, ওই সময় উত্তর প্রদেশে রামজন্মভূমি আন্দোলনের নামে যে সাম্প্রদায়িক উন্মাদনা ছড়ানো হচ্ছিল, তার পেছনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল।

 

সোনিয়া গান্ধী বলেন, সেই ধ্বংসযজ্ঞ দেখার পর আমি উপলব্ধি করি—মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু ও তাদের সহকর্মীরা মিলে যে ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা এক চরম পরীক্ষার মুখে পতিত হতে যাচ্ছে।

 

একই সঙ্গে ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদের যে রাজনৈতিক উত্থান ঘটেছে, তার পেছনে অতীতে কংগ্রেসেরও কিছু ব্যর্থতা ও ভূমিকা ছিল বলে অকপটে স্বীকার করেন এই প্রবীণ রাজনীতিক।

 

এদিকে, বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর এমন মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দলটির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি কংগ্রেসকে ‘হিন্দু বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে প্রদীপ ভাণ্ডারি লেখেন, সোনিয়া গান্ধী বাবরি মসজিদের জন্য চোখের পানি ফেলেন, সোনিয়া গান্ধী বাটলা হাউসের ঘটনার জন্যও চোখের পানি ফেলেন। এর মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো কংগ্রেস আসলে বাবরপন্থী এবং ভগবান রামবিরোধী। এই দ্বিচারিতার কারণে সোনিয়া গান্ধীর ভোটব্যাংক ক্রমশ কমতেই থাকবে।






 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]