এস. এম. জালাল উদ্দীনঃ
কাতারে বসবাসরত মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রবাসীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ২০২৬ সালের বাৎসরিক বনভোজন ও আনন্দঘন মিলনমেলা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কাতারের মদিনা খলিফা নর্থ এলাকার আল-হামাম পার্কে জুড়ী উপজেলা বৃহত্তর কাতার প্রবাসীদের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝে নিজ উপজেলার মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি,
পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ মিলনমেলায় কাতারের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত জুড়ী উপজেলার প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ফলে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় এক আনন্দমুখর পারিবারিক মিলনমেলায়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল নানা ধরনের খেলাধুলা, বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, গল্প-আড্ডা ও আনন্দ-উল্লাস। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকার পরিচিত মুখগুলোর সঙ্গে দেখা হওয়ায় প্রবাসীদের মধ্যে দেখা যায় বাড়তি উচ্ছ্বাস ও আবেগ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সুখ-দুঃখ, প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা ও এলাকার নানা স্মৃতি একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বিদেশের মাটিতে জন্মস্থান ও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং আত্মিক সম্পর্কের এক অনন্য প্রকাশ ঘটে এ মিলনমেলায়। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে থেকেও জুড়ী উপজেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মব্যস্ত জীবনের বাইরে সবাইকে নিয়ে একটি আনন্দঘন দিন কাটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা। এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আয়োজকরা হলেন রিয়াজ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, শাহিন আহমদ, মো. জালাল উদ্দীন ও মো. রায়েল উদ্দিন।
তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও অংশগ্রহণকারীদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা বনভোজন ও মিলনমেলাকে সফল করতে সহযোগিতা করা সকল প্রবাসী, তাঁদের পরিবারের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। আয়োজক মো. জালাল উদ্দীন বলেন, প্রবাসের মাটিতে জুড়ী উপজেলার ভাইদের একসঙ্গে মিলিত হওয়া, পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার এই আয়োজন সত্যিই আনন্দের। সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীতেও এ ঐক্য, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ
নয়; বরং প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ঐক্য, সম্প্রীতি ও নিজ এলাকার প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কাতারের বুকে জুড়ী উপজেলার প্রবাসীদের এই মিলনমেলা আগামী দিনেও ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে, এমন প্রত্যাশা সবার।
কাতারে বসবাসরত মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা প্রবাসীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ২০২৬ সালের বাৎসরিক বনভোজন ও আনন্দঘন মিলনমেলা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কাতারের মদিনা খলিফা নর্থ এলাকার আল-হামাম পার্কে জুড়ী উপজেলা বৃহত্তর কাতার প্রবাসীদের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝে নিজ উপজেলার মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি,
পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ মিলনমেলায় কাতারের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত জুড়ী উপজেলার প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ফলে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় এক আনন্দমুখর পারিবারিক মিলনমেলায়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল নানা ধরনের খেলাধুলা, বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, গল্প-আড্ডা ও আনন্দ-উল্লাস। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকার পরিচিত মুখগুলোর সঙ্গে দেখা হওয়ায় প্রবাসীদের মধ্যে দেখা যায় বাড়তি উচ্ছ্বাস ও আবেগ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সুখ-দুঃখ, প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা ও এলাকার নানা স্মৃতি একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বিদেশের মাটিতে জন্মস্থান ও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং আত্মিক সম্পর্কের এক অনন্য প্রকাশ ঘটে এ মিলনমেলায়। আয়োজকরা জানান, প্রবাসে থেকেও জুড়ী উপজেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মব্যস্ত জীবনের বাইরে সবাইকে নিয়ে একটি আনন্দঘন দিন কাটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা। এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আয়োজকরা হলেন রিয়াজ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, শাহিন আহমদ, মো. জালাল উদ্দীন ও মো. রায়েল উদ্দিন।
তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও অংশগ্রহণকারীদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা বনভোজন ও মিলনমেলাকে সফল করতে সহযোগিতা করা সকল প্রবাসী, তাঁদের পরিবারের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। আয়োজক মো. জালাল উদ্দীন বলেন, প্রবাসের মাটিতে জুড়ী উপজেলার ভাইদের একসঙ্গে মিলিত হওয়া, পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার এই আয়োজন সত্যিই আনন্দের। সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীতেও এ ঐক্য, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ
নয়; বরং প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ঐক্য, সম্প্রীতি ও নিজ এলাকার প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কাতারের বুকে জুড়ী উপজেলার প্রবাসীদের এই মিলনমেলা আগামী দিনেও ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে, এমন প্রত্যাশা সবার।