নিজস্ব প্রতিবেদক
সাজেক ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা আগামী বৈঠকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু ও ৫ জন সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এবং মাছুম মোস্তফা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত
উপকারভোগীদের মধ্যে কার্ড বিতরণ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরের শূন্য পদ এবং এসব পদ পূরণে গৃহীত উদ্যোগের বিস্তারিত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে কমিটি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তরগুলোতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ ও এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের তথ্যও আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে কর্মরত পাড়াকর্মীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের হ্রাসকৃত সম্মানী ভাতা সম্মানজনক হারে বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। বৈঠকে চলতি অর্থবছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্যশস্য বরাদ্দ, ব্যয় পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্থায়ী কমিটি। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাজেক ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা আগামী বৈঠকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু ও ৫ জন সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এবং মাছুম মোস্তফা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত
উপকারভোগীদের মধ্যে কার্ড বিতরণ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরের শূন্য পদ এবং এসব পদ পূরণে গৃহীত উদ্যোগের বিস্তারিত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে কমিটি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তরগুলোতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ ও এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের তথ্যও আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে কর্মরত পাড়াকর্মীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের হ্রাসকৃত সম্মানী ভাতা সম্মানজনক হারে বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। বৈঠকে চলতি অর্থবছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্যশস্য বরাদ্দ, ব্যয় পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্থায়ী কমিটি। বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।