নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজ হাতে লেখা কোরআন শরিফ এবং নিজের আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছে খুলনার দুই শিশু শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন তারা। অনুষ্ঠান চলাকালে শিশু শিক্ষার্থী অরিন সাফাত খান সম্পূর্ণ নিজ হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরিফটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্নেহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেটি গ্রহণ করেন এবং শিশুটিকে দোয়া ও আশীর্বাদ জানান। খুদে শিক্ষার্থী অরিন সাফাত বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে নিজ হাতে লেখা কোরআন শরিফ দিতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। তিনি আমার সাথে কথা বলেছেন। আমার ভীষণ ভালো লেগেছে তার সঙ্গে কথা বলে। আমার লেখা পেজ গুলো
দেখেছিলেন এবং বলেছেন খুব সুন্দর। আমার ইচ্ছা আছে জাইমা রহমান আপুর সাথে দেখা করার। একই অনুষ্ঠানে আরেক শিক্ষার্থী নায়লা তাসলিম জামান তার নিজ হাতে আঁকা একটি সুন্দর ছবি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেয়। প্রধানমন্ত্রী ছোটদের কাছ থেকে পাওয়া এসব উপহার আনন্দচিত্তে গ্রহণ করেন এবং তাদের পড়াশোনা ও সৃজনশীল চর্চা চালিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দেন। শিশুদের এমন ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীল উপহার অনুষ্ঠানে সকলের প্রশংসা কুড়ায়।
নিজ হাতে লেখা কোরআন শরিফ এবং নিজের আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছে খুলনার দুই শিশু শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন তারা। অনুষ্ঠান চলাকালে শিশু শিক্ষার্থী অরিন সাফাত খান সম্পূর্ণ নিজ হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরিফটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্নেহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেটি গ্রহণ করেন এবং শিশুটিকে দোয়া ও আশীর্বাদ জানান। খুদে শিক্ষার্থী অরিন সাফাত বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে নিজ হাতে লেখা কোরআন শরিফ দিতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। তিনি আমার সাথে কথা বলেছেন। আমার ভীষণ ভালো লেগেছে তার সঙ্গে কথা বলে। আমার লেখা পেজ গুলো
দেখেছিলেন এবং বলেছেন খুব সুন্দর। আমার ইচ্ছা আছে জাইমা রহমান আপুর সাথে দেখা করার। একই অনুষ্ঠানে আরেক শিক্ষার্থী নায়লা তাসলিম জামান তার নিজ হাতে আঁকা একটি সুন্দর ছবি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেয়। প্রধানমন্ত্রী ছোটদের কাছ থেকে পাওয়া এসব উপহার আনন্দচিত্তে গ্রহণ করেন এবং তাদের পড়াশোনা ও সৃজনশীল চর্চা চালিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দেন। শিশুদের এমন ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীল উপহার অনুষ্ঠানে সকলের প্রশংসা কুড়ায়।