ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাপখালী এলাকায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে শহীদুল্লাহর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সাপখালী বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী দুই ভাই মোসলেম ও আলম মিয়াসহ স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে শহীদুল্লাহর কাছ থেকে ১৩ শতাংশ জমি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় মৌখিকভাবে ক্রয় করেন দুই ভাই মোসলেম ও আলম মিয়া। জমি কেনার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তারা তা ভোগদখল করে আসছেন। তবে জমির দলিল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা করা হয়নি। সম্প্রতি জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করছেন শহীদুল্লাহ—এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা ভুক্তভোগীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শহীদুল্লাহর বিচারের দাবি জানান। অন্যদিকে, জমি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদুল্লাহর দাবি, তিনি মোসলেম ও আলমের কাছে কোনো জমি বিক্রি করেননি।
বরং তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এ বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী বিষয়টির ন্যায়সংগত সমাধান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাপখালী এলাকায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে শহীদুল্লাহর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সাপখালী বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী দুই ভাই মোসলেম ও আলম মিয়াসহ স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে শহীদুল্লাহর কাছ থেকে ১৩ শতাংশ জমি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় মৌখিকভাবে ক্রয় করেন দুই ভাই মোসলেম ও আলম মিয়া। জমি কেনার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তারা তা ভোগদখল করে আসছেন। তবে জমির দলিল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা করা হয়নি। সম্প্রতি জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করছেন শহীদুল্লাহ—এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা ভুক্তভোগীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শহীদুল্লাহর বিচারের দাবি জানান। অন্যদিকে, জমি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদুল্লাহর দাবি, তিনি মোসলেম ও আলমের কাছে কোনো জমি বিক্রি করেননি।
বরং তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এ বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী বিষয়টির ন্যায়সংগত সমাধান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।