নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন নিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে গেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করবেন তিনি।
এর আগে মামলায় হাজির না হওয়ায় পরীমনির জামিন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। অন্যদিকে, পরীমনির আইনজীবী সময়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীমনির জামিন বাতিল এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।
এর আগে মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ও পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। এরপর তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
মামলাটি দায়ের করেন বোট ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলায় পরীমনিসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। অপর দুই আসামি হলেন ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি।
মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ দাবি করেন, সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগ মামলার বাদীর বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।