নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চোমরপাথালিয়া গ্রামে দুই কৃষকের প্রায় ১ হাজার ৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা হলেন, চোমরপাথালিয়া বাজার এলাকার আবুল কালাম ফেলুর ছেলে ফরিদ এবং নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান সত্তার। তারা জমি বর্গা নিয়ে তিন বিঘা জমিতে কলার চারা রোপণ করেছিলেন। ঘটনার পর বাগানের প্রায় পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। এতে এলাকার কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গাছগুলো কেটে ফেলে। সকালে জমিতে গিয়ে কৃষকেরা দেখেন, গাছগুলো কাটা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে।
কৃষকেরা জানান, কিস্তিতে টাকা তুলে তারা চাষাবাদ করেছিলেন। মাসের পর মাস পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে বাগান গড়ে তুলেছিলেন। এক রাতেই সেই শ্রম ও পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। ঋণ করে চাষ করায় এ ক্ষতি সামলে ওঠা তাদের জন্য কঠিন হবে বলে তারা জানান। কৃষকদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতা ও প্রতিহিংসার জেরে পরিকল্পিতভাবে এ ক্ষতি করা হয়েছে। তবে কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ঘটনায় এলাকার অন্য কৃষকেরাও নিজেদের ফসল নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
শেরপুর থানার ওসি একরামুল হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।