গবেষণার মাঠ দখলের প্রতিবাদে গণপূর্তের কুশপুত্তলিকা পো'ড়ালো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

আপলোড সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৪:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৪:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরোনো গবেষণার মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে আবারও সড়কে নেমেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানান।

 

বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা স্ট্যান্ডের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

 

অবরোধ কর্মসূচি শেষে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের কুশপুত্তলিকা দাহ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

এ ছাড়া সড়কে বিভিন্ন প্রতিবাদী গান গেয়ে ভিন্নধর্মী উপায়ে নিজেদের দাবি ও ক্ষোভ তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

 

এর আগে মঙ্গলবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভায় সব পর্যায়ের পরীক্ষা বর্জন এবং বেলা ১১টার পর সব ধরনের ক্লাসে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একত্র হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

 

গত ২৭ অক্টোবর পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি দাবি করে তা হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন মাঠে সচিবালয় নির্মাণের উদ্দেশ্যে চলমান মাটি পরীক্ষার যন্ত্রপাতি ও গাড়ি জব্দ করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন তারা। পরদিন মেলা বন্ধের আলটিমেটাম দেওয়ার পর মাঠের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ২৯ অক্টোবর সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

 

এর মধ্যে ওই দিনই জাতীয় যুবমেলাসহ সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তবে মাঠের স্থাপনা অপসারণ না করা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে গত ২ নভেম্বর চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে মাঠটি চাষ করে নিজেদের দখলে নেন আন্দোলনকারীরা।

 

আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে শিক্ষার্থী রাতুল বলেন, তাদের আন্দোলনের কারণে সড়কে যানজট সৃষ্টি হওয়ায় তারা দুঃখিত। তবে গবেষণার মাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা শহর থেকে গাছপালা হারিয়ে গেলে অক্সিজেনের জোগান কোথা থেকে আসবে, শহরের পাখিরা কোথায় আশ্রয় পাবে? মানুষের খাদ্যের জোগান আসে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা থেকে। গবেষণার মাঠ হারিয়ে গেলে খাদ্য উৎপাদন ও গবেষণার ক্ষতি হবে।






 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]