পেয়ার আলী, ঠাকুরগাঁও:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শান্তিপুর, মৌজা: আরাজী চন্দনচহট, ডাক: মুজাহিদাবাদ এলাকায় পুকুরে বয়লার মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার ইউনুস আলী, নূর আলম ও মতিয়র নামে কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের পাড়ে বস্তায় বস্তায় বয়লার লিটার জমা করে তা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুর পাড়ে প্রায় ৫০-৭৫ বস্তা বয়লার বিষ্ঠা স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
বস্তাগুলো থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, ফলে আশপাশে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানান, এভাবে উৎপাদিত মাছ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়লার বিষ্ঠায় থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, এন্টিবায়োটিক ও অ্যামোনিয়া মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে ডায়রিয়া, কিডনি ও লিভারের জটিল রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনুস আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, _"সবাই লিটার ব্যবহার করছে, আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব।"
_ এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল জলিলকে মুঠোফোনে কল করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকার সচেতন মহল অস্বাস্থ্যকর এই মাছ চাষ বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শান্তিপুর, মৌজা: আরাজী চন্দনচহট, ডাক: মুজাহিদাবাদ এলাকায় পুকুরে বয়লার মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) দিয়ে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার ইউনুস আলী, নূর আলম ও মতিয়র নামে কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের পাড়ে বস্তায় বস্তায় বয়লার লিটার জমা করে তা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুর পাড়ে প্রায় ৫০-৭৫ বস্তা বয়লার বিষ্ঠা স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
বস্তাগুলো থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, ফলে আশপাশে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানান, এভাবে উৎপাদিত মাছ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়লার বিষ্ঠায় থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, এন্টিবায়োটিক ও অ্যামোনিয়া মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে ডায়রিয়া, কিডনি ও লিভারের জটিল রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনুস আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, _"সবাই লিটার ব্যবহার করছে, আপনার কি করার আছে করেন, আমি প্রশাসনকে জবাব দেব।"
_ এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল জলিলকে মুঠোফোনে কল করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকার সচেতন মহল অস্বাস্থ্যকর এই মাছ চাষ বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।