নিজস্ব প্রতিবেদক
গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সোহেল রানার সইয়ে করা বিভাগীয় মামলা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ট্রাইব্যুনালের গাড়িচালক আলী হোসেনের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও ব্যারিস্টার আবু সাদেক আব্দুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী। ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চু গণমাধ্যমে
অভিযোগ করেন, গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। তার দাবি, গাড়ির লগবইয়ে সময় উল্লেখ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তার চোখে ঘুষি ও কানের ওপর থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি চিকিৎসা নেন এবং চোখে ব্যান্ডেজ করতে হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন জনি। তার দাবি, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বাচ্চুকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাকে ধমক দিয়ে বের করে দেন। তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাটি নজরে আসার পর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রশাসন ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আইনজীবী
মো. বাকির হোসেন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর এ অবস্থায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সোহেল রানা গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। যেটাতে বিচারক নিজেই বাদী, নিজেই বিচারক, এর ফলশ্রুতিতে আলী হোসেন রিট করেন। রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগীয় মামলাটির কার্যক্রমের বিষয়ে রুল জারি করে তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। তিনি বলেন, এখানে হাইকোর্টর তদন্ত কমিটি, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি পেন্ডিং থাকা অবস্থায় এ বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম নিলেন।
গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সোহেল রানার সইয়ে করা বিভাগীয় মামলা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ট্রাইব্যুনালের গাড়িচালক আলী হোসেনের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও ব্যারিস্টার আবু সাদেক আব্দুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী। ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চু গণমাধ্যমে
অভিযোগ করেন, গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। তার দাবি, গাড়ির লগবইয়ে সময় উল্লেখ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তার চোখে ঘুষি ও কানের ওপর থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি চিকিৎসা নেন এবং চোখে ব্যান্ডেজ করতে হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন জনি। তার দাবি, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বাচ্চুকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাকে ধমক দিয়ে বের করে দেন। তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাটি নজরে আসার পর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রশাসন ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আইনজীবী
মো. বাকির হোসেন জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর এ অবস্থায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সোহেল রানা গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। যেটাতে বিচারক নিজেই বাদী, নিজেই বিচারক, এর ফলশ্রুতিতে আলী হোসেন রিট করেন। রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগীয় মামলাটির কার্যক্রমের বিষয়ে রুল জারি করে তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। তিনি বলেন, এখানে হাইকোর্টর তদন্ত কমিটি, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি পেন্ডিং থাকা অবস্থায় এ বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম নিলেন।